শিরোনাম
◈ গঙ্গার পানি নিয়ে নতুন সমঝোতা, বড় পরীক্ষার মুখে ঢাকা-দিল্লি ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, জোরদার চেকপোস্ট-তল্লাশি ◈ প্রধানমন্ত্রী চাইলে যেকোনো সময় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন করতে পারেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ◈ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াটাও কঠিন হয়ে যাবে একদিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ, অক্ষত ৩৩ হাজার টন ডিজেল ◈ তারেক রহমানের ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি প্রায় নিশ্চিত ◈ একদিন পর জাতীয় গ্রিডে আবারও সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু ◈ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

প্রকাশিত : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:৩৫ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:৩৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর রামদিয়া-সীতারামপুর সরকারী খালপাড়ে অবৈধ স্থাপনা

আসাদুজ্জামান বাবুল : [২] গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর রামদিয়া- সীতারামপুর সরকারী খাল পাড়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে নানানপ্রকার স্থাপনা।স্থানীয় প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে রাতে দিনে খাল পাড়ে গড়ে ওঠা বসতবাড়ী, মৎস্য- ঘের, পুকুর, বাঁধ, বসতবাড়ি, রাস্তা ও পোল্টি-ফার্মসহ সব ধরনের স্থাপনা উচ্ছেদে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। দখলকারীদের এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়ে নিজ নিজ দায়িত্বে স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে কাশিয়ানী উপজেলা প্রশাসন।

[৩] আজ শনিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুল ইসলাম আমাদের এ প্রতিনিধিকে বলেছেন. বেথুড়ি গ্রামে অবস্থীত সরকারী খাল পাড়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রশাসনের চোঁখকে ফাঁকি দিয়ে রাতে এবং দিনে মৎস্য- ঘের, পুকুর, বাঁধ, বসতবাড়ি, পোল্টি-ফার্মসহ নানান প্রকার স্থাপনা গড়ে তুলেছেন।

[৪] সংশ্লিস্ট ব্যাক্তিদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নিজ নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।বেধে দেয়া সময়সীমার মধ্যে স্থাপনাগুলো সরিয়ে না নেয়া হলে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনসহ সরকারী খাল দখলমুক্ত করা হবে।

[৫] উপজেলা প্রশাসন আরো বলেন.সরকারী খাল পাড়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনার কারনে খালটিতে পানি প্রবাহসহ নানান ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। আর এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষক।

[৬] অন্যদিকে এলাকাবাসী বলেছেন, খালটি দখলমুক্ত হলে এলাকার উৎপাদিত ফসল নৌ-পথে পরিবহনে সহজলভ্য হবে। বোরো মৌসুমে চাষীরা অত্যন্ত সহজে জমিতে সেচ দিতে পারবে। এছাড়াও দেশীয় প্রজাতির মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়