শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ ◈ নতুন মোড় তনু হত্যা মামলায়, সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২০, ১১:২৯ দুপুর
আপডেট : ১৩ জুলাই, ২০২০, ১১:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাবার সঙ্গে খেলা শিশুর আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে : গবেষণা

লিহান লিমা: [২] ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগ এবং এলইজিও ফাউন্ডেশনের যৌথ গবেষণায় দেখানো হয়েছে, কিভাবে শূন্য থেকে তিন বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর সঙ্গে মা-বাবার খেলা পরবর্তীতে শিশুর বিকাশে প্রভাব ফেলে। ১৯৭৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইউরোপ ও আমেরিকায় চালানো ৭৮টি গবেষণা পর্যালোচনা করে এই গবেষণা তৈরি করা হয়। দ্য গার্র্ডিয়ান।

[৩] গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাবারা তাদের সন্তানের সঙ্গে সুড়সুড়ি, লুকোচুরি, দৌড়াদৌড়ি ও সন্তানদের পিঠে বা কাঁধে চড়িয়ে খেলতে পছন্দ করেন। গবেষকরা বলেন, এই শিশুদের অবাধ চঞ্চলতা, আবেগ বা আচরণগত সমস্যা কম থাকে। তারা নিজেদের রাগ ও ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

[৪] কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও বিকাশ বিষয়ক অধ্যাপক এবং গবেষণার সহ-লেখক পল রামচন্দ্রানি বলেন, শারীরিক কসরতজনিত খেলাধূলো আনন্দ দেয়, উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যা শিশুকে আত্ম-নির্ধারণ করতে শেখায়। খেলাধূলোর মাধ্যমে শিশু ভাব আদান-প্রদান করার চর্চা করে। তারা যদি ভুলভাবে কোনো কিছু প্রকাশ করে তবে সেটি ধরিয়ে দেয়া হলে দ্বিতীয়বার কিভাবে ভিন্নভাবে প্রকাশ করতে হবে তা তারা মনে রাখে। তিনি আরও বলেন, ‘যে শিশুরা শুধুমাত্র মায়ের সঙ্গে থাকেন তাদের বঞ্চিত ভাবার কোনো কারণ নেই। বাবা-মা যে কারো সঙ্গেই শৈশবে খেলাধুলোর মুহুর্তে পরবর্তী জীবনে শিশুদের আচরণ ও সামাজিক অনুভূতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

[৫] এলইজিও ফাউন্ডেশনের ফেলো লেখক ডক্টর ক্লায়রা লাভার্টি বলেন, শৈশবে শিশুর সঙ্গে খেলা-ধূলো করার জন্য বাবা-মাকে সময় বের করতে হবে। এখন অনেক বাবাকেই দেখা যায়, হ্যাং-আউটের সময় তারা সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে অন্য বাবারাও তাদের সন্তানদের নিয়ে আসছেন। একটি সাংস্কৃতিক পরিবর্তন হচ্ছে, কিন্তু এটি আরো বেশি হওয়া প্রয়োজন। সম্পাদনা: ইকবাল খান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়