শিরোনাম
◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ? ◈ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি ◈ ভারত থেকে সার্ভারে প্রবেশের অভিযোগ, ডিজিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০৫:২৯ সকাল
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০৫:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঢাকা ছাড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, ফাঁকা হচ্ছে টিনশেড বাড়ি

মিনহাজুল আবেদীন : [২] মিরপুর পাইকপাড়ার সরকারি কোয়ার্টার ও আবাসিক এলাকায় সবজির ব্যবসা করতেন মধ্যবয়সী শামসুল মিয়া। ভাড়ায় থাকতেন পীরেরবাগের একটি টিনশেড বাড়িতে। মানিকগঞ্জ ও সাভার থেকে নিজের ভ্যানেই টাটকা সবজি কিনে বিক্রি করতেন। ভালো বিক্রিও হতো। কিন্তু কোভিডে কড়াকড়ি, হয়রানি আর সংক্রমণের ভীতিতে ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে তার ব্যবস্যা। সেজন্য টিনশেড ঘর ছেড়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ফিরে গেছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার গ্রামের বাড়িতে। জাগোনিউজ

[৩] কোভিডের কারণে এমন লাখো নিন্ম আয়ের মানুষ পড়েছেন বিপাকে। তাদের অনেকে ঢাকা ছেড়ে ফিরে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে। আবার অনেকে স্ত্রী-সন্তানদের বাড়িতে পাঠিয়ে রোজগারের জন্য বাধ্য হয়ে থেকে যাচ্ছেন রাজধানীতে। প্রথম আলো

[৪] এদিকে রাজধানীর মিরপুর, ষাট ফিট, পাইকপাড়া এলাকা দেখা যায়, বহুতল ভবন থেকে টিনশেড—প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই ঝুলছে বাসা ভাড়া দেয়ার ‘টু-লেট’ বিজ্ঞাপন। বর্ণিকবার্তা

[৫] পাইকপাড়া এলাকার টিনশেড বাড়ির মালিক আবুল কালাম বলেন, ‘এমন দিন ছিল, ভাড়াটিয়া কখনও যাইত না। অহন ওই চারডা ঘরের ভাড়াটিয়া পাইতাছি না।’

[৬] ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহরানে সুলতান বাহার বলেন, ‘যারা শ্রমজীবী, দিনে কাজ করলে দিনের খাবার জুটত, তাদের অবস্থা করুণ। না বাড়ি যেতে পারছে, না ঢাকায় থাকতে পারছে।’

[৭] বিশ্লেষকরা বলছেন, ভাড়া বাড়ি ছেড়ে সপরিবার গ্রামে চলে যাওয়া কিংবা পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে মেসে থাকা অনেকের জন্য সুবিধাজনক। এ জন্য এ ধরনের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। কালের কণ্ঠ

  • সর্বশেষ