শিরোনাম
◈ সুন্দরবনের পশুর নদীতে ১২৫০ টন কয়লাবোঝাই জাহাজডুবি, ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য ◈ পর্যটকদের জন্য সুখবর, সেন্টমার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ চাকরির ফাঁদে বাংলাদেশিদের রাশিয়ার যুদ্ধে পাঠানোর প্রমাণ পেল জাতিসংঘ ◈ বিদ্যুৎ বিভ্রাট কাটিয়ে সচল জাতীয় গ্রিড, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ◈ রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের ◈ হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের, ইরানের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান, ৫ বছরে ২ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ◈ চীনকে মোকাবিলায় মেগা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের, যে কারণে প্রতিবাদ করছে অরুণাচলের তরুণ প্রজন্ম ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ◈ নতুন বেতনকাঠামো: ১ নভেম্বর বকেয়াসহ বেতন পাবেন যারা, বঞ্চিত হবেন অনেকেই

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২০, ১১:২৯ দুপুর
আপডেট : ১৩ জুলাই, ২০২০, ১১:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাবার সঙ্গে খেলা শিশুর আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে : গবেষণা

লিহান লিমা: [২] ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগ এবং এলইজিও ফাউন্ডেশনের যৌথ গবেষণায় দেখানো হয়েছে, কিভাবে শূন্য থেকে তিন বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর সঙ্গে মা-বাবার খেলা পরবর্তীতে শিশুর বিকাশে প্রভাব ফেলে। ১৯৭৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইউরোপ ও আমেরিকায় চালানো ৭৮টি গবেষণা পর্যালোচনা করে এই গবেষণা তৈরি করা হয়। দ্য গার্র্ডিয়ান।

[৩] গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাবারা তাদের সন্তানের সঙ্গে সুড়সুড়ি, লুকোচুরি, দৌড়াদৌড়ি ও সন্তানদের পিঠে বা কাঁধে চড়িয়ে খেলতে পছন্দ করেন। গবেষকরা বলেন, এই শিশুদের অবাধ চঞ্চলতা, আবেগ বা আচরণগত সমস্যা কম থাকে। তারা নিজেদের রাগ ও ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

[৪] কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও বিকাশ বিষয়ক অধ্যাপক এবং গবেষণার সহ-লেখক পল রামচন্দ্রানি বলেন, শারীরিক কসরতজনিত খেলাধূলো আনন্দ দেয়, উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যা শিশুকে আত্ম-নির্ধারণ করতে শেখায়। খেলাধূলোর মাধ্যমে শিশু ভাব আদান-প্রদান করার চর্চা করে। তারা যদি ভুলভাবে কোনো কিছু প্রকাশ করে তবে সেটি ধরিয়ে দেয়া হলে দ্বিতীয়বার কিভাবে ভিন্নভাবে প্রকাশ করতে হবে তা তারা মনে রাখে। তিনি আরও বলেন, ‘যে শিশুরা শুধুমাত্র মায়ের সঙ্গে থাকেন তাদের বঞ্চিত ভাবার কোনো কারণ নেই। বাবা-মা যে কারো সঙ্গেই শৈশবে খেলাধুলোর মুহুর্তে পরবর্তী জীবনে শিশুদের আচরণ ও সামাজিক অনুভূতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

[৫] এলইজিও ফাউন্ডেশনের ফেলো লেখক ডক্টর ক্লায়রা লাভার্টি বলেন, শৈশবে শিশুর সঙ্গে খেলা-ধূলো করার জন্য বাবা-মাকে সময় বের করতে হবে। এখন অনেক বাবাকেই দেখা যায়, হ্যাং-আউটের সময় তারা সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে অন্য বাবারাও তাদের সন্তানদের নিয়ে আসছেন। একটি সাংস্কৃতিক পরিবর্তন হচ্ছে, কিন্তু এটি আরো বেশি হওয়া প্রয়োজন। সম্পাদনা: ইকবাল খান

  • সর্বশেষ