প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]৯ দিনে প্রায় ২০৮ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ করেছে নৌ পুলিশ

সুজন কৈরী : [২] গত ১ মে থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২০৭ কোটি ৫৮ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০ টাকা মূল্যের ৯ কোটি ৭১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯০ মিটার কারেন্টসহ অবৈধ বিভিন্ন জাল জব্দ করেছে নৌ পুলিশ। একই সময়ে ৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা মূল্যের ২ হাজার ১৩৮ কেজি জাটকা উদ্ধার করেছে পুলিশের এ সংস্থাটি।

[৩] জব্দ জাল সংশ্লিষ্ট জেলা ও থানা মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মিরকাদিম পুলিশ লাইন মাঠে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

[৪] নৌ পুলিশ বলছে, দেশের বিভিন্ন নদী থেকে এসব অবৈধ বা নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। তবে জাল উদ্ধারের পর দিন আবার নতুন করে নতুন জাল ফেলা হয়। এজন্য জাল উদ্ধারে বেশ হিমশিম খেতে হয় নৌ পুলিশকে। খুব সহজে উৎপাদন, বিনিময় এবং পরিবহন করা যায় কারেন্ট জাল। যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধও। এক শ্রেনীর মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীদের মদদে জেলেদের হাতে পৌঁছে যায় এসব জাল। তাই নৌ পুলিশ অবৈধ জাল তৈরির কারখানায়ও অভিযান চালাচ্ছে। চলমান করোনা সংকটেও সকল প্রকার অবৈধ জালের বিরুদ্ধে সোচ্চার নৌ পুলিশ।

[৫] নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লিগ্যাল মিডিয়া এন্ড ট্রেনিং) ফরিদা পারভীন বলেন, সংস্থার মুক্তারপুরের পুলিশ পরিদর্শক কবির হোসেন খান চলতি মাসে প্রায় ৯ কোটি মিটার জাল উদ্ধার করেন। এর মধ্যে ৪ মে অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৫ লাখ মিটার, ৬ মে মুন্সিগঞ্জের মালিপাথর এলাকা থেকে ৩ কোটি ৬০ লাখ ৮০ হাজার ৫০০, ৮ মে মুন্সিগঞ্জের দুর্গা বাড়ি এলাকা থেকে ৪ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় মামলা হয়েছে।

[৬] তিনি আরো জানান, করোনা প্রতিরোধে নদী পথে চলাচলরত লোকজনকে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত ভাবে চলছ। দেশের বিভিন্ন নদীতে গত ১১ এপ্রিল থেকে ক্রমান্বয়ে নৌ পুলিশের ২২টি জাহাজ মোতায়েন করা হয়। এখন পর্যন্ত পাওয় ২৫ হাজার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

[৭] নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সারা বছরই চলে। তবে মার্চ এবং এপ্রিলে কঠোরভাবে অভিযান চালানো হয়। চলতি বছর জাটকা সংরক্ষণ অভিযান শেষ হলেও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং অবৈধ জালের (নির্ধারিত মেষ সাইজের কম জাল) বিরুদ্ধে অভিযান বছর জুড়েই চলবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত