প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] খুলনা বিভা‌গের ১০ জেলায় সরকা‌রের সাধারণ ক্ষমায় ৩০ কারা বন্দীর মুক্তি

র‌হিদুল খান : [২] করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতায় খুলনা বিভাগের দশ জেলার একটি কেন্দ্রীয় কারাগার ও নয়টি জেলা কারাগার থেকে মোট ৩০ জন মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তি পাওয়ার প্রক্রিয়ায় আছেন আরো বেশ কিছু বন্দি। করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারন করায় সরকার কারাগারগুলোর হাজতি ও কয়েদিদের সুস্থতার স্বার্থে বেশ কিছু বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

[৩] এবারের করোনা পরিস্থিতিতে তিন ক্যাটাগরির বন্দিরা মুক্তি পাবেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়। ক্যাটাগরি তিনটি হলো, শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি, স্বল্পমেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত এবং দীর্ঘমেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত; যারা ইতিমধ্যে ২০ বছর কারাভোগ করেছেন।

[৪] যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত উপ-মহা কারা পরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজনস)-এর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নির্দেশনা অনুযায়ী খুলনা বিভাগের জেলখানাগুলোতে বন্দি ৬১৭ জনের নামের তালিকা ঢাকায় পাঠানো হয়। এর মধ্যে অন্ধ, অচল ও অক্ষম ছয়জন রয়েছেন। সর্বোচ্চ ছয় মাস দণ্ডপ্রাপ্ত ১৮৯ জন, সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ২৭৪ জনের নাম পাঠানো হয়। আর দীর্ঘমেয়াদে দণ্ডিত কয়েদি, যাদের ইতিমধ্যে ২০ বছর জেল খাটা হয়ে গেছে, এমন ১৪৮ জনের নাম রয়েছে তালিকায়।

[৫] তালিকায় যাদের নাম ছিল, তাদের মধ্যে থেকে ইতিমধ্যে দুই দফায় গত ৩ ও ৪ মে ৩০ জন মুক্তি পেয়ে বাড়িতে চলে গেছেন।

[৬] মুক্তি পাওয়া বন্দিদের মধ্যে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনজন, খুলনা জেলা কারাগার থেকে দুইজন, কুষ্টিয়া জেলা কারাগার থেকে ১৮ জন, চুয়াডাঙ্গা ও নড়াইল জেলা কারাগার থেকে দুইজন করে, মাগুরা, মেহেরপুর ও বাগেরহাট জেলা কারাগার থেকে একজন করে রয়েছেন।

[৭] ডিআইজি (প্রিজনস) মো. ছগির মিয়া বলেন, তার অধীনস্থ দশটি কারাগার থেকে ইতিমধ্যে ৩০ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরো কিছু বন্দি মুক্তি পাবেন। শিগগির হয়তো সেই নির্দেশনা চলে আসবে।

[৮] ‘আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। চিঠি এলেই তাদের মুক্তি দিতে পারব। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত