শিরোনাম
◈ তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান, ইসরায়েলজুড়ে বাজলো সাইরেন ◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২১ জুন, ২০২০, ১০:১৭ দুপুর
আপডেট : ২১ জুন, ২০২০, ১০:১৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভের ফলে ফর্সা হওয়ার ক্রিম বিক্রি বন্ধ করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন

দেবদুলাল মুন্না: [২] ত্বক ফর্সকারী ক্রিমের উৎপাদন বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক। এ তথ্য নিউইয়র্ক টাইমসের।

[৩] রিপোর্টে বলা হয়, জনসন অ্যান্ড জনসন কোম্পানির পক্ষ থেকে রোববার বলা হয়, তাদের কিছু পণ্যের নাম ও দাবি নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আলোচনা চলছে। তাদের কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে দাবি করা হয়, ত্বকের স্বাভাবিক রং থাকার বদলে তাদের ক্রিম ব্যবহার করে ত্বক উজ্জ্বল করা বা সাদা করা ভালো। তবে এটা বলা কোনোদিনই তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। স্বাস্থ্যবান ত্বকই সুন্দর ত্বক। তাই তারা এই পণ্য আর উৎপাদন করবো না।

[৪] জি নিউজ জানায়, জনসন অ্যান্ড জনসনই না ছাড়াও ইউনিলিভার, প্রোক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল, ল’রিয়েল'র মতো কোম্পানিগুলো বিশ্বে তথাকথিত ফর্সা হওয়ার ক্রিম বিক্রি করে। তবে তারা তাদের ডক্রম বিক্রির ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি। তবে ভারতে ফেয়ার এন্ড লাভলী বন্ধেরও দাবি উঠেছে।

[৫] বাজার গবেষণাকারী সংস্থা ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনাল জানায়, গত বছর বিশ্বে প্রায় ৬ হাজার ২৭৭ টন ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম বিক্রি হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়