শিরোনাম
◈ মক্কায় হামলার সতর্কতা জারি করে প্রত্যাহার করল সৌদি আরব ◈ ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা! ◈ শিক্ষার্থীর ফোন হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে শিক্ষক বললেন, ‘নেক্সটে ফোন আনতে চিন্তা কইরো’ ◈ কেরানীগঞ্জে সেলুনে ফরহাদকে কুপিয়ে হত্যা, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল হামলার দৃশ্য ◈ গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ তারেক রহমানকে ভারত কেন দুটি আমন্ত্রণ দিয়েছিল, জানাল দিল্লি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১১.৪২ শতাংশ ◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২০, ০৭:৩০ সকাল
আপডেট : ০২ মে, ২০২০, ০৭:৩০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিনা চিকিৎসায় মায়ের মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশ্বব্যাংক কর্মকর্তার অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট  : বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তা জিয়াউদ্দিন হায়দার বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এক চিঠিতে অভিযোগ করেছেন যে, ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করায় তার মা মাহমুদা খানম (৭৫) মারা গেছেন। তাঁর মায়ের মৃত্যুর জন্য তিনি ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেডের স্বাস্থ্যসেবার অব্যবস্থাপনাকে দোষারোপ করেছেন। এই মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী তাদের শাস্তিবিধানে হস্তক্ষেপ করতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। বাংলাদেশ প্রতিদিন

তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘মায়ের মৃত্যুর পর আমার জীবনের প্রথম এই চিঠি আপনাকে লিখছি। আমি ন্যায়বিচার দাবি করছি।’ জিয়াউদ্দিন হায়দার কম্বোডিয়া ও লাওসে বিশ্বব্যাংকের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা বিষয়ক কার্যক্রমের ক্লাস্টার লিডার পদে কর্মরত। চিঠিতে তিনি জানান, ৫ এপ্রিল প্রচ- সর্দি হয় মায়ের। ভর্তি করার জন্য ১১ এপ্রিল লুবনা ও এ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। দুটি হাসপাতালই ‘না’ করে দেয়। পরে তাকে উত্তরায় নিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন হয়ে পড়লে, কভিড-১৯ পরীক্ষায় নেগেটিভ দেখার পর উন্নত চিকিৎসার্থে মাহমুদাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ হাসপাতালে ১৩ এপ্রিলের পরীক্ষায় কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়লে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মাহমুদাকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ দিতে থাকে। আলাদা একটি কামরায় ভেন্টিলেশনে ছিলেন মাহমুদা। তবু তাকে নিজেদের ব্যবস্থায় অন্যত্র নিয়ে যেতে পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ দিতে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বেলা ২টার দিকে মাহমুদার ভেন্টিলেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৯ দিন পর ২৩ এপ্রিল তিনি মারা যান।

জিয়া তার চিঠিতে লিখেছেন, ‘ইউনাইটেড হাসপাতাল লাইফ সাপোর্টে থাকা একজন রোগীকে যেভাবে জোরপূর্বক রিলিজ করল তা নজিরবিহীন, অনৈতিক ও বেআইনি।’ ইউনাইটেড হাসপাতালের পরিচালক (যোগাযোগ ও ব্যবসা উন্নয়ন) সাগুফতা আনোয়ার বলেন, পরিবারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে রোগীকে রিলিজ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সাধারণ রোগীরা যাতে করোনায় সংক্রমিত না হন, সে জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে কভিড-১৯ রোগী চিকিৎসার জাতীয় দিকনির্দেশনা আমরা অনুসরণ করেছি। আমাদের হাসপাতাল করোনা চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত নয়।’

  • সর্বশেষ