শিরোনাম
◈ বিদেশে কর্মী পাঠানো কমেছে ৩৬ শতাংশ, বাড়ছে কর্মসংস্থানের সংকট ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে ৩১৭ রানে দিন শেষ বাংলাদেশের ◈ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী শহর সিঙ্গাপুর যে কারণে এখন সবচেয়ে দূষিত! ◈ আশুলিয়ায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, সাড়ে ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ◈ দত্তকের নামে ঢাকায় শিশু কেনাবেচার রমরমা বাণিজ্য, ছেলে ৩–৫ লাখ টাকায় বিক্রি ◈ স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: বিপদ জেনেও কেন ঘটনাস্থলে সিএনজি অটোরিকশা ফেলে যেতে হলো জানা গেল কারণ ◈ ট্রাম্পের পরা স্যুট বাংলাদেশে তৈরি, বিশ্ববাজারে পোশাকশিল্পের সাফল্য আলোচনায়! ◈ ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে বাধা দূর ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশের ◈ সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে রিয়াদের পাশে বাংলাদেশ ◈ নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসির সাবেক বিচারকের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত : ১২ জুন, ২০২০, ১২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১২ জুন, ২০২০, ১২:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] খুলনা বিভাগে হাজার ছাড়ালো কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা

শরীফা খাতুন, খুলনা প্রতিনিধি: [২] জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬২ জন জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ৩৭২ জন এবং বাকিরা চিকিৎসাধীন আছেন। ঈদের পর থেকে এই বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে।

[৩] বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

[৪] খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছে খুলনা জেলা জেলা ও সর্বনিম্নে রয়েছে মেহেরপুর জেলা। এ পর্যন্ত খুলনা জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৭২ জন, কুষ্টিয়ায় ১৭৮ জন, যশোরে ১৭৩ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১৩৪ জন, ঝিনাইদহে ৭০ জন, সাতক্ষীরায় ৫৮ জন, নড়াইলে ৫১ জন, বাগেরহাটে ৪৮ জন, মাগুরায় ৪৬ জন ও মেহেরপুরে ৩২ জন। আর মারা গেছে খুলনায় ৪ জন, বাগেরহাটে ২ জন, নড়াইলে ২ জন, মাগুরায় ২ জন, মেহেরপুরে ২ জন, যশোরে ১ জন ও চুয়াডাঙ্গায় ১ জন।

[৫] খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মানুষের করোনার পরীক্ষার জন্য তিনটি পিসিআর ল্যাব দায়িত্বে রয়েছে। এগুলো হলো, খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাব ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব। বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ১৯ মার্চ চুয়াডাঙ্গা জেলায়।

[৬] খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা বলেন, খুলনা বিভাগের প্রত্যেক জেলায় করোনায় মোকাবিলায় কমিটি গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের উপসর্গের মাত্রা বেশি না থাকলে তাদেরকে বাড়িতে চিকিৎসা করা হচ্ছে। আর উপসর্গ বেশি হলে হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। যারা সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরছেন তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

[৭] খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, ঈদের আগে ঢাকা থেকে অসংখ্য মানুষ খুলনা অঞ্চলে এসেছে। ঈদের সময় লোকজন মার্কেটে ঘুরেছে। শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখা এবং স্বাস্থ্য বিধি না মানার কারণে সংক্রমণ বেড়ে গেছে।

[৮] তিনি আরো বলেন, বিভাগের মধ্যে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর দিক থেকে খুলনা জেলা এখন শীর্ষ অবস্থানে। আক্রান্তের হার দ্রুত বাড়ায় নতুন হটস্পট হয়েছে খুলনা মহানগরী এলাকা। করোনা থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

--

  • সর্বশেষ