শিরোনাম
◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল ◈ ভোট ডাকাতি হলে আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীনের ◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব ◈ দুপুরে এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ◈ ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত: এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান ◈ এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম ◈ ভোট দেওয়া শেষে সবাইকে 'ঈদ মোবারক' জানান প্রধান উপদেষ্টা ◈ রুমিন ফারহানার অ‌ভি‌যোগ, বিভিন্ন জায়গায় সিল মারার পায়তারা করছে ◈ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পুত্র থেকে যেভাবে বিএনপির একক নেতায় পরিণত হলেন 

প্রকাশিত : ২৩ জুলাই, ২০২০, ১২:৫৫ দুপুর
আপডেট : ২৩ জুলাই, ২০২০, ১২:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বান সংখ্যা নতুন রেকর্ড, চার লাখে পৌঁছালো

সাইদ রিপন : [২] বুধবার বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) আওতাধীন সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (পিপিটিইউ) থেকে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি সেবা ডিজিটাইজেশনের অংশ হিসেবে ২০১১ সালের ২ জুন ই-জিপির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এক বছর পরীক্ষামূলক অনলাইন টেন্ডারিংয়ের সফলতা অর্জনের পর ২০১২ সাল থেকে সরকারি বিভিন্ন ক্রয়কারি সংস্থা সিপিটিইউ’র উদ্ভাবিত ই-জিপি বাস্তবায়ন শুরু করে।

[৩] সিপিটিইউ জানায়, মাত্র আট বছরের মধ্যে ই-জিপিতে সরকারি ক্রয়কারি সংস্থা ও দরপত্রদাতাদের এই ব্যাপক অংশগ্রহণ সরকারি সেবা ডিজিটাইজেশনে বড় ধরনের একটি সাফল্য। ওই বছরই চারটি বড় ক্রয়কারি সংস্থাসমূহ পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন টেন্ডারিং চালু করে। ক্রয়কারি সংস্থাগুলো হচ্ছে- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড।

[৪] বুধবার পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৩৬৫টি সরকারি ক্রয়কারি সংস্থার মধ্যে ১ হাজার ৩৪৩টি ই-জিপির আওতায় এসেছে। আর ই-জিপিতে নিবন্ধিত দরদাতার সংখ্যা ৭৪ হাজার ৩৯৫টি। ক্রয়কারি সংস্থা ও দরপত্রদাতা উভয় পক্ষই তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ই-জিপির সুফল পাচ্ছে। এর মাধ্যমে দরপত্র প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হওয়ার পাশাপাশি সময় ও অর্থের ব্যাপক সাশ্রয় হচ্ছে। উল্লেখ্য, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির প্রায় ৮০ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের ৪৫ শতাংশ অর্থ সরকারি ক্রয়ে ব্যয় হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়