শিরোনাম
◈ ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি, স্বাগত জানালেন বাফুফে সভাপতি ◈ গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দিচ্ছে সরকার, যেভাবে মিলবে ◈ বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ মাতারবাড়ী বন্দরকে শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় জাপান, যুক্ত হবে ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল ◈ নুডলস খেয়ে নয় যে কারণে একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান ◈ মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে: ডিবি প্রধান ◈ টেকনাফে আবারও সক্রিয় মানবপাচার চক্র, অপহরণ করে সাগরপথে পাচার হচ্ছে মানুষ! ◈ ৬৬৬ কোটি টাকা কর আদায়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করল ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণ ◈ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সশস্ত্র বাহিনী গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রকাশিত : ২০ মার্চ, ২০২০, ০৫:০৫ সকাল
আপডেট : ২০ মার্চ, ২০২০, ০৫:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভালো কিংবা মন্দ যাই হোক, মন্দা পরবর্তী বৈশ্বিক পুনর্গঠনে চীন সবচেয়ে বড় শক্তিকেন্দ্র হিসেবে আসবে

ফিরোজ আহমেদ : কয়েকদিন আগে প্রথম আলোতে ‘চীনের সমাপ্তি, শুরুটা তবে কার’ এই রকম একটা শিরোনাম দেখে ভড়কে গিয়েছিলাম। দুনিয়ার করোনা-উত্তর বিশ্বের কারখানা হিসেবে চীন তো বিগত, এবার কার আবির্ভাব হবে, সেটা ছিল লেখাটার আলোচনার বিষয়। ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, মেক্সিকো ইত্যাদি। তখনই ভেবেছিলাম, একটু তাড়াতাড়ি লেখাটা লিখে ফেলেছেন তারা। মহামারীটা দুনিয়াব্যাপী ছড়ায় কি না, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করেননি, অপেক্ষা করেননি এই মহামারী সামলাতে চীনের সামাজিক ক্ষমতা কতখানি কার্যকর, তা দেখতে। চীনের হাজারো সমস্যা আছে, সত্যি। কিন্তু সামজিক ত্বরণের মাঝে থাকলে থাকলে একটা জাতি বহু সময়ে তার সঙ্কটকেও শক্তিতে পরিণত করতে পারে, সমাজকে রুপান্তরিত করে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। একটা সমাজ মন্দীভূত হতে থাকলে সঙ্কটটা দীর্ঘ মেয়াদে তার ছাপ রাখে, আর বিশ্বমঞ্চেও তার গুরুত্ব লঘুতর হতে থাকে। বৈশ্বিক করোনা সঙ্কট শেষে চীন আরও বড় শক্তি হসেবে আবির্ভূত হবে, যুক্তরাষ্ট্রের মত যে অবরোধ জারি করে ইরানের মত দেশে করোনা পরিস্থিতিকে অমানবিক করে তোলেনি, বরং পশ্চিমা দেশগুলোরও পাশে দাঁড়িয়েছে।
চীন থেকে সস্তা কারখানাগুলো এমনকি করোনা না থাকলেও বিদায় নিতে বাধ্য হতো, কারণ চীনের শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে। মজুরি বৃদ্ধি পাওয়া সঙ্কট না, এইটা দেশটার অর্জন। মজুরি বৃদ্ধিকে সঙ্কট ভাবতে পারে যারা, সেই মুনাফাগন্ধীদেরও সমাজে দরকার, কিন্তু কঠোর নিয়ন্ত্রণেই রাখাটাই দরকার সমাজের বাকি সকলের বিকাশের স্বার্থে। কোরিয়ার মতো রাষ্ট্র কয়েক দশক পোষাক কারখানা চালিয়ে যে ত্বরণ অর্জন করেছিল, তা তাদের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করতে ভূমিকা রেখেছিল। বাংলাদেশ সেই একই পোষাক কারখানা চালিয়ে বিশ্বের প্রধান টাকা পাচারের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বহু পিছনে থাকা ভিয়েতনামও আমাদের বহুগুণ সামনে আছে। এগুলোর কার্যকারণ অনুসন্ধান ছাড়া কার সমাপ্ত কার শুরু, সেই সব অনুমানে যাওয়া অর্থহীন।

  • সর্বশেষ