শিরোনাম
◈ বছরে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়, ঈদের আগে দুই জেলায় মিলবে ফ্যামিলি কার্ড ◈ জাতীয় পার্টি দাবি করেছে, দলটিকে পরিকল্পিতভাবে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে ◈ টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপ, ইংল‌্যা‌ন্ডের কা‌ছে ৫১ রা‌নে হার‌লো শ্রীলঙ্কা ◈ রাজধানীর কলাবাগানে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ ◈ হাসিনার ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক বা কারও ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান ◈ কারাগারে থেকেই আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের প্রার্থী ব্যারিস্টার সুমন ◈ জাপানমুখী কর্মসংস্থানে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার, আসছে ৭ দিনের কর্মপরিকল্পনা ◈ পে-স্কেলের দাবি: প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি, সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার দাবি ◈ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করার সিদ্ধান্ত ◈ আরও ৭১৩ জুলাইযোদ্ধার গেজেট প্রকাশ

প্রকাশিত : ২১ জুন, ২০২০, ১০:১৭ দুপুর
আপডেট : ২১ জুন, ২০২০, ১০:১৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভের ফলে ফর্সা হওয়ার ক্রিম বিক্রি বন্ধ করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন

দেবদুলাল মুন্না: [২] ত্বক ফর্সকারী ক্রিমের উৎপাদন বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক। এ তথ্য নিউইয়র্ক টাইমসের।

[৩] রিপোর্টে বলা হয়, জনসন অ্যান্ড জনসন কোম্পানির পক্ষ থেকে রোববার বলা হয়, তাদের কিছু পণ্যের নাম ও দাবি নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আলোচনা চলছে। তাদের কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে দাবি করা হয়, ত্বকের স্বাভাবিক রং থাকার বদলে তাদের ক্রিম ব্যবহার করে ত্বক উজ্জ্বল করা বা সাদা করা ভালো। তবে এটা বলা কোনোদিনই তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। স্বাস্থ্যবান ত্বকই সুন্দর ত্বক। তাই তারা এই পণ্য আর উৎপাদন করবো না।

[৪] জি নিউজ জানায়, জনসন অ্যান্ড জনসনই না ছাড়াও ইউনিলিভার, প্রোক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল, ল’রিয়েল'র মতো কোম্পানিগুলো বিশ্বে তথাকথিত ফর্সা হওয়ার ক্রিম বিক্রি করে। তবে তারা তাদের ডক্রম বিক্রির ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি। তবে ভারতে ফেয়ার এন্ড লাভলী বন্ধেরও দাবি উঠেছে।

[৫] বাজার গবেষণাকারী সংস্থা ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনাল জানায়, গত বছর বিশ্বে প্রায় ৬ হাজার ২৭৭ টন ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম বিক্রি হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়