প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনার কারণে গ্লোবালাইজ ইকোনমি থেকে লোকালাইজ ইকোনমি হবে : ডিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট

সাইদ রিপন : [২] দেশে বর্তমানে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা এবং বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার মধ্যে অর্থনৈতিক ও সেবা খাতে বিশাল একটা তফাত রয়েছে। এজন্য যেখানে প্রাইভেট সেক্টরের সাপোর্ট প্রয়োজন সেখানে সরকারকে সাপোর্ট দিতে হবে। মূলত করোনা আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে আমাদের আরও বেশি উন্নতি করতে হবে। সম্প্রতি বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক প্রেসিডেন্ট আবুল কাসেম খান এ কথা বলেন।

[৩] তিনি বলেন, দেশের এমন পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে ন্যাশনাল ইকোনমিক এক্সপার্ট গ্রুপ বা টাস্কফোর্স গঠন অত্যন্ত জরুরি। এ কমিটি সরকারের ঘোষিত প্রণোদনা বাস্তবায়ন, মনিটরিং, করোনার প্রভাব মূল্যায়ন ইত্যাদি সমন্বয়ে দায়িত্ব দিতে হবে। এ কমিটিতে ব্যবসায়ী নেতারা, বিভিন্ন এসোসিয়েশন নেতারা, অর্থ মন্ত্রণালয়, এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা ও অর্থনীতিবিদরা থকবেন। তারা দেশের অর্থনীতির উপরে করোনার প্রভাব নিয়ে কাজ করবেন। কোন কোন খাত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেটা দেখবেন। সমন্বয় করবেন। তাহলে প্রণোদনাটা একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে আসবে।

[৪] আবুল কাসেম খান বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বিশাল পরিবর্তন আসবে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এটা কেউ বলাতে পারছে না। তাই আমাদের এ ব্যাপারে এখনই প্রস্তুত হতে হবে। বর্তমানে মানুষ ইন্টারনেট কানেটিভিটি, অনলাইন শপিং, অনলাইনে পেমেন্ট, অনলাইন ব্যাংকিংয়ে সুযোগ-সুবিধা নিতে বেশি আগ্রহী। বাসায় পণ্য পাওয়ার আগ্রহ বাড়বে। টেলিকম সেক্টর, আইসিটি সেক্টর, আইটি সেক্টরকে কীভাবে বেশি সাপোর্ট দেয়া যায় সেদিকে জোর দিতে হবে সরকারকে।

[৫] তিনি আরও বলেন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক দেশ তাদের খাদ্যপণ্য রপ্তানি বন্ধ করে আগে মজুদ করবে। আমাদের অর্থনীতিকে, আমাদের কৃষিকে আধুনিকায়ন বলি বা কমার্সিয়ালাইজ করতে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত