প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা আতঙ্কের মধ্যেও বগুড়ায় লাখ লাখ টাকা নিয়ে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] সারাদেশে করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই বগুড়ার কাহালু, নন্দীগ্রাম ও শিবগঞ্জ থানার জুয়াড়িরা প্রকাশ্য দিবালোকে এই আসর বসায়। জুয়ার প্রভাবে ওই এলাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে চুরি-ছিনতাই। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনক কারণে নীরব রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।আর টিভি অনলাইন

[৩] সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই জুয়ার আসরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গেছে, এই ভিডিও ফেসবুকে যেতেই মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

[৪] স্থানীয়রা জানান, কাহালু উপজেলার কাউয়া বাজার (জাড়া দিঘীরহাট) সংলগ্ন গ্রাম দামগাড়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে বসে জুয়ার আসর। কালাই ইউনিয়নের কয়েকজন প্রভাবশালীর নেতৃত্বে বসে জুয়ার আসর।
এছাড়া শিবগঞ্জ থানার মাঝিহট্ট ইউনিয়নের ছাতুয়া গ্রামে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে জুয়ার আসর। জুয়ার প্রলোভনে পড়ে দূর-দূরান্ত থেকে পেশাদার জুয়াড়িদের সঙ্গে আসা সাধারণ মানুষসহ ব্যবসায়ীরা জুয়ার বোর্ডে ব্যবসার তহবিলসহ টাকা-পয়সা হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরছে। আর জুয়া বন্ধের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

[৫] এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ওই স্পটে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার জুয়া খেলা হয়। জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রভাবশালী দুর্ধর্ষ প্রকৃতির হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের কাছে অসহায়। ইতোপূর্বে এই জুয়ার আসর নিয়ে এলাকাবাসী বৈঠক এবং প্রশাসনকে জানিয়েও স্থায়ী কোনও প্রতিকার পায়নি। যদিও একবার স্থানীয় প্রশাসন-পুলিশ জুয়ার আসর তুলে দিলেও পরবর্তীতে ফের জুয়ার আসর বসতে শুরু করে। বিষয়টিতে আবারও নজর দেয়া প্রয়োজন।

[৬] কাহালু-নন্দী গ্রামের সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আহমেদ রাজিউর রহমান জানান, এ ব্যাপারে কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পেলেই অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারপরও পুলিশ সদস্যরা এ বিষয়ে সজাগ রয়েছে। প্রায়ই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

[৭] বগুড়ার কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকায় এগুলো আর নেই।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত