শিরোনাম
◈ সুন্দরবনের পশুর নদীতে ১২৫০ টন কয়লাবোঝাই জাহাজডুবি, ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য ◈ পর্যটকদের জন্য সুখবর, সেন্টমার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ চাকরির ফাঁদে বাংলাদেশিদের রাশিয়ার যুদ্ধে পাঠানোর প্রমাণ পেল জাতিসংঘ ◈ বিদ্যুৎ বিভ্রাট কাটিয়ে সচল জাতীয় গ্রিড, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ◈ রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের ◈ হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের, ইরানের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান, ৫ বছরে ২ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ◈ চীনকে মোকাবিলায় মেগা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের, যে কারণে প্রতিবাদ করছে অরুণাচলের তরুণ প্রজন্ম ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ◈ নতুন বেতনকাঠামো: ১ নভেম্বর বকেয়াসহ বেতন পাবেন যারা, বঞ্চিত হবেন অনেকেই

প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২০, ১০:৩১ দুপুর
আপডেট : ২২ জুন, ২০২০, ১০:৩১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহিউদ্দিন আহমদ : মুক্তিযুদ্ধের খেতাব

মহিউদ্দিন আহমদ : একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য অনেকেই খেতাব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা অনেকেই সত্যিকারের বীর, নমস্য। যে মুক্তিযোদ্ধারা খেতাব পাননি বা অপেক্ষাকৃত নিচু মানের খেতাব পেয়েছেন, তাঁরা বীর হিসেবে ছোট, এটা মনে করার কারণ নেই। এখানে ব্যাক্তিগত ও গোষ্ঠিগত পছন্দ- অপছন্দ এবং রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করেছে। 'ক্ষমতাসীন' সেক্টর কমান্ডাররা অনেকেই নিজেদের জন্য বীর উত্তম খেতাব বরাদ্দ রেখেছিলেন। বীর উত্তমদের কেউ কেউ যুদ্ধের নয় মাসে নিজ হাতে একটি গুলিও ছুড়েননি। তিনজন কমান্ডার তখন সেক্টরের কমান্ডে ছিলেন না। তাদের খেতাব দেওয়া হয়নি। এরা হলেন, মোঃ আবদুল জলিল, আবু উসমান চৌধুরী এবং নাজমুল হক। নাজমুল হক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তাঁকে সবাই ভুলে গেছে। আবু উসমানকে ১৯৯৬ সালের পর সম্ভবত বীর উত্তম পদক দেওয়া হয়েছে। পদক নিয়ে যে 'স্বেছাচারিতা' হয়েছে, এ বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন শাফায়াত জামিল। তাঁর মতে অনেকেই 'খয়রাতি' বীর উত্তম খেতাব পেয়েছিলেন। আমার 'বিএনপি: সময়-অসময়' বইয়ে তাঁকে এ বিষয়ে কোট করেছি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ