শিরোনাম
◈ দেড় লাখ মানু‌ষের দেশ কুরাসাও বিশ্বকাপ খেল‌ছ, জার্মা‌নির বিরু‌দ্ধে গোলও ক‌রে‌ছে ◈ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ এবার ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের যে সুখবর দিলেন ভারপ্রাপ্ত এমডি! ◈ লন্ডন থেকে যাত্রাপথে দুবাইয়ে এআই ফেস রিকগনিশনে ধরা পড়লেন বেনজীর! শনাক্তকরণ নিয়ে চাঞ্চল্য ◈ দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ◈ জামায়াতের দুই নারী সদস্যকে নিয়ে মন্তব্য করায় আবারও উত্তপ্ত সংসদ (ভিডিও) ◈ নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে সুন্দর সূচনা বাংলাদেশের ◈ বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের পাঁচ জেলায় নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ার সিদ্ধান্ত ◈ বিশ্বকা‌পে জাপা‌নের প্রথম ম‌্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিরু‌দ্ধে যে কো‌নো উপা‌য়ে জয় চান কোচ ◈ বিশ্বকা‌পে সেমিফাইনালের গ‌ণ্ডি পার হ‌তে চান মরক্কোর কোচ

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২০, ০২:৪৫ রাত
আপডেট : ০১ জুন, ২০২০, ০২:৪৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এ সময় শিশুর চোখে রোগ

ডা. মো. ছায়েদুল হক :  শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার পাশাপাশি শিশুর চোখের সুস্থতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিভিন্ন কারণেই শিশুর চোখে সমস্যা হতে পারে। জন্মগত ছানি, কর্নিয়ায় ঘা, চোখে আঘাত, চোখের প্রদাহ ছাড়াও চোখে অ্যালার্জি এবং চোখ দিয়ে পানি পড়া অন্যতম।

ছানি : জন্মের পর বা কিছুদিন পর এক বা উভয় চোখে সাদা আস্তর দেখা যাওয়া ছানিরোগের লক্ষণ। ডেলিভারির সময় চোখে আঘাতের কারণে, গর্ভকালীন মায়ের রুবেলা জ্বর, নানা ধরনের ওষুধ সেবন এবং বংশগত কারণে শিশুর চোখের ছানি পড়তে পারে। অপারেশনের মাধ্যমে ছানি অপসারণ এবং পরবর্তীকালে সময়মতো কৃত্রিম লেন্স প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা সম্ভব। তবে অপারেশনে বিলম্ব করলে শিশু চিরতরে দৃষ্টি হারাতে পারে।

দৃষ্টিশক্তিজনিত দৃষ্টিস্বল্পতা : ঘন ঘন চোখ নড়াচড়া করা, চোখ বেঁকে যাওয়া, বস্তু অনুসরণ না করতে পারা, ঘন ঘন চোখে হাত দেওয়া, কাছে গিয়ে টেলিভিশন দেখা, মাথাব্যথা করা ইত্যাদি দৃষ্টিস্বল্পতা লক্ষণ। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চশমা ব্যবহারের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

কর্নিয়ার ঘা : অপুষ্টিজনিত কারণে ভিটামিনের অভাবে দুই চোখে ঘা হতে পারে। ডেলিভারির সময় চোখে আঘাত এবং জন্মের পর যে কোনো সময় জীবাণু সংক্রমণে চোখে ঘা হতে পারে। চোখব্যথা, আলোয় খুলতে না পারা, লাল হওয়া, কালোমনিতে সাদা দাগ পড়া এ রোগের লক্ষণ। ডাক্তারের পরামর্শে এ রোগের চিকিৎসা সম্ভব।

চোখে অ্যালার্জি : ঘন ঘন চোখে হাত দেওয়া, চোখ কচলানো, চোখ লাল হওয়া এবং শুষ্ক মৌসুমে এ রোগ বেশি হয়। বছরে ২ থেকে ৩ বার চোখে অ্যালার্জি হতে পারে। ধুলাবালি, ধোঁয়া, খাবার এবং বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থে শরীর ও চোখে অ্যালার্জি হতে পারে।

চোখ দিয়ে পানি পড়া : জন্মগতভাবে চোখের পানি সরে যাওয়ায় নেত্রনালি বন্ধ থাকলে চোখের পানি উপচে পড়ে। এতে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে বন্ধ নালি আপনাতেই খুলে গেলে চোখের পানি পড়া অনেকাংশে কমে যায়। ডাক্তারের পরামর্শে চোখের কোণে মালিশ এবং চোখে ড্রপ ব্যবহারে এ রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব। সাধারণত শিশুরা অনেক কিছু বলে বোঝাতে পারে না। তাই সমস্যাগুলো ঠিকমতো ধরাও যায় না। এসব সমস্যা শেষ পর্যন্ত শিশুর অন্ধত্বের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই শিশুর দৃষ্টি অধিকার রক্ষায় সবার সচেতনতা প্রয়োজন।

লেখক : চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন প্রাক্তন সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল

চেম্বার : আইডিয়াল আই কেয়ার সেন্টার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়