শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০৫:২৯ সকাল
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০৫:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঢাকা ছাড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, ফাঁকা হচ্ছে টিনশেড বাড়ি

মিনহাজুল আবেদীন : [২] মিরপুর পাইকপাড়ার সরকারি কোয়ার্টার ও আবাসিক এলাকায় সবজির ব্যবসা করতেন মধ্যবয়সী শামসুল মিয়া। ভাড়ায় থাকতেন পীরেরবাগের একটি টিনশেড বাড়িতে। মানিকগঞ্জ ও সাভার থেকে নিজের ভ্যানেই টাটকা সবজি কিনে বিক্রি করতেন। ভালো বিক্রিও হতো। কিন্তু কোভিডে কড়াকড়ি, হয়রানি আর সংক্রমণের ভীতিতে ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে তার ব্যবস্যা। সেজন্য টিনশেড ঘর ছেড়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ফিরে গেছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার গ্রামের বাড়িতে। জাগোনিউজ

[৩] কোভিডের কারণে এমন লাখো নিন্ম আয়ের মানুষ পড়েছেন বিপাকে। তাদের অনেকে ঢাকা ছেড়ে ফিরে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে। আবার অনেকে স্ত্রী-সন্তানদের বাড়িতে পাঠিয়ে রোজগারের জন্য বাধ্য হয়ে থেকে যাচ্ছেন রাজধানীতে। প্রথম আলো

[৪] এদিকে রাজধানীর মিরপুর, ষাট ফিট, পাইকপাড়া এলাকা দেখা যায়, বহুতল ভবন থেকে টিনশেড—প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই ঝুলছে বাসা ভাড়া দেয়ার ‘টু-লেট’ বিজ্ঞাপন। বর্ণিকবার্তা

[৫] পাইকপাড়া এলাকার টিনশেড বাড়ির মালিক আবুল কালাম বলেন, ‘এমন দিন ছিল, ভাড়াটিয়া কখনও যাইত না। অহন ওই চারডা ঘরের ভাড়াটিয়া পাইতাছি না।’

[৬] ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহরানে সুলতান বাহার বলেন, ‘যারা শ্রমজীবী, দিনে কাজ করলে দিনের খাবার জুটত, তাদের অবস্থা করুণ। না বাড়ি যেতে পারছে, না ঢাকায় থাকতে পারছে।’

[৭] বিশ্লেষকরা বলছেন, ভাড়া বাড়ি ছেড়ে সপরিবার গ্রামে চলে যাওয়া কিংবা পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে মেসে থাকা অনেকের জন্য সুবিধাজনক। এ জন্য এ ধরনের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। কালের কণ্ঠ

  • সর্বশেষ