শিরোনাম
◈ সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলার সাহস থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল ◈ ভারতীয় পর্যটন ভিসায় রেকর্ড আবেদন, নতুন বার্তা হাইকমিশনের ◈ আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে: ম্যাচের আগে যে পরিসংখ্যানগুলো জানা জরুরি ◈ সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে এসে নিখোঁজ: সুখরঞ্জন বালী মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার ◈ বাংলাদেশি পর্যটকদের ঠকানো হবে না, ক্রেতাদের আস্থা ফেরাতে ন্যায্য দামের অঙ্গীকার কলকাতার ব্যবসায়ীদের! ◈ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা উৎপাদন শুরুর প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছে ◈ শুধু আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগ দিতে হবে: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ◈ গ্যাস সংকট, অর্ডার কমে যাওয়া ও লোকসানে শিল্পনগরী গাজীপুরে একের পর এক কারখানা বন্ধ, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবন ◈ বিশ্বকা‌পে আন‌ন্দের মা‌ঝে বেদনার সুর, শাস্তির মু‌খে মেক্সিকো  ◈ চীনের অর্থনৈতিক করিডোরে যুক্ত হতে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ কোথায়

প্রকাশিত : ২৫ মে, ২০২০, ০৪:৫৬ সকাল
আপডেট : ২৫ মে, ২০২০, ০৪:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভোলার উপকূলে নেই ঈদ আনন্দ

ভোলা প্রতিনিধি : [২]একদিকে করোনা ভাইরাস আর অন্যদিকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ভোলার উপকূলে দরিদ্র পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ। কর্মহীন পরিবার তাদের ছেলে-মেয়েদের কিনে দিনে দিতে পারেনি নতুন জামা-কাপড়। কেউ আবার নতুন করে ঘর তুলতে পারেনি। ঝড়ে বসতঘর, ফসল, পুকুরের মাছ হারিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা। সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা চললেও অনেক পরিবার এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তুলতে পারেনি নতুন ঘর।

[৩] বিশেষ করে মূল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপচর ও বাঁধে আশ্রিত ছিন্নমুল মানুষের যেন কষ্টের শেষ নেই। বিবর্ণ হয়ে গেছে তাদের ঈদ আনন্দ। জেলে ও দিনমজুর ছাড়াও মানতা এবং বেদে পরিবারেও চলছে অভাব-অনাটন।

[৪] ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউপি চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার বলেন, ঝড়ে সম্পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে শতাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ঈদ আনন্দ নেই। করোনা এবং ঝড় দুটোই ক্ষতিগ্রস্থ করেছে দরিদ্র মানুষদের। সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে তাদের মাঝে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। অনেক পরিবার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

[৫] চর কুকরী-মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, ঝড়ে চর পাতিলায় ২০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

[৬] এদিকে সরকারি হিসাবে, ঝড়ে জেলার ৩৩২টি ঘর সম্পূর্ণ ও ১৬০০ ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও রাস্তা-সড়ক ও বাঁধের ৩৪ কিলোমিটার এবং ৬ হাজার কৃষি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়