শিরোনাম
◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার ◈ মাত্র ৮৫২ মিটার দূর দিয়ে গেল ভারতীয় স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ, রক্ষা পেল বাংলাদেশের স্যাটেলাইট ◈ প্রবাসীদের ব্যাংক হিসাব খোলায় নতুন সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছরের জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে, সই হলো কনসেশন চুক্তি ◈ মৌলভীবাজারে ওয়াজ মাহফিলে ৪ কমলা ৫০ হাজার টাকা, আধা কেজি খেজুর ১৫ হাজারে বিক্রি ◈ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতের মরদেহ উদ্ধার, পাশে পড়ে ছিল সিএনজি; মিলেছে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ◈ নাটোরে জার্মান পর্যটকের ব্যাগ নিয়ে উধাও সেই যুবককে দেখা গেল সিসিটিভি ফুটেজে (ভিডিও) ◈ জাতীয় ক্রীড়া প‌রিষ‌দের ক্রীড়া পরিচালকের বিরুদ্ধে সংগঠককে পেটানোর অভিযোগ, থানায় মামলা ◈ বাংলাদেশ-নেপালের মতো ভারতে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

প্রকাশিত : ২৫ মে, ২০২০, ০৪:৫৬ সকাল
আপডেট : ২৫ মে, ২০২০, ০৪:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভোলার উপকূলে নেই ঈদ আনন্দ

ভোলা প্রতিনিধি : [২]একদিকে করোনা ভাইরাস আর অন্যদিকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ভোলার উপকূলে দরিদ্র পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ। কর্মহীন পরিবার তাদের ছেলে-মেয়েদের কিনে দিনে দিতে পারেনি নতুন জামা-কাপড়। কেউ আবার নতুন করে ঘর তুলতে পারেনি। ঝড়ে বসতঘর, ফসল, পুকুরের মাছ হারিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা। সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা চললেও অনেক পরিবার এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তুলতে পারেনি নতুন ঘর।

[৩] বিশেষ করে মূল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপচর ও বাঁধে আশ্রিত ছিন্নমুল মানুষের যেন কষ্টের শেষ নেই। বিবর্ণ হয়ে গেছে তাদের ঈদ আনন্দ। জেলে ও দিনমজুর ছাড়াও মানতা এবং বেদে পরিবারেও চলছে অভাব-অনাটন।

[৪] ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউপি চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার বলেন, ঝড়ে সম্পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে শতাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ঈদ আনন্দ নেই। করোনা এবং ঝড় দুটোই ক্ষতিগ্রস্থ করেছে দরিদ্র মানুষদের। সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে তাদের মাঝে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। অনেক পরিবার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

[৫] চর কুকরী-মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, ঝড়ে চর পাতিলায় ২০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

[৬] এদিকে সরকারি হিসাবে, ঝড়ে জেলার ৩৩২টি ঘর সম্পূর্ণ ও ১৬০০ ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও রাস্তা-সড়ক ও বাঁধের ৩৪ কিলোমিটার এবং ৬ হাজার কৃষি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ