শিরোনাম
◈ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ ◈ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন শেষে আগের কর্মস্থলে ফিরলেন আসিফ নজরুল ◈ ১২০২টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন ◈ চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ‘সেটলিং বাণিজ্য’ ও দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা ‘মিথ্যা’ দাবি তাজুল ইসলামের ◈ যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ শতাংশ মানুষ ডোনাল্ড ট্রাম্পের পদত্যাগ চান ◈ কবে থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে, জানাগেল তারিখ ◈ চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব: ডিসিসিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন ◈ মেয়াদ যেখানে শেষ হবে সেখানে আগে সিটি নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল ◈ রা‌তে টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে ইংল্যান্ডের বিরু‌দ্ধে লড়াই‌য়ে নাম‌বে পাকিস্তান ◈ প্রায় ২ কোটি টাকা ক্ষতির পর বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে শিলিগুড়ির হোটেল ব্যবসায়ীরা!

প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২০, ১১:০২ দুপুর
আপডেট : ০১ জুলাই, ২০২০, ১১:০২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সখীপুরে গণহত্যা দিবস পালন, শহীদ ১৮ জনের নাম নেই মুক্তিযোদ্ধা তালিকায়

সাইফুল সানি, টাঙ্গাইলের: [২] প্রতি বছর ১ জুলাই, সখীপুরে কালিয়ান গণহত্যা দিবস পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের এইদিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালিয়ান গ্রামে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১৮ জন বাঙালিকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এছাড়া আরো সাতজনের ওপর নির্মম নির্যাতন চালায়। শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সরকার ২০১৯ সালে ওই স্থানে একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করেছে। কিন্তু দীর্ঘ ৪৯ বছর পেরিয়ে গেলেও গণহত্যার শিকার ওই ১৮জন এবং নির্যাতনের শিকার সাতজনের কেউ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি।

[৩] দিবসটি উপলক্ষে বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমাউল হুসনা লিজা স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান, দেওয়ান হাবিবুর রহমান, সাবেক সিভিল সার্জন ডাক্তার আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাবেক সিভিল সার্জন আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা গর্বিত যে আমাদের গ্রামের ১৮ জন বীর সন্তান স্বাধীনতার জন্য তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় ওই ১৮ জনের কেউই এখনও পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি।

[৪] উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমাউল হুসনা লিজা বলেন, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আলোচনা করে ১৮ জনের নাম শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১ জুলাই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী উপজেলার কালিয়ান গ্রামে অতর্কিত হামলা করে ১৮ জন বাঙালিকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এরা হলেন, মুন্সী রমেজ উদ্দীন, জোনাব আলী সরকার, হাবিবুর রহমান মুন্সী, আবদুল খালেক, বেলায়েত হোসেন, ছানোয়ার হোসেন, লাল মামুদ মিয়া, বাচ্চু মিয়া, ইয়াছিন আলী, মো: ছন্টু মিয়া, কাজী দুলাল হোসেন, আবদুল হাই শিকদার, জবেদ আলী শিকদার, ইসমাইল হোসেন, আরজু মিয়া, হৃদয় চন্দ্র সরকার, আবদুস ছালাম ও আবদুল জলিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়