শিরোনাম
◈ ‌তেরান‌কে এবার ইংল‌্যা‌ন্ডের হুম‌কি, কো‌নো অজুহাত ছাড়া পরমাণু কর্মসূচি বা‌তিল কর‌তে হ‌বে ◈ বাংলাদেশে গিয়ে আসামের মিঞাঁ মুসলমানদের ভোট দিতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ◈ হা‌রিস রউফ পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে না থাকায় বিস্মিত অ‌স্ট্রেলিয়ার ক্লার্ক ও ফিঞ্চ ◈ ভোটারদের মন জয় করতে প্রতিশ্রুতির প্রতিযোগিতা, বক্তব্যে উত্তাপ ◈ সাবেক ৩০ এমপির গাড়ি নিয়ে বিপাকে পড়ল এনবিআর ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে সরকারের মেয়াদ বাড়বে এমন তথ্য ভিত্তিহীন: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ◈ বয়কট গুঞ্জনে পাকিস্তানের ঘুম হারাম করে দিলো আইসল্যান্ড ◈ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমান, আ.লীগ ও ভারত প্রশ্নে যা বললেন ◈ যুক্তরাজ্যে লরিতে লুকিয়ে ২৩ বাংলাদেশিকে পাচারের চেষ্টা, আটক ৫ ◈ আ.লীগ থাকলে জামায়াত থাকবে, জামায়াত থাকলে আ.লীগ থাকবে : মাহফুজ

প্রকাশিত : ২১ মার্চ, ২০২০, ১১:১০ দুপুর
আপডেট : ২১ মার্চ, ২০২০, ১১:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডাক্তার নার্স পুলিশ গণমাধ্যমকর্মীসহ জরুরি সার্ভিসে নিয়োজিত মানুষের করোনাঝুঁকি বাড়ছে

মাজহারুল ইসলাম : [২] পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহ না থাকা ও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করায় ব্যাংকার ও পরিবহন শ্রমিকরাও সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন। বণিকবার্তা, নয়াদিগন্ত

[৩] বেসরকারি একটি হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার ফিরোজ মাহমুদ খান বলেন, একজন চিকিৎসক প্রতিদিন যতোজন মানুষের সংস্পর্শে আসেন, একজন সাধারণ মানুষ কখনোই ততোজন মানুষের সংস্পর্শে আসেন না। তাই করোনা আক্রান্ত একজন সাধারণ নাগরিকের চেয়ে করোনা আক্রান্ত একজন চিকিৎসক স্বাভাবিকভাবেই করোনা বিস্তারে বেশি মাত্রায় অনুঘটকের কাজ করবেন। তাই করোনার বিস্তার রোধে বিশ্বের অপরাপর দেশের মতো এখানেও চিকিৎসকদের পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) সর্বাগ্রে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

[৪] বিমানবন্দরে কর্মরত একজন পুলিশ সদস্য জানান, প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ হাজার প্রবাসী দেশে ফিরছেন। এদের মধ্যে অনেকেই আক্রান্ত থাকতে পারেন। তাদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতেও আমাদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়নি। প্রবাসীদের আনাগোনা বেশি বা হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে না চলা এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হলেও, ব্যবস্থা করা হয়নি বিশেষ পোশাকের।

[৫] ব্যাংকে কর্মরতরা জানান, করোনা আতঙ্কের মধ্যেও লেনদেন অব্যাহত আছে। সদ্য প্রবাস ফেরতরাও ব্যাংকে এসে সেবা নিচ্ছেন। তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। তাদেরকে সাধারণ নাগরিকদের মতোই সেবা দিতে হচ্ছে। এতে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে। প্রধান কার্যালয় থেকে কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুতি নিতে চিঠি দেয়া হলেও, এখন পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

[৬] সাংবাদিক উম্মুল ওয়ারা সুইটি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বিশেষ পোশাক দেয়া যেতে পারে। ব্রিফিংগুলো ফেসবুক লাইভে হতে পারে। বিভাগীয় পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা তথ্যকেন্দ্র খোলা যেতে যারে। কেন্দ্রীয়ভাবে ২৪ ঘণ্টা তথ্যকেন্দ্র খোলা রেখে তথ্য সরবরাহ করা যেতে পারে।

[৭] দেশে পরিবহন শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। এদের অনেককেই গাড়িতে ঘুমাতে হয়, খেতে হয় হোটেল-রেস্তোরাঁয়। পর্যাপ্ত টয়লেট সুবিধা নেই। এসব কারণে সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন দেশের পরিবহন শ্রমিকরা। এদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস দ্রæত ছড়িয়ে পড়ার বাড়তি ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এমন পরিস্থিতিতে প্রস্তুতি হিসেবে পরিবহন শ্রমিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন প্রয়োজন। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়