শিরোনাম
◈ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ফের ইসরাইলি হামলা: দুই শিশুসহ নিহত ৩ ◈ দুই দশক পর তারেক রহমান চট্টগ্রামে: ভোর থেকে পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড় ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের অগ্রগতি, সমঝোতার পথে বাংলাদেশ ◈ আই‌সি‌সি থে‌কে জয় শাহকে ‘গদিচ্যুত’ করার সুবর্ণ সুযোগ! বাংলা‌দে‌শের সমর্থনে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ বয়কটের পরামর্শ সা‌বেক‌দের ◈ ‌বি‌পিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে শান্তরা পেলো ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ◈ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় না থাকায় কতটা ক্ষতি হবে বাংলাদেশের ◈ সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি ◈ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশকে ভারত সবসময় সমর্থন করবে: প্রণয় ভার্মা ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ-গণনা নিয়ে ইসির পরিপত্র জারি ◈ আইসিসি আমাদের অনুরোধে সাড়া দেয়নি, কিছু করার নেই: বিসিবি 

প্রকাশিত : ১০ মে, ২০২০, ০৫:৫৪ সকাল
আপডেট : ১০ মে, ২০২০, ০৫:৫৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চিকিৎসাক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারিভাবে দুর্বিত্তায়ন ঢুকেছে : ড. রশীদ-ই-মাহবুব

প্রিয়াংকা আচার্য্য : [২] বিজ্ঞ এই চিকিৎসক একাত্তর টিভির এক অনুষ্ঠানে জানান, গত বছর ঘোষিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ২৫ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা। অর্থ্যাৎ প্রতিজনের জন্য ১৪২৭ টাকা। যা যথেষ্ট নয়, আমরা স্বীকার করি। কিন্তু এ খাতে দুর্নীতি বন্ধ না হলে এই বরাদ্দও কোন কাজে আসবে না।

[৩] আমরা যদি স্বাধীনতার পর থেকে দেখি, ৭৫ সাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যখাতে কী হবে তারপ্রতি সরকারের কমিটমেন্ট ছিল। এরপর ২০০০ সালে স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন হয়।

[৪] ২০১১-তেও একটা স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করা হয়। নীতি নির্ধারকরা অনেক বিশ্লষণ করে এটি করেছিলেন। সেখানে কিন্তু বিভিন্ন পরিস্থিতির ওপর সমাধান দেয়া আছে।

[৫] কিন্তু রাজনৈতিক কমিটমেন্ট যদি না থাকে তাহলে কোন সমস্যার সমাধানই সম্ভব না। শুধু টাকা বরাদ্দ দিলেই হবে না সেই টাকা কার্যকরভাবে ব্যবহার হচ্ছে কিনা সেটাই আসল।

[৬] সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ, ব্যবস্থাপনাসহ স্বাস্থ্যখাতে বেশকিছু বিষয় জরুরী রয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, জনগণকে বেশিরভাগ ক্ষেত্র টাকা দিয়ে ঔষুধ কিনতে হয়।

[৭] ঔষুধে আমরা স্বর্ংসম্পূর্ণ কিন্তু দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যাপার আছে। যে বরাদ্দ দেয়া হয় তার সিংহভাগ চলে যায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের বেতন দিতে। তাই সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয় হয় খুব স্বল্প অংশ।

[৮] হেলথ সেন্টারে রিসার্চ নাই। সেখানে বরাদ্দও তেমন নাই। আমাদের রিসার্চ সেন্টারগুলোকে কার্যকর করে গড়ে তোলা এ মুহূর্তে দরতকার। তাহলে তারা গবেষণা করে যে তথ্য দিবে তাতে ভবিষ্যতে আমরা এরকম মহামারী কী করে নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে পারবো। সূত্র : একাত্তর টিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়