প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কালকিনিতে হাট-বাজারগুলোতে মানুষের ঢল, বাড়ছে চরম ঝুঁকি

এইচ এম মিলন, কালকিনি (মাদারীপুর): [২] শহড়ঞ্চল ফাঁকা হলেও গ্রাম পর্যায়ের সামাজিক দুরত্ব মোটেও তৈরী করা যাচ্ছেনা। সাপ্তাহিত হাটের দিন থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিদিন সকাল-বিকাল এসব বাজার ভিড় করছে মানুষ। গোপনে ও প্রকাশ্যে চলছে চায়ের দোকানে আড্ডাবাজীর সমাগম। এর ফলে বাড়ছে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি।

[৩] তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে করোনা ঠেকানোর। প্রায় প্রতিদিনই ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানসহ পুলিশের কঠোর অভিযান। তারপরও পুরোপুরি করা যাচ্ছে না নিয়ন্ত্রন। তবে সচেতন নাগরীকদের দাবি, বাজারগুলোতে প্রয়োজনী স্থায়ীভাবে পুলিশ টহলের ব্যবস্থার।

[৪] (২৭মার্চ) শুক্রবার কোন সাপ্তাহিক হাট না থাকলেও বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৌর এলাকার কাশিপুর বাজার, মিয়ারহাট বাজার ও শিকারমঙ্গল বাজারসহ বিভিন্ন গ্রামের বাজারে অতিরিক্ত লোকসমাগম ছিল।

[৫] (২৮মার্চ) শনিবার কালকিনি উপজেলার পুরান বাজারের সাপ্তাহিত হাট বসেছে। ফলে সকাল থেকেই ওই হাটে নানা পন্যের পসরা নিয়ে বসতে শুরু করেন অস্থায়ী দোকান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের ভিড়। এক পর্যায় শতশত লোকের সমাগম ঘটতে থাকে এ হাটে। এর ফলে করোনা সংক্রমনের ভয়াবহতার বিষয়টি নিয়ে সৃষ্টি হয়ে আতঙ্ক। সবকিছু জানার পরও এভাবে ভিড় করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাংবাদিক শুনে কথা বলতে রাজি হয়নি কেউ।

[৬] শুধু কালকিনি পুরান বাজার নয়, উপজেলার, খাসেরহাট, ফাসিয়াতলার হাট ও আলীপুর বাজার, শশিকর, নবগ্রাম বাজারে এ রকম পরিস্থিতি লক্ষ করা গেছে। মানুষের ভিড়ের সঙ্গে চলছে হইচই করে কেনাকাটাসহ চায়ের দোকানে ভিড়।

[৭] কাশিমপুর বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, সরকারের দেয়া ছুটির পর গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে প্রচন্ড অসচেতন মানুষের সমাগম ঘটছে। তারা বাজার-হাট ঘুরে কেনাকাটায় খুবই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এবং কি ঈদের বাজারের মত ভিড় জমাচ্ছে।

[৮] কালকিনি থানার ওসি মোঃ নাছির উদ্দিন বলেন, উপজেলার কোন হাটবাজারে আর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বসতে দেয়া হবে না। আমরা থানা পুলিশ কোন ভিড় দেখলেই সাথে-সাথে ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছি। সরকারের সকল নির্দেশ আমরা ফলো করে ব্যবস্থা নিচ্ছি। মানুষদের সচেতনাতায় প্রত্যেক বাজারেঘাটে আমরা প্রতিনিয়ত মাইকিং করে দিচ্ছি। কোন প্রকার সমাগম সহ্য করা হবে না।

[৯] উপজেলার ডাসার থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব বলেন, হাট বাজারের সকল ঘোরাফেরা আমরা ইতিমধ্যে বন্ধ করে দিয়েছি। এরপরও যদি কেউ নির্দেশ না মানে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

[১০] এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা রীতিমত অভিযান চালাচ্ছি। মানুষদের ঘরে রাখতে সকল প্রকার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। এরপরও যদি হাটবাজারে ভিড় জমায় সেটা আসলে দুঃখজনক। সম্পাদনা: আরিফ হোসেন

সর্বাধিক পঠিত