প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ড. শোয়েব সাঈদ : কোভিড গ্রাজুয়েট

ড. শোয়েব সাঈদ : আমাদের ছাত্রত্বে পাঠ করতে হয়েছে মানব ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টসমুহ; যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, মহামারি সহ মানবতার নানান বিপর্যয়। মানব সভ্যতার অনেকগুলো ইভেন্ট আবার চলচ্চিত্র বা উপন্যাসের মাধ্যমে আমাদের মননে গভীর রেখাপাত করে রেখেছে। একবিংশ শতাব্দীর এই মুহূর্তে আমাদের প্রজন্ম চলচ্চিত্র নয়, কঠিন এক বাস্তবতায় প্রত্যক্ষ করছে আণুবীক্ষণিক অনুজীবের প্রলয় নাচন; মহামারির প্রভাবে প্রবল চাপে স্বাস্থ্যখাত, জীবনযাত্রার মানে আর বলয়ে ব্যাপক সংকোচন, অর্থনীতির পতনে বিপর্যস্ত মানব সভ্যতা। বর্তমান প্রজন্মের জীবৎকালে কোভিড-১৯ নজিরবিহীন এক ইভেন্ট। ভয়, আতঙ্ক, স্বাস্থ্য বনাম অর্থনীতির অগ্রাধিকারে টানাপোড়েন, মৃত্যুর মিছিল দেখতে দেখতে ক্লান্ত আমরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সব জানছি, প্রতিদিনই চেনামুখের শোক সংবাদ সংকোচিত করছে আমাদের, অবচেতন মনেই বিষণ্ণতার বিষের আস্তরণটি পুরো হচ্ছে ক্রমশ।

মানুষের জীবনে নানান পালা বদলে নানা রকম ঘটনার সমাহার। জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে বাদেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আমাদের জীবনের বিভিন্ন টার্নিং পয়েন্টে গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। শিক্ষাজীবন তেমনি মানব সভ্যতায় মানবজীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শিক্ষা জীবনের স্তরগুলো পার হতে হতে আমরা পরিপূর্ণতার দিকে এগিয়ে যাই সমাজ, সভ্যতা, রাষ্ট্র আর মানব কল্যাণে নিজেকে প্রস্তুত করার জন্যে। পঞ্চম শ্রেনীর বৃত্তি, অষ্টম শ্রেনীর বৃত্তি, মেট্রিক, ইন্টারমেডিয়েট, ডিগ্রী/অনার্স স্তরগুলোর সাথে আমাদের পরিচয়টা পশ্চিমা বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থার চেয়ে একটু ভিন্ন ধাঁচের। পরীক্ষার ফলাফলটা আমাদের কাছে টিকে থাকার পরশমণি, ফলে অনুভূতিগুলো যতটা সেরেমোনিয়াল হবার কথা ছিল তারচেয়ে অনেক বেশী সিরিয়াস, তীব্র প্রতিযোগিতায় উৎসবের বিষয়টি গুরুত্বহীন হয়ে যায়। ফলে পশ্চিমা বিশ্বে প্রাথমিক, উচ্চ আর বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানের উৎসব আমেজ আমাদের দেশে অনুপস্থিত।বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে কনভোকেশন আমাদের দেশে প্রচলিত আছে তবে অনিয়মিত, অধিকাংশ ক্ষেত্রে কন্ট্রোলার সেকশন থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে আসা।

মানুষের মননে আর হৃদয়ে উৎসবের প্রতি ভালবাসার একটা বিষয় তো থাকেই। মাথায় ক্যাপ, গাউন আর সার্টিফিকেট পশ্চিমাদের গ্রাজুয়েশন উৎসবের প্রাণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েশন উৎসব সমাজের দায়িত্বশীল মানুষের সিম্বল। বলা হয়ে থাকে বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েশনের প্রভাব মানুষের জীবনে এতটাই ব্যাপক যে মানুষের তিনটি প্রধান হ্যাপিনেস রাসায়নিক ডোপামাইন, সেরোটোনিন, অক্সিটোসিন একসাথে নিঃসরিত হয়। জাপানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েশন হচ্ছে “সাকাইজিন” মানে সমাজের উৎপাদনশীল অংশের প্রবেশ পথ। গাকুসেই অর্থাৎ ছাত্র থেকে সাকাইজিনে উত্তরণ সামাজিক স্বীকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পশ্চিমা সংস্কৃতিতে এটি পরিবার, বন্ধুবান্ধব নিয়ে উৎসব আয়োজন, দাদা দাদি নানা নানিদের আশীর্বাদে সিক্ত হবার অপেক্ষার দিন। কোভিড সংকট বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি সমাপনী শিক্ষার্থীর এই আনন্দের নিদারুণ ছন্দপতনের কারণ। বাতিল হয়ে গেছে হাজার হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমাবর্তন সমাপনী উৎসব। স্কুল কলেজের চাইতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাতিল হওয়া সমাবর্তন উৎসব পশ্চিমাদের কাছে খুবই কষ্টকর। কোভিড সংকটে বিশ্বব্যাপী লাশের মিছিল, স্বজন হারানো, চাকুরী হারানো পরিবারগুলোর দুর্দশার বিপরীতে সমাবর্তন উৎসব বাতিল হওয়াটা হয়তো তুচ্ছ।

গ্রাজুয়েশন উৎসবের ভিন্নতা দেশে দেশে পরিলক্ষিত এবং এর ইতিহাস নিয়েও রয়েছে মতভেদ। ১৪৩২ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি প্রণয়নে স্নাতক শেষে আনুষ্ঠানিকতার কথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে অনেক আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় অক্সফোর্ড স্নাতক মন্ত্রীদের দ্বারা এবং অক্সফোর্ড সংস্কৃতির প্রভাবে গ্রাজুয়েশন উৎসব জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই উৎসব পরবর্তীতে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় সমাপনে সীমাবদ্ধ থাকেনি, প্রাইমারি স্কুল সমাপন উৎসব পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। উন্নত বিশ্বের বহু দেশেই ৯ থেক ১২ বছর স্কুলিং অর্থাৎ ক্লাস নাইন থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত বাধ্যতামূলক। উদাহরণ স্বরূপ জাপানে ক্লাস নাইন আর কানাডার অন্টারিওতে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত পড়াশুনা বাধ্যতামূলক। ফলে উন্নত দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি হাইস্কুল গ্রাজুয়েশন উৎসব খুবই জনপ্রিয়। শিক্ষার্থীরা মূলত তাকিয়ে থাকে সেই দিনটির জন্যে। আমাদের দেশে র‌্যাগ ডে’র প্রচলন থাকলেও সনদ প্রদানের সাথে এর সম্পর্ক থাকেনা, নিতান্তই আনন্দ উৎসব।

কোভিড সংকটে সামাজিক আর শারীরিক দূরত্বের আরোপিত অবস্থায় ২০২০ সালে ছাত্রত্বের সমাপনে যারা গ্রাজুয়েশন করছেন তাঁদেরকে আমরা বলতে পারি কোভিড গ্রাজুয়েট। কোভিড গ্রাজুয়েটরা তাঁদের প্রিয় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর সমাবর্তনের বদলে অনলাইন আনুষ্ঠানিকতায় গ্রাজুয়েটদের নাম ঘোষণা এবং পরবর্তীতে সার্টিফিকেট পৌঁছে দেওয়া বা নিয়ে আসার মাধ্যমে শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটাবে। কানাডায় প্রকৌশলীদের জন্যে সমাবর্তনের বাইরে আরেকটি আনুষ্ঠানিকতা থাকে, আংটি পরানো। এই আংটি পরানোর মাধ্যমে এদের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচয়ের শুরু। লোহার তৈরি এই আংটিটি কানেডিয়ান প্রকৌশলীদের পেশার প্রতি দায়িত্ব আর নৈতিকতার প্রতীক। এই কনসেপ্টের শুরু ১৯২২ সাল থেকে। কথিত আছে ১৯০৭ সালে কানাডার কুবেক প্রদেশে প্রকৌশলীদের দুর্বল পরিকল্পনা আর ডিজাইন ভুলে নির্মীয়মান সেতু ভেঙ্গে পড়ে। সেই সেতুর ব্যবহৃত লোহা থেকে আংটি বানানোর মিথ বেশী জনপ্রিয়। পেশার প্রতি সন্মান, আন্তরিকতার আর দায়িত্বশীলতার প্রতীক এই আংটি, এবছর আংটি প্রদান অনুষ্ঠান অনিশ্চিত হওয়ার অভিষিক্ত হতে যাওয়া ইঞ্জিনিয়ারদের মনটা বেশ খারাপ। চাকুরীতে চলে গেলে পরবর্তীতে অনুষ্ঠিতব্য এই আংটি পরার অনুষ্ঠানে ওদের আর থাকা হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রে আর কানাডায় এবছরের ডিজিটাল গ্রাজুয়েশনের নানা কসরত। শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অভিনন্দন জানানো, কিংবা দলবদ্ধভাবে গাড়ী দিয়ে ঘুরে ঘুরে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর নানা আয়োজন।

কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়, বৈশ্বিক পরিচয়ে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮২১ সালে রাজা চতুর্থ জর্জের রাজকীয় আদেশ বলে জেমস ম্যাকগিলের নামে কানাডার মন্ট্রিয়লে প্রতিষ্ঠিত হয় ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, পরবর্তীতে ১৮৮৫ সালে এটি রূপান্তরিত হয় ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য নিয়ে দাড়িয়ে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয় মন্ট্রিয়লের কেন্দ্রে মাউন্ট রয়্যাল (যা থেকে মন্ট্রিয়ল শব্দের উৎপত্তি) এর পাদদেশে অবস্থিত, যেটি এখন ডাউন টাউন বা মেইন ক্যাম্পাস নামে পরিচিত। আরেকটি ক্যাম্পাস শহরের পশ্চিম প্রান্তে মেইন ক্যাম্পাস থেকে ৩০ কিমি দূরে, ম্যাকডোনাল্ড ক্যাম্পাস। ম্যাকগিল তৈরি করেছে ১২ জন নোবেল লরিয়েট সহ অসংখ্য বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী। কানাডার বেশ কয়েকজন প্রধানমন্ত্রী ম্যাকগিল প্রোডাক্ট। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে এসোসিয়েশন অব আমেরিকান ইউনিভার্সিটিস এর দুটি সদস্য আছে, ম্যাকগিল আর টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়। ফেইস ভ্যালু, শিক্ষার মান আর তীব্র প্রতিযোগিতার জন্যে কানেডিয়ান সহ বিদেশী ছাত্রদের কাছে ম্যাকগিল স্বপ্ন জয় করা একটি বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী ছাত্রদের উপস্থিতি মোট ছাত্র সংখ্যার ৩০% এর উপরে। এবছর ম্যাকগিল কোভিড গ্রাজুয়েটদের জন্যে সমাবর্তন করছে দুভাবে; অনলাইনে ভারচ্যুয়াল গ্রাজুয়েশন জুনের ১৮ আর ১৯ তারিখে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষদের আর সশরীরে ২০২১ সালের স্প্রিং এ। চ্যান্সেলর মাইকেল মেইগেন, ভাইস চ্যান্সেলর সুজান ফরটিয়ার, কুবেকের প্রিমিয়ার ফ্রাসোয়া লগো, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো’র বক্তব্যে শুরু হয় ২০২০ সালের কনভোকেশন।

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কানেডিয়ান মাহমুদ ইন্তিসার আসাহী, বায়োরিসোর্স প্রকৌশলে এবছর ম্যাকগিল থেকে একজন কোভিড গ্রাজুয়েট। বাংলাদেশী কানেডিয়ানদের অভিবাসনের নানা গল্প, নানা রূপ; একেকজনের একেক রকম। আসাহীর গল্পটিও তার মত করে নিজস্ব; স্থান, আর ভাষা বদলের কাহিনী। আম্বিলিক্যাল বা বার্থ কর্ড নামের বামন পৈতের প্যাঁচে পৃথিবীর আলো দেখবার আগেই জীবন যায় যায়, স্রষ্টার ইচ্ছেতে বাংলাদেশের কিংবদন্তির চিকিৎসক টি এ চৌধুরীর তাৎক্ষনিক সিজারিয়ানে শেষ রক্ষা আসাহীর। বছরখানেক পর জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত পিতার কাছে জাপানে। সেন্ট্রাল আল্পস আর নর্থ আল্পস ঘেরা জাপানের নাগানো প্রিফেকচারের ইনা শহর আর কিয়ুশু দ্বীপের ওইতা প্রিফেকচারের সাইকি সিটিতে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু। পিতার কর্পোরেট চাকুরীর সুবাদে স্থান বদলে টোকিওতে। তারপর আবারও স্থানান্তর, এবার শুধু জায়গা বদল নয়, পুরোপুরি দেশ বদল। ইংরেজি ভাষার টরেন্টোতে। অতিপ্রিয় জাপান কেবলই পিছু ডাকে। তৃতীয় বিশ্বের অভিবাসীদের যোগ্যতমের উদ্বর্তনের (survival of the fittest) পথেই যে হাঁটতে হয়। প্রবল প্রতিযোগিতায় জায়গা হয়ে গেল টরেন্টোর এলিট প্রোগ্রাম টপসে (Talented Offerings for Programs in the Sciences)| । পড়াশুনার পাশাপাশি টরেন্টোর জাপানি স্কুলে প্রতি শনিবার জাপানি ভাষা শিক্ষা দেওয়া আর নেওয়া। আবারও জায়গা বদল, ফ্রেঞ্চ প্রাধান্যের মন্ট্রিয়লে, পড়াশুনা ব্যাকালরিয়েট প্রোগ্রামে । জাপানী-ইংরেজি-ফ্রেঞ্চের একের পর এক পরিবর্তিত পরিবেশে তালগোল পাকিয়ে যাওয়ার বিপদজনক অবস্থায় জায়গা করে নেবার নিরন্তর সংগ্রাম। হাইস্কুল শেষে শুরু হল প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় মন্ট্রিয়ালের প্রেসটিজিয়াস CEGEP/ কলেজ ম্যারিয়ানোপলিশে। মন্ট্রিয়লে হাইস্কুল ১১ বছরে, CEGEP দুবছরের অর্থাৎ ১৩ বছর স্কুলিং করে বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঈঊএঊচ এর পর ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োরিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ আর এই কোভিড সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েশন।

অসংখ্য কোভিড গ্রাজুয়েটদের পেশাগত জীবনের শুরুতে নানারকম অনিশ্চয়তার মধ্যে বাড়তি উপদ্রব কোভিড সৃষ্ট অনিশ্চয়তা। চাকুরী সন্ধান, এমপ্লয়ারদের সাথে যোগাযোগ, ইন্টারভিউ ইত্যাদি নানারকম বিষয়ে কোভিড সংকট বাড়িয়েছে জটিলতা। বছর খানেক আগেই আসাহীর চাকুরী ঠিক করা আছে একটি বহুজাতিক কর্পোরেটে টোকিওতে। সময়মত টোকিওতে পৌঁছানোর অনিশ্চয়তা এখন বড় ধরণের মানসিক চাপ। কোভিড গ্রাজুয়েটদের জন্যে এটি একটি ভীষণ চ্যালেঞ্জিং সময়, ক্যারিয়ারের টেকঅফটা অনেকটাই টার্বুল্যান্সের মধ্যে।

আরেকটি উদাহরণ; সুনান আহমেদ, বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্কিনী। জন্ম জাপানে, বেঁড়ে উঠা যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়। ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাবল মেজর অর্থনীতি আর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে গ্রাজুয়েট। এবার এমবিএ করল প্রেস্টিজিয়াস ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস এঞ্জেলেস (UCLA) থেকে। গ্রাজুয়েশন উৎসব হয়ে গেল অনলাইনে সুনানের নাম উচ্চারণের মাধ্যমে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়াই। দেশে দেশে কোভিড গ্রাজুয়েটদের হার্ডশীপ এই সুনান আর আসাহীর মতই, পদে পদে নানা অনিশ্চয়তা। আমাদের ভালবাসা এই কোভিড গ্রাজুয়েটদের প্রতি ন্যায়নিষ্ঠা, মানবিকতা আর প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ব ব্যবস্থায় নেতৃত্ব দেবার প্রত্যাশায়।

মূল লেখাটি বিডিনিউজ২৪ এ প্রকাশিত হয়েছে।
লেখকঃ কলামিস্ট এবং মাইক্রোবিয়াল বায়োটেক বিষয়ে মন্ট্রিয়লে বহুজাতিক কর্পোরেটে ডিরেক্টর পদে কর্মরত।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত