প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কৃষকদের ধান কাটার জন্য চাঁদা তুলে দিতে পারি ছাত্ররা

মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন : একজন ধানকাটা শ্রমিক যেভাবে ধান কাটতে পারে, আপনি আমি সেভাবে পারবো? হয়তো ধান কাটতে গিয়ে হাঁপিয়ে মরবো, হাত কাটবো অথবা ১ ঘণ্টা মাঠে ঘুরে ফটোসেশন করে চলে আসবো। এছাড়া আর কি? ধান কাটতে অভ্যাস লাগে। একজন শ্রমিক যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে পারে না, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তেমন ধান কাটতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ধান কাটতে গেলে ৩০ মিনিট পর আর কাটতে পারবেন না। আর আরও বেশি পারলে ১-২ ঘণ্টা। এর বেশি পারবে না। আর শ্রমিকদেরও টাকা দরকার।
করোনার মধ্যে শ্রমিকরা বসে আছেন। বউ, ছেলেমেয়ে নিয়ে তাদের দিন কষ্টে কাটছে। ধান কাটার মৌসুমে তারা কাজ করলে কিছু উপার্জন করতে পারবেন। এটা দিয়ে ডাল-ভাত খেয়ে বাঁচতে পারবেন। ঈদের আগে বউ, ছেলেমেয়ে নতুন কাপড় কিনে দিতে পারবেন। শ্রমিকের কাজ শ্রমিকেই করবেন, আপনি-আমি কেন? আপনার-আমার কি কাজ নেই? আছে। আমরা ছাত্ররা মিলে কৃষকের জন্য ধান কাটতে যতো টাকা লাগবে, সেটি বিভিন্নভাবে চাঁদা আকারে তুলে কৃষকদের হাতে তুলে দিতে পারি। আর একান্তই যদি কোনো কৃষক শ্রমিক না পায়, তাহলে ছাত্ররা ধান কেটে দিতে পারে। অন্যথায় শ্রমিকের কাজ অযথা ছাত্রের করার প্রয়োজন নেই। অভ্যাস না থাকলে ধান কাটতে গিয়ে কৃষকের লস ছাড়া লাভ হবে না। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত