প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাউজানের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কিস্তি আদায় করছে এনজিও সংস্থার কর্মীরা

শাহাদাত হোসেন, রাউজান প্রতিনিধি : [২] সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে রাউজানের বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে গিয়ে এনজিও সংস্থার মাঠকর্মীরা কিস্তি আদায় করছেন। দিনমজুররা কিস্তির টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ঋণগ্রহীতাদের চাপ প্রয়োগ করছে কয়েকটি এনজিও সংস্থার মাঠকর্মীরা।

[৩] শনিবার (৬ জুন) সকালে রাউজান উপজেলার চিকদাইর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ঋণের কিস্তির টাকা আদায় করতে দেখে যায়,আশা ব্যাংক নামে এনজিও কর্মীদের।দীর্ঘদিন লকডাউন থাকায় কর্মহীন, দিনমজুর, শ্রমজীবী, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেলে আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু এদুর্যোগ এনজিও সংস্থার মাঠ কর্মীরা মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ঋণের কিস্তির টাক আদায়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন দিনমজুরদের। আবার অনেক এনজিও সংস্থা ফোনের মাধ্যমে ঋণের কিস্তি আদায়ের জন্য ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের চাপ দিয়েছে বলে অভিযোগ করে ঋণগ্রহিতারা।

[৪] দেশের সকল এনজিও সংস্থাকে আগামী ৩০জুন পর্যন্ত ঋণের কিস্তি আদায় না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। তবে কোনো ঋণগ্রহীতা স্বেচ্ছায় কিস্তির টাকা দিতে চাইলে তাদের কাছে থেকে কিস্তি আদায় করতে পারবে।

[৫] চিকদাইর করম আলী হাজীর বাড়ীর ঋণ গ্রহিতা দিনমজুর ভ্যান চালকের স্ত্রী শানু আক্তার অভিযোগ করে বলেন, এই দুর্যোগ সময়ে তার স্বামীর ইনকাম না থাকায় কিস্তি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেও এনজিও সংস্থার কর্মীরা বলেন এ সপ্তাহ দিতে না পারলে পরের সপ্তাহে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হবে।

[৬] এ ব্যাপারে নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি এনজিও সংস্থার কর্মকর্তা বলেন, ঋণগ্রহীতার কেউ স্বইচ্ছায় কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে চাইলে তাদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে কিস্তির টাকা। কোনো ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে জোর বা চাপ প্রয়োগ করে কিস্তির টাকা আদায় করা হচ্ছে না বলে দাবি করেন।

[৭] এবিষয়ে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কোনো এনজিও সংস্থা ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে জোর বা চাপ প্রয়োগ করে কিস্তির টাকা আদায় করতে পারবেনা। কেউ স্বইচ্ছায় কিস্তির টাকা দিতে চাইলে তা নিতে পারবে। সম্পাদনা : হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত