শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি ◈ হাদি হত্যাকাণ্ড: পরিকল্পনা থেকে দেশত্যাগ, তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পাঁচ কর্মকর্তা ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ চিনিতে লোকসান গুনেও অ্যালকোহলে ১৬৫ কোটি টাকা মুনাফা কেরুর ◈ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ দুই বছর পর খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কম খরচে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর নতুন উদ্যোগ ◈ ব্রাজিল ফুটবল দল বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে খেলতে চায়

প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২০, ১১:২৪ দুপুর
আপডেট : ০১ জুলাই, ২০২০, ১১:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কম বয়সে বিয়ের প্রবণতা বাড়ছে পুরুষের

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] কম বয়সে বিয়ের প্রবণতা বাড়ছে পুরুষের। তবে কমছে নারীর। পুরুষদের বিয়ের গড় বয়স ২০১৫ সালে ছিল ২৫ দশমিক ৩ বছর। সেটি কমে ২০১৯ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক দুই বছরে। ফলে সময় যত বাড়ছে ততই কম বয়সে বিয়ের প্রতি ঝুঁকছেন পুরুষরা। ২০১৫ সালে নারীদের বিয়ের বয়স ছিল ১৮ দশমিক চার বছর। সেটি কিছুটা বেড়ে ২০১৯ সালে দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক পাঁচ বছরে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আগাঁরগাওয়ে পরিসংখ্যান ভবন অডিটরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

[৩] ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিবিএস’র উপ-মহাপরিচালক ঘোষ সুব্রত। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক একেএম আশরাফুল হক।

[৪] প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১৯ সালে পরিবারের আলোর উৎস হিসেবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে ৯৩ দশমিক পাঁচ শতাংশ পরিবার, যেটি ২০১৫ সালে ছিল ৭৭ দশমিক নয় শতাংশ। স্যানিটারি পায়খানা ব্যবহার করে ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার, যেটি ২০১৫ সালে ছিল ৭৩ দশমিক পাঁচ শতাংশ। খানা প্রধানের ক্ষেত্রে পুরুষ ৮৫ দশমিক চার শতাংশ ও নারী ১৪ দশমিক ছয় শতাংশ। যেটি ২০১৫ সালের তুলনায় নারীদের ক্ষেত্রে বেড়েছে। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে কমেছে। ট্যাপ বা নলকূপের পানি ব্যবহার করছে ৯৮ দশমিক এক শতাংশ পরিবার, যেটি ২০১৫ সালে ছিল ৯৭ দশমিক নয় শতাংশ। বর্তমানে দেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে মুসলিম হচ্ছে- ৮৮ দশমিক চার শতাংশ, যেটি ২০১৫ সালে ছিল ৮৮ দশমিক দুই শতাংশ। হিন্দুসহ অন্য ধর্মের জনসংখ্যা ১১ দশমিক ছয় শতাংশ, যা ২০১৫ সালে ছিল ১১ দশমিক আট শতাংশ।বাংলানিউজ, প্রিয়ডটকম

  • সর্বশেষ