প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] যশোরে এক সাংবাদিক পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশি তদন্ত

অপূর্ব চৌধুরী, জবি প্রতিনিধি : [২]যশোরের চৌগাছায় দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রতিনিধি রকি আহমেদের পরিবারের উপর দুই বার হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ওই সাংবাদিকের বাবা গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলার ঘটনায় চৌগাছা থানায় করা সাধারণ ডায়েরী অনুসারে প্রাথমিক তদন্ত করেছে পুলিশ।

[৩] জানা যায়, এর আগে বুধবার (২৪ জুন) চৌগাছা থানার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামে আব্দুর রশিদের (শিক্ষার্থীর বাবা) নতুন রোপন করা ধান ক্ষেত একই গ্রামের আমিনুর রহমানের (৪০) গরু দ্বারা বিনষ্ট হয়। এ নিয়ে আমিনুরের ছেলে রিয়াদের (১৭) সাথে তর্ক বিতর্ক হয়। তর্কের এক পর্যায়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে রশিদকে উপুর্যুপরি কিল ঘুষি মারতে থাকে রিয়াদ। পরবর্তীতে রশিদের আহাজারি শুনে কয়েকজন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে।

[৪] এ সময় প্রত্যক্ষদর্শী আবু কালাম ও সবুজ বলেন, ছোট ঘটনা নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক হয়। এক পর্যায়ে রিয়াদ রশিদকে মারতে থাকে। পরে রশিদের আহাজারি শুনে আমরা উদ্ধার করতে যায়।

[৫] এ ঘটনায় রিয়াদের বাবা আমিনুরকে গ্রামের সালিশে আসতে বললে তিনি বলেন, আমার ছেলে কারো গায়ে হাত দেয় নি। আমি গ্রামের কোন মানুষের ধার ধারি না। কে কি করতে পারে দেখে নিব। এসময় লাঠিসোটা নিয়ে আমিনুরসহ তার ভাই শাহিনুর, ভাই জামীর, ছেলে রিয়াদ ও ভাতিজা সোহাগকে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিতে দেখা যায়।রাতে গ্রামের সালিশে অভিযুক্ত হামলাকারীরা না আসলে গ্রামের লোকজন তাদের নিন্দা করে এবং ঘটনা এখানেই শেষ হবে বলে সবাই মনে করে।

[৬] কিন্তু এর পরেরদিন (২৫ জুন) অনুমান সকাল ১০:৩০ টায় রশিদকে পুনরায় হামলা করে আমিনুর, শাহিনুর, জামীর (ভোলা), রিয়াদ ও সোহাগ। লাঠি দিয়ে পেটাতে পেটাতে শাহিনুর বলে আমার ভাতিজার গায়ে হাত দিয়েছিস, তোর কে আছে দেখে নিব। এসময় উপস্থিত একই গ্রামের পেন্টু ও আলম হামলার সময় তাকে উদ্ধার করে।

[৭] প্রত্যক্ষদর্শী পেন্টু ও আলম বলেন, রশিদ গ্রামের নিরীহ মানুষ। সবাই জানে সে কারো সাথে ঝামেলা করে না। আমি দেখলাম তারা রশিদকে লাঠি দিয়ে মারছে। পেন্টু আরো বলেন, আমি রশিদকে উদ্ধার করতে গেলে লাঠির আঘাত আমার শরীরেও লাগে।

[৮] বাবার উপর হামলায় জবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক রকি আহমেদ বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার বাবার উপর হামলা করা হয়। আমরা থানায় জিডি করার পর পুলিশ তদন্ত করেছে। গ্রামের মানুষ সবাই হামলার সত্য ঘটনা পুলিশকে জানিয়েছে। আমি আইনের মাধ্যমে এর বিচার চাই।

[৯] চৌগাছা থানার ওসি রিফাত রাজিব বলেন, হামলার ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি।তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত