শিরোনাম
◈ ইংল্যান্ডকে রুখে দিয়ে নকআউটের দ্বারপ্রান্তে ঘানা ◈ হরমুজের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনায় যৌথ ঘোষণা ইরান-ওমানের ◈ ভারতের ছত্তিশগড়ে মিলল ১.২২ ক্যারেটের পাঁচটি মূল্যবান হীরা ◈ শিল্পায়ন, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতার নতুন দিগন্ত ◈ বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে: ফিফার পোস্ট ◈ এক গো‌লেই মেসিকে ছাড়িয়ে রোনালদোর বিশ্ব রেকর্ড ◈ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে যাওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কৃষক কার্ড নেওয়া আলোচিত সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন ◈ বাংলাদেশের বৃহত্তম বন্দরে সৌদি পরিচালিত টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হবে আগামী মাসে ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে সেবা দিতে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস

প্রকাশিত : ১৪ মার্চ, ২০২০, ০২:৩৪ রাত
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০২০, ০২:৩৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আর্থিক সংকটে কক্সবাজারে লবণ চাষীরা

এম. আমান উল্লাহ, কক্সবাজার প্রতিনিধি: [২] লবণের মূল্য বৃদ্ধি পাবে এমন আশায় উৎপাদিত লবণ বিক্রি না করায় এ আর্থিক সংকটের কারণ বলছেন তারা। প্রতিশ্রুতির একটিও বাস্তবায়ন না দেখায় চাষীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। বিসিক মাঠ পর্যায়ে ১ লাখ মেট্রিক টন লবণ আমাদিনর প্রক্রিয়া শুরু করলেও তা অদ্যবদি শুরু না হওয়ায় লবণের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছেন না এমন অভিযোগ চাষীদের।

[৩] চাষীরা জানান, লবণ মাঠে এখন অবিক্রিত লবণের স্তুপ পড়েছে। বেসরকারি খাতে কয়েকটি কোম্পানি লবণ আমদানির ঘোষণা দিলেও মাঠ পর্যায়ে বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়েনি এ ঘোষণার। সম্প্রতি লবণ চাষী সমাবেশ করে শিল্পমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির প্রভাব পড়েনি চাষীদের মাঝে। যার ফলে হতাশায় দিন কাটানো ছাড়া আর কোন উপায় দেখছেন না তারা।

[৪] প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, একটি অসাধু ও অতি মুনাফালোভী লবণ সিন্ডিকেটের কারণে দেশের বাজার অস্থিতিশীল। এতে সঠিক দাম পায় না প্রান্তিক লবণচাষীরা। লবণ শিল্প বিরোধী চিহ্নিত চক্রকে দমন করতে না পারলে আগামী দিনে লবণ শিল্প খাত আরও কঠিন অবস্থার মুখোমুখি হবে।

[৫] তাদের অভিযোগ, প্রতিদিনই ফিনিশ লবণ দেশে ঢুকছে। যা কম দামে বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। টেক্স ফ্রি সোডিয়াম সালফেট ছড়িয়ে দিচ্ছে বাজারে। এদিকে বিসিক কর্তৃক ১ লাখ মেট্রিক টন লবণ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হলেও অদ্যবদি তা শুরু হয়নি। মৌসুম প্রায় শেষ হওয়ার পথে।

[৬] বিসিক কক্সবাজারের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সৈয়দ আহামদ জানান, মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ চাওয়া হয়েছে। অর্থ ছাড় পেলেই প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে লবণ কেনার প্রক্রিয়া শুরু করবে বিসিক। আর মাঠ থেকে লবণ কেনা শুরু হলে স্থিতিশীলতা আসবে। সম্পাদনা: তিমির চক্রবর্ত্তী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়