শিরোনাম
◈ চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে বড় অবনতি, চাপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ◈ প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ◈ ২০২৭ সালে গোল্ডেন ভিসার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করবে পর্তুগাল সরকার ◈ আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার, ধানের দাম ৩৫ টাকা কেজি ◈ দুর্নীতির কারণে কার্যকারিতা হারিয়েছে অনেক সমবায় সমিতি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ◈ উৎপাদন এলাকায় কম, ঢাকায় কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শীতের সবজি ◈ লিও‌নেল মে‌সি আবারও গোল্ডেন বুট জিতলেন ◈ এমবাপ্পের টানা সপ্তম ম্যাচে গোল, ভ্যালেন্সিয়াকে উড়িয়ে দিলো রিয়াল মা‌দ্রিদ ◈ ফরেস্টের কাছে হেরে হ্যাটট্রিক হারের লজ্জায় ম‌্যান‌চেস্টার সিটি

প্রকাশিত : ২০ মার্চ, ২০২০, ০৫:০৫ সকাল
আপডেট : ২০ মার্চ, ২০২০, ০৫:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভালো কিংবা মন্দ যাই হোক, মন্দা পরবর্তী বৈশ্বিক পুনর্গঠনে চীন সবচেয়ে বড় শক্তিকেন্দ্র হিসেবে আসবে

ফিরোজ আহমেদ : কয়েকদিন আগে প্রথম আলোতে ‘চীনের সমাপ্তি, শুরুটা তবে কার’ এই রকম একটা শিরোনাম দেখে ভড়কে গিয়েছিলাম। দুনিয়ার করোনা-উত্তর বিশ্বের কারখানা হিসেবে চীন তো বিগত, এবার কার আবির্ভাব হবে, সেটা ছিল লেখাটার আলোচনার বিষয়। ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, মেক্সিকো ইত্যাদি। তখনই ভেবেছিলাম, একটু তাড়াতাড়ি লেখাটা লিখে ফেলেছেন তারা। মহামারীটা দুনিয়াব্যাপী ছড়ায় কি না, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করেননি, অপেক্ষা করেননি এই মহামারী সামলাতে চীনের সামাজিক ক্ষমতা কতখানি কার্যকর, তা দেখতে। চীনের হাজারো সমস্যা আছে, সত্যি। কিন্তু সামজিক ত্বরণের মাঝে থাকলে থাকলে একটা জাতি বহু সময়ে তার সঙ্কটকেও শক্তিতে পরিণত করতে পারে, সমাজকে রুপান্তরিত করে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। একটা সমাজ মন্দীভূত হতে থাকলে সঙ্কটটা দীর্ঘ মেয়াদে তার ছাপ রাখে, আর বিশ্বমঞ্চেও তার গুরুত্ব লঘুতর হতে থাকে। বৈশ্বিক করোনা সঙ্কট শেষে চীন আরও বড় শক্তি হসেবে আবির্ভূত হবে, যুক্তরাষ্ট্রের মত যে অবরোধ জারি করে ইরানের মত দেশে করোনা পরিস্থিতিকে অমানবিক করে তোলেনি, বরং পশ্চিমা দেশগুলোরও পাশে দাঁড়িয়েছে।
চীন থেকে সস্তা কারখানাগুলো এমনকি করোনা না থাকলেও বিদায় নিতে বাধ্য হতো, কারণ চীনের শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে। মজুরি বৃদ্ধি পাওয়া সঙ্কট না, এইটা দেশটার অর্জন। মজুরি বৃদ্ধিকে সঙ্কট ভাবতে পারে যারা, সেই মুনাফাগন্ধীদেরও সমাজে দরকার, কিন্তু কঠোর নিয়ন্ত্রণেই রাখাটাই দরকার সমাজের বাকি সকলের বিকাশের স্বার্থে। কোরিয়ার মতো রাষ্ট্র কয়েক দশক পোষাক কারখানা চালিয়ে যে ত্বরণ অর্জন করেছিল, তা তাদের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করতে ভূমিকা রেখেছিল। বাংলাদেশ সেই একই পোষাক কারখানা চালিয়ে বিশ্বের প্রধান টাকা পাচারের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বহু পিছনে থাকা ভিয়েতনামও আমাদের বহুগুণ সামনে আছে। এগুলোর কার্যকারণ অনুসন্ধান ছাড়া কার সমাপ্ত কার শুরু, সেই সব অনুমানে যাওয়া অর্থহীন।

  • সর্বশেষ