শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জন করবে কিনা, পাকিস্তান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী সপ্তাহে ◈ চার মাসে ডাকসুর ২২৫ উদ্যোগ, ২ বছরে কাটবে ঢাবির আবাসন সংকট: সাদিক কায়েম ◈ ‘হাজার বার জয় বাংলা স্লোগান দেব’ তারেক রহমানের মঞ্চে ছাত্রদল নেতা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০২০, ০৩:৫১ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২০, ০৩:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাস্তা, টান দিলেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

ডেস্ক রিপোর্ট : টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে একটি রাস্তা পাকাকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম না মেনে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় পাকা করণের চার দিন পরে হাতের টানেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

এ ছাড়া সড়কের দুইপাশের এজিংয়ে দুই ফুট করে মাটি ভরাট করার কথা থাকলে তাও দেওয়া হচ্ছে না বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের হিলড়া থেকে বহনতলী পর্যন্ত এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করণের টেন্ডার আহ্বান করা হয়। সরকার কনস্ট্রাকশন নামে স্থানীয় একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত হন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কার্পেটিংয়ের আগে কেরোসিন ও বিটুমিন মিশিয়ে রাস্তার উপর বেড নির্মাণ করার কথা থাকলেও, ঠিকাদার তা সুকৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বালু পরিষ্কার না করেই কার্পেটিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও বালুমাটির ওপর কেরোসিন ও বিটুমিন মিশিয়ে রাস্তার ওপর ফেলা হচ্ছে। এ ছাড়া ২৫ মিলি পরত কার্পেটিং করার কথা থাকলেও অধিকাংশ জায়গাতেই তা করা হচ্ছে না।ফলে কার্পেটিং করার চার দিন পরও হাতের টানেই তা উঠে যাচ্ছে। এতে সড়কের স্থায়ীত্ব নিয়ে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন। সড়কের হাড়ভাঙা এলাকাতেই নিম্নমানের কাজ বেশি করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

হাড়ভাঙা গ্রামের বাসিন্দা কুমুদিনী হাসপাতালের ইলেকট্রিশিয়ান ফেরদৌস আহমেদ, একই গ্রামের বাসিন্দা রুহান আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন রাস্তাটি পাকা হচ্ছে। কিন্ত ঠিকাদার নিয়ম না মেনে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে কাজ করায় রাস্তাটি কোনো কাজেই আসবে না।

তারা অভিযোগ করে বলেন, কাজের শুরুতে কাঁচা রাস্তায় নিম্নমানের ইটের খোয়া ও বালু ব্যবহারের পর এখন ধোয়ামোছা ছাড়াই কার্পেটিংয়ের কাজ করছেন ঠিকাদার। এ ছাড়া খুবই পাতলা করে কার্পেটিং করায় চার দিন গত হলেও হাতের টানেই কার্পেটিং উঠে আসছে।

এ বিষয়ে সরকার কনস্ট্রাকশনের মালিক জয়ন্ত সরকার নিয়ম না মানা ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে কিছু লোক তার কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।’

মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ‘রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বালু পরিষ্কার করেই কার্পেটিংয়ের করতে হবে। এ ছাড়া অন্য কোনো অনিয়ম হলে তাও খতিয়ে দেখা হবে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়