শিরোনাম
◈ নির্বাচনী হলফনামায় এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা আলমের ৩১ লাখ টাকার সম্পদ ও ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার আছে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই ইরানের : ইসমাইল বাঘাই ◈ নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে এক জনের মরদেহ উদ্ধার করল যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ ◈ আকাশপথে শক্ত অবস্থান গড়তে বিমানের মহাপরিকল্পনা: বহরে ৪৭ উড়োজাহাজ, যুক্ত হচ্ছে নতুন গন্তব্য ◈ বিদ্যুৎ-গ্যাস ঘাটতিতে থমকে যাচ্ছে শিল্প উৎপাদন, চাপ বাড়ছে অর্থনীতিতে ◈ রামেক হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর রেকর্ড: তিন মাসে ৮৭১ জনের প্রাণহানি ◈ আমি আগে কইছিলাম, গরিবের কেউ নেই, অহন দেখি বিচার অইবো, দেখার অপেক্ষায় আছি: তনুর বাবা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় সন্দেহভাজন একজন গ্রেপ্তার: ওয়াশিংটন ডিসি দূতাবাসের বিবৃতি ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ ভ্রমণ সতর্কতা জা‌রি ক‌রে‌ছে অ্যামনেস্টি ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ◈ রাজশাহীতে শিক্ষিকা বনাম বিএনপি নেতার কাণ্ড নেপথ্যের ঘটনা নিয়ে যা জানাগেল

প্রকাশিত : ২৩ জুলাই, ২০২০, ০২:২৯ রাত
আপডেট : ২৩ জুলাই, ২০২০, ০২:২৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি কিটের রেজিস্ট্রেশন পেতে অপেক্ষা দীর্ঘ হচ্ছে

শিমুল মাহমুদ: [২] ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে ৫ জুলাই নথিসহ বৈঠক করেন ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট’ প্রকল্পের তিন বিজ্ঞানী। বৈঠকে কিটের এক্সটার্নাল ভ্যালিডেশনের পরামর্শ দেয় ঔষধ প্রশাসন। আইসিডিডিআরবি ও বিএসএমএমইউর যেকোন একটিতে এটা করতে বলা হয়।

[৩] আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি কিটের সেনসিটিভিটি ছিলো ৬৯ শতাংশ। ঔষধ প্রশাসন দেয়া নীতিমালা অনুযায়ী এটা ৯০ করতে হবে। এখন তারা তৃতীয় কোন পক্ষের মাধ্যমে ভ্যালিডেশন করালে হয়ে যাবে।

[৪] ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট’ কিট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার বলেন, এই মুহূর্তে আইসিডিডিআর বি’ বা বিএসএমএমইউ’র কিট ভ্যালিডেশনের কারিগরী ব্যবস্থাপনা নেই। ভ্যালিডেশন শুরু করতে আরও অন্তত দুই মাস লাগবে।

[৫] তিনি জানান, ঔষুধ প্রশাসন অ্যান্টিবডি কিটের ‘প্যানেল টেস্ট’ করিয়ে আনতে বলেছে। এই টেস্টের মেশিন বাংলাদেশে নেই। যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত দুই/তিনটি দেশে এটা আছে। এ টেস্ট করতে হলে কিট নিয়ে সেদেশে যেতে হবে কিংবা মেশিন কিনে আনতে হবে। এর দাম ৪৫ লাখ টাকা। এছাড়া নীতিমালও এ ক্ষেত্রে একটা বাধা। আমদানী করলে শুধু ভ্যালিডেশন করলেই চলবে। সেনসিটিভিটির কথা বলা হয়নি। অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করলে লাগবে এক্সটারনাল ভ্যালিডেশন এবং সেনসিটিভিটি থাকতে হবে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ। সম্পাদনা: সিরাজুল ইসলাম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়