শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যে গভীর সংকট, সমাধান খুঁজতে এক টেবিলে আরব-ইসলামী দেশগুলো ◈ স্বজনের টানে ঘরমুখো মানুষ, কোথাও যানজট কোথাও স্বস্তি ◈ ঈদ ছুটিতে রাজধানীতে অপরাধের ঝুঁকি, সতর্কতায় জোর পুলিশের ◈ জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা থেকে সরে এলো বিইআরসি ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অংশ নিয়ে সমঝোতা নাগালের মধ্যে ছিল বলে মনে করেছেন যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ◈ দক্ষিণ কোরিয়াকে হা‌রি‌য়ে নারী এশিয়ান কাপের ফাইনালে জাপান  ◈ মে‌হেদী হাসান মিরাজের পক্ষে রায় দিলো এমসিসি ◈ ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষতি হ্রাস ও দুর্ভোগ এড়াতে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ ইরান অভিযানে ১৬ মিলিয়ন ডলারের এক ডজনের বেশি রীপারের ড্রোন ধ্বংস, জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা ◈ শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবে সৌদি আরব

প্রকাশিত : ২১ জুন, ২০২০, ১০:১৭ দুপুর
আপডেট : ২১ জুন, ২০২০, ১০:১৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভের ফলে ফর্সা হওয়ার ক্রিম বিক্রি বন্ধ করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন

দেবদুলাল মুন্না: [২] ত্বক ফর্সকারী ক্রিমের উৎপাদন বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক। এ তথ্য নিউইয়র্ক টাইমসের।

[৩] রিপোর্টে বলা হয়, জনসন অ্যান্ড জনসন কোম্পানির পক্ষ থেকে রোববার বলা হয়, তাদের কিছু পণ্যের নাম ও দাবি নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আলোচনা চলছে। তাদের কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে দাবি করা হয়, ত্বকের স্বাভাবিক রং থাকার বদলে তাদের ক্রিম ব্যবহার করে ত্বক উজ্জ্বল করা বা সাদা করা ভালো। তবে এটা বলা কোনোদিনই তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। স্বাস্থ্যবান ত্বকই সুন্দর ত্বক। তাই তারা এই পণ্য আর উৎপাদন করবো না।

[৪] জি নিউজ জানায়, জনসন অ্যান্ড জনসনই না ছাড়াও ইউনিলিভার, প্রোক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল, ল’রিয়েল'র মতো কোম্পানিগুলো বিশ্বে তথাকথিত ফর্সা হওয়ার ক্রিম বিক্রি করে। তবে তারা তাদের ডক্রম বিক্রির ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি। তবে ভারতে ফেয়ার এন্ড লাভলী বন্ধেরও দাবি উঠেছে।

[৫] বাজার গবেষণাকারী সংস্থা ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনাল জানায়, গত বছর বিশ্বে প্রায় ৬ হাজার ২৭৭ টন ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম বিক্রি হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়