প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনায় মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু, গান স্যালুট এবং বিউগলে করুণ সুর

জ.ই. মামুন : একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মৃত্যুর পর তাদের দাফন/ সমাহিত করার আগে রাষ্ট্রীয় সালাম/গান স্যালুট জানানোর প্রথা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। চলমান করোনাভাইরাসেও কোনো বীর মুক্তিযাদ্ধার মৃত্যু হলে তার অন্তিম যাত্রায় গান স্যালুটের প্রথাটি বহাল আছে। একজন নাগরিক হিসেবে একটি ছোট্ট পর্যবেক্ষণ আপনাদের বলছি, করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া কারও জানাজা বা দাফনে কোনো রকম আড়ম্বর থাকে না, ভিড় থাকো না।

 

শুধু যে ক’জন লোক না হলেই নয় তারাই এতে অংশ নেন। পরিবারের সদস্যদেরও দুয়েকজন বাদে কারও সেখানে থাকার সুযোগ নেই। যারা জানাজা বা দাফনের সময় সেখানে উপস্থিত থাকেন সবাইকেই পরিপূর্ণ পিপিই, মাস্ক, গগলস এমনকি ফেস শিল্ড পরে থাকতে দেখি।
ব্যতিক্রম শুধু পুলিশের ২-৩ জন সদস্য, যারা গান স্যালুটের সময় বিউগলে করুণ সুর বাজান। এ রকম একটা ভয়াবহ পরিবেশে মুখের মাস্ক খুলে এতো জোরে ফুঁ দিয়ে বিউগল বাজানোর কারণে, তারা কিছুটা হলেও কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে হয়। অনেক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত সরাসরি না গেয়ে রেকর্ড বাজানো হয়, তাতে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা ক্ষুণœ হয় না।

 

বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় করোনা রোগী দাফনের মতো ভয়াবহ একটা পরিবেশে খালি মুখে বিউগল বাজিয়ে পুলিশ সদস্যদের ঝুঁকিতে না ফেলে বিউগলের সুরের রেকর্ড বাজিয়ে রাষ্ট্রীয় সালাম বা গান স্যালুটের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার প্রস্তাব করছি। পুলিশ বাহিনী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত