শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের নতুন শুল্ক ঘোষণার পর বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির ভবিষ্যৎ কী? ◈ এয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর সময় জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অবৈধ ভবন রোধে কড়া বার্তা, কুমিল্লায় গণপূর্তমন্ত্রীর ঘোষণা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতেই হবে তারেক রহমানকে ◈ বর্ণবি‌দ্বে‌ষি মন্তব‌্য বন্ধ কর‌তে ফুটবলে নতুন আইন করতে যাচ্ছে ফিফা ◈ ফুটবলার সামিত সোমের ছবি পোস্ট করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো ফিফা  ◈ ক্ষমতা হস্তান্তরের পর কোথায় আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, কী করছেন এখন? ◈ ভয়ভীতি মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করবো: তথ্যমন্ত্রী ◈ মাহদী হাসানের সঙ্গে দিল্লিতে ঠিক কী হয়েছিল?

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২০, ০২:২৯ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২০, ০২:২৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনলাইনে ক্লাস নিলেন চবি শিক্ষক মনজুরুল কিবরিয়া

চট্টগ্রাম প্রতিদিন প্রতিবেদন : ক্যাম্পাস বন্ধ থাকলেও অনলাইনে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মনজুরুল কিবরিয়া।

বুধবার (১ এপ্রিল) প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ফিশারিজ এন্ড লিমনোলজি শাখার মাস্টার্সের ৫২১ নম্বর কোর্সের ক্লাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে নেন তিনি। এতে এই কোর্সের ২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জন অংশ নেন।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের লম্বা ছুটিতে শিক্ষার্থীরা যেন একাডেমিক পড়াশোনায় পিছিয়ে না পড়ে সেজন্য অনলাইনে পাঠদানের সিদ্ধান্ত নেন এই শিক্ষক। এ ক্ষেত্রে তিনি ‘জুম’ নামের সফটওয়্যারকে বেচে নেন। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ১০০ জন শিক্ষার্থী একসঙ্গে ক্লাস করতে পারবে। যা সম্পূর্ণ ক্লাসরুমের মতোই। সফটওয়্যারটিতে একটি আইডি খুলে সেখানে শিক্ষার্থীদের ইনভাইটেশন পাঠালে তারা নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে যুক্ত হতে পারবে। পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের লেকচার দেওয়া হয় এ সফটওয়্যারে। এখানে একসাথে শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে দেখা যায়। কেউ কোন সমস্যার সৃষ্টি করলে তাকে মিউট করে দেওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে এতে। তাছাড়া কোন শিক্ষার্থী চাইলে প্রশ্ন করতেও পারে। পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে লেকচার দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা স্ক্রিনশট নিয়ে তা সংরক্ষণ করতে পারে।

এ বিষয়ে ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, ‘এটি কেবল এই বন্ধের সময়ের জন্যই নয়, কোন শিক্ষক দেশের বাইরে থাকলে বা ক্যাম্পাসে কোন সমস্যার কারণে ক্লাস বন্ধ থাকলে এই পদ্ধতিতে শ্রেণী কার্যক্রম সচল রাখা সম্ভব। আমাদের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে বেশ আগ্রহী। তারা অনেকেই এই ক্লাসে যুক্ত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের সাথে সমন্বয় করে এই ক্লাস চালু রাখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের সকল শিক্ষক এই বিষয়ে চাইলে দৃষ্টিপাত করতে পারেন। কখন এই মহামারী শেষ হবে তা কারও জানা নেই। এমন লম্বা সময় যদি শিক্ষার্থীরা ক্লাসের বাইরে থাকে তাহলে তাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।’

এই দিকে বন্ধের সময় এভাবে শ্রেণী কার্যক্রম চালু করায় শিক্ষার্থীরা উৎফুল্ল। এই ক্লাসের মতো অন্যান্য সব কোর্সের ক্লাসও তারা অনলাইনে করার জন্য শিক্ষকদের অনুরোধ জানান। অনলাইন ক্লাসে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী গৌরচাঁদ ঠাকুর চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘এটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এতে আমাদের একাডেমিক সময় নষ্ট হলো না। আপদকালীন সময়ে অন্তত থিওরি ক্লাসগুলো সবাই এভাবে নিতে পারে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়