প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জানাযায় জনস্রোত : লকডাউনের সেই ১০ গ্রামের কেউ করোনা শনাক্ত হয়নি

আরিফুল ইসলাম, সরাইল প্রতিনিধি :[২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাওলানা যোবায়ের আহমদ আনসারী হুজুরের জানাযায় জনসমাগমের কারণে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে উপজেলার বেড়তলা, শীতাহরণ, শান্তিনগর, বলিবাড়িসহ ১০ গ্রাম গত ১৮ এপ্রিল লকডাউন ঘোষণা করে প্রশাসন। ওইসব গ্রামের মানুষদের সীমিত চলাচলের পরামর্শও দেয়া হয়। সাথে ছিল ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন আদেশ।

[৩] শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যায় শেষ হচ্ছে সেই ১৪ দিন।

[৪] শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, জানাযার আশেপাশের ১০টি গ্রামে গত ১৪ দিনে কোনো উপসর্গ না পাওয়ায় কোনো ব্যক্তি শনাক্ত হয়নি। গ্রামগুলো আপাতত ঝুঁকিমুক্ত ও স্বাভাবিক মনে করছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

[৫] জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল শুক্রবার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মার্কাস পাড়ায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মাওলানা যোবায়ের আহমদ আনসারী। তাঁর মৃত্যুর খবরে সারাদেশের আলেম উলামাদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া ।

[৬] পরেরদিন সকালে সরাইল উপজেলার জামিয়া রহমানিয়া বেড়তলা মাদ্রাসায় তাঁর জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। দেশ এবং জেলার শীর্ষ আলেমরা ছাড়াও মাদ্রাসা ছাত্র এবং এলাকার সাধারন মানুষ এতে যোগ দেন। মাদ্রাসা অতিক্রম করেও জানাযার সারি দীর্ঘ হয় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে।

[৭] এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুরো জেলা লকডাউন থাকা সত্বেও জেলার সরাইল উপজেলার বেড়তলা এলাকায় মাওলানা যোবায়ের আহমদ আনসারীর জানাযায় জনতার ঢল থামাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে সরাইল থানার ওসি সাহাদাত হোসেন টিটো, একই থানার ওসি (তদন্ত) নুরুল হক এবং সরাইল সার্কেল এর সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদ রানাকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে পুলিশ বিভাগ। পরে একই ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি মইনুল ইসলামকেও বদলি করা হয়।

[৮] যোবায়ের আহমদ আনসারীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামে। ১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত