শিরোনাম
◈ নেপালের হিমবাহ ধস হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ছিল : রিপোর্ট ◈ ঝুলন্ত সেতু দেখতে এসে হতাশ, রাঙামাটি ছাড়ছেন পর্যটকরা ◈ আগস্টে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩.১৪ শতাংশ ◈ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, বহু সেনা নিহতের দাবি আইআরজিসির ◈ খুলনায় মাঝ নদীতে ফেরির ধাক্কায় ট্রলারডুবি, উদ্ধার ৩৫ ◈ ভারতের ওপর নির্ভরতায় হুমকির মুখে বাংলাদেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ◈ সেপ্টেম্বরে বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ! ◈ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে সরকারের বিশেষ প্রণোদনা, ২০২৭ সালের মধ্যে স্থাপনে মিলবে সুবিধা ◈ ৪২ বছর পর নতুন বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, বিনিয়োগ ও যাত্রীসেবায় জোর ◈ সম্পদের বিবরণ প্রকাশের শর্তে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আহ্বান টিআইবির

প্রকাশিত : ২৫ মে, ২০২০, ০৪:৫৬ সকাল
আপডেট : ২৫ মে, ২০২০, ০৪:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভোলার উপকূলে নেই ঈদ আনন্দ

ভোলা প্রতিনিধি : [২]একদিকে করোনা ভাইরাস আর অন্যদিকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ভোলার উপকূলে দরিদ্র পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ। কর্মহীন পরিবার তাদের ছেলে-মেয়েদের কিনে দিনে দিতে পারেনি নতুন জামা-কাপড়। কেউ আবার নতুন করে ঘর তুলতে পারেনি। ঝড়ে বসতঘর, ফসল, পুকুরের মাছ হারিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা। সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা চললেও অনেক পরিবার এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তুলতে পারেনি নতুন ঘর।

[৩] বিশেষ করে মূল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপচর ও বাঁধে আশ্রিত ছিন্নমুল মানুষের যেন কষ্টের শেষ নেই। বিবর্ণ হয়ে গেছে তাদের ঈদ আনন্দ। জেলে ও দিনমজুর ছাড়াও মানতা এবং বেদে পরিবারেও চলছে অভাব-অনাটন।

[৪] ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউপি চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার বলেন, ঝড়ে সম্পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে শতাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ঈদ আনন্দ নেই। করোনা এবং ঝড় দুটোই ক্ষতিগ্রস্থ করেছে দরিদ্র মানুষদের। সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে তাদের মাঝে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। অনেক পরিবার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

[৫] চর কুকরী-মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, ঝড়ে চর পাতিলায় ২০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

[৬] এদিকে সরকারি হিসাবে, ঝড়ে জেলার ৩৩২টি ঘর সম্পূর্ণ ও ১৬০০ ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও রাস্তা-সড়ক ও বাঁধের ৩৪ কিলোমিটার এবং ৬ হাজার কৃষি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ