শিরোনাম
◈ মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড, এক বছরে আয় ৩,৮৭৯ কোটি টাকা ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, পুলিশি ব্যবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত: স্পিকার ◈ জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের বিতর্কে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক নি‌শ্চিত কর‌লো ◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা জোরদারে তাগিদ তারেক রহমানের ◈ জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফেরানো ও নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে জোর খলিলুর রহমানের ◈ ঢাকার সঙ্গে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত নয়াদিল্লি ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ভুটান-মালদ্বীপের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক ◈ ইরানকে ‘নরকে ঠেলে’ দেওয়ার হুমকি, কিউবার শাসনব্যবস্থার পতনের ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২২ মে, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আচ্ছা, প্রতিবছর নড়বড়ে বাঁধগুলো ভেঙে যায় কেন? বাঁধগুলোর বিপুল বরাদ্দ কোথায় যায়?

মাহা মির্জা : টঙ্গির রোমো ফ্যাশনস-এর এক গার্মেন্টস কর্মীর সঙ্গে কথা হচ্ছিলো, মার্চ মাসের বেতন এখনো পাননি তারা। ২-৩ মাসের ঘরভাড়া বাকি পড়েছে। অথচ ভালোমানুষ বাড়িওয়ালাই নাকি দুইটা মাস ধরে ৮ ঘরের মানুষকে রান্না করে খাইয়েছে। কিন্তু এখন আর কুলাতে পারছেন না। নোটিস দিয়েছেন। এই মেয়েগুলোর গ্রামে ফিরে যাওয়া ছাড়া আর উপায় নেই। সাভার আশুলিয়া এলাকার প্রায় অর্ধশত ছাঁটাই হওয়া গার্মেন্টস কর্মীর দেড়-দুই সপ্তাহের খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছিল এপ্রিলর শেষে, তাদের খাবারও ফুরিয়ে এসেছে। ঢাকার এনআইডি নেই কারো, তাই সরকারি ত্রাণেরও আশা নেই। তারাও কি ফিরে যাবে? আচ্ছা, মানুষ দলে দলে গা ঘেঁষাঘেষি করে গ্রামে ফেরে কেন? ঈদ লাগসে সবার না?

 

সকালে একজন জানালো একটা ছোট পিক আপ ভ্যানে করে মিরপুর এলাকার ২৭ জন মানুষ ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ ফিরে গেছে কাল রাতে। সবাই হকার, ফেরিওয়ালা, গাড়ির হেলপার... পুঁজি ভাঙিয়ে চলছিলেন এতোদিন, এখন সব শেষ। ঘর ভাড়া বাকি পড়েছে, বাড়িওয়ালার অত্যাচার। গ্রামে ফিরে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।
স্টে হোম ক্যাম্পেইনাররা খুব বিরক্ত তাই না? ভাবি, কী অন্তঃসারশূন্য সব ক্যাম্পেইন তারা চালিয়েছেন এতোদিন। ‘দূরে দূরে কাছে থেকে দেশটাকে ভালো রাখার’ ক্যাম্পাইন। হাহ। সাহস করে একটাবারও বলতে পারেননি কেউ, ১৭ লাখ টন চালের মজুদ আছে তোমার, ঘরে ঘরে অন্তত চালটা পৌঁছে দাও। কারণ ‘জীবন আসলে বাঁধা পাকস্থলীতে’। বিখ্যাত অর্থনীতিবিদদের আলোচনাগুলো শুনছিলাম। তারা আলোচনা করছিলেন, অথনীতি ভি শেইপ হবে, ইউ শেইপ হবে না ডাব্লিউ হবে। কী ভীষণ রকমের অন্তঃসারশূন্য সব আলাপ। আলাপের কোথাও কোনো মানুষ নেই।

 

টিভিতে দেখলাম, বাগেরহাটের একটা মধ্যবয়স্ক লোক ঝড়ের মধ্যেই খুব কাঁদছে। কেন কাঁদছে লোকটা? ফসল ডুবে গেছে? ঘরের চাল উড়ে গেছে? কে জানে। কার কী যায় আসে। আচ্ছা, প্রতিবছর নড়বড়ে বাঁধগুলো ভেঙে যায় কেন? বাঁধগুলোর বিপুল বরাদ্দ কোথায় যায়। কে করবে এই প্রশ্ন? থাক। মানুষের এতো কষ্ট। এতো কষ্ট। আজ তো অসীম রহমতের রাত। আল্লাহ সবাইকে রহম করুন। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ