প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ওমরা পালনে মোটর সাইকেলে সৌদি আরব যাত্রা

ওবায়দুল হক মানিক, আমিরাত প্রতিনিধি : [২] চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ভ্রমণ পিপাসু তরুণ মো: মাসদাক চৌধুরী। জন্ম ওমানের সোহারে। তিনি এক দুঃসাহসিক অভিযানে নেমেছেন। সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম থেকে সড়কপথে তার বাহন হচ্ছে চট্টগ্রাম নাম্বারপ্লেটের একটি মোটরসাইকেল।

[৩] বুকে আছে লাল-সবুজের বাংলাদেশের জন্য কিছু করে যাওয়ার অদম্য শ্লোগান ‘রাইড ফর দ্য নেশন’। এরই মধ্যে ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি দুর্গমপথ পাড়ি দিয়ে তিনি গত ৬ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছেন।

[৪] তার মূল অভিযান শুরু হয় গত ২৯ সেপ্টেম্বর। চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা করে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে কলকাতায় পৌঁছান, এরপর ভারত থেকে সড়কপথে ২ হাজার ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিয়ে ৭ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের ওয়াগগা বর্ডারে আসেন।

[৫] কেন বাইকযোগে ট্রাভেল করা বেছে নিলেন এ প্রশ্নের উত্তরে মাসদাক বলেন, “আমি একজন মোটর ট্রাভেলার ও বাইক লাভার। আমার আগে বাংলাদেশের কেউ নিজস্ব মোটরবাইকে এতগুলো দেশ সফর করেননি। তাছাড়া বাইকে ট্রাভেল করলে কোন বাইণ্ডিংস থাকে না, ম্যাক্সিমাম ফ্রিডম থাকে। ডিফারেন্ট রোড কণ্ডিশনে ট্রাভেল করা যায়। বাইকে ট্রাভেল করা ইকনোমিক। এসব কারণে বেসিকলি আমি বাইকে ট্রাভেল করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।”

[৬] ৭ অক্টোবর পাকিস্তানে প্রবেশের পর তিনদিন লাহোরে অবস্থানের পর পাকিস্তান থেকে তার সফরের অপর রাইডিং পার্টনার আবু সাঈদের ট্রাভেলের পেপারওয়ার্ক সম্পন্ন না হওয়ায় তার অনুরোধে ফিরে যান দেশে। ৯ ডিসেম্বর তারা পাকিস্তান এসে দুজন একসঙ্গে আবার শুরু করেন অভিযান।

[৭] কখনো জনমানবহীন ধু ধু প্রান্তর, কখনো বর্ষণসিক্ত পিচ্ছিল কর্দমাক্ত সড়ক, কখনোবা তুষারাবৃত বৈরী আবহাওয়ার দুর্গমপথ পাড়ি দিয়ে এ অভিযানে অংশ নিতে হয় তাদের। সুপার হাইওয়ে হলে সর্বোচ্চ চারশ কিলোমিটার পর্যন্ত দিনে গড়পড়তা সফর করেছেন। পাঁচটি দেশের মধ্য দিয়ে সফর পরিকল্পনা থাকলেও সে সময় ইরানি জেনারেল হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় বর্ডারে কড়াকড়ি আরোপ থাকায় পাঞ্জাব, খাইবার পাখতুন দক্ষিণ বেলুচিস্তান হয়ে তাদের ইরানে প্রবেশ করা আর সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে তার অভিযানের সঙ্গী আবু সাইয়ীদের বাবা অসুস্থ হলে তিনি আবার দেশে ফিরে যান। সম্পাদনা: তিমির চক্রবর্ত্তী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত