প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনাভাইরাস: চীন থেকে সন্তানদের ফেরত আনতে মা-বাবাদের আর্তনাদ

যুগান্তর : করোনাভাইরাস বিস্তারের মূলকেন্দ্র উহানে আটকেপড়া সন্তানদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তানে বিক্ষোভ করেছেন অভিভাবকরা। রোববার করাচিতে সমাবেশে ‘আমাদের সন্তানদের ফিরিয়ে আন’ বলে স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

চীনের হুবেই প্রদেশে হাজারখানেক পাকিস্তানি আটকা পড়েছেন। প্রদেশটির রাজধানী উহানের একটি সামুদ্রিক প্রাণীর কেনাবেচার বাজার থেকে গত ডিসেম্বরে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে এখন পর্যন্ত ১৬ হাজারের বেশি লোক মারা গেছেন।

দেশটির সরকার অচলাবস্থা জারি করলে কেউ সেখান থেকে বের হতে পারছেন না। কিন্তু তবে আটকেপড়া নাগরিকদের বেশ কয়েকটি দেশ ফিরিয়ে নিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার সম্ভবনা নাকচ করে দিয়েছে দেশটির সরকার।-খবর রয়টার্স

শুক্রবার এক টুইটবার্তায় পাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাফর মির্জা বলেন, বুধবার ইসলামাবাদে অভিভাবকদের সঙ্গে তিনি ও অন্যান্য মন্ত্রীরা বৈঠক করেছেন। শিক্ষার্থীদের যত্ন নিশ্চিত করতে চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তারা কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন।

কিন্তু প্রতিবেশী দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকলে অভিভাবকরা শঙ্কিত হয়ে পড়েন। ভারত ও বাংলাদেশের দৃষ্টান্ত তুলে সন্তানদের ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।

নাম প্রকাশে এক অনিচ্ছুক এক বিক্ষোভকারী বলেন, আমাদের সন্তান ফেরত আনতে সরকারি প্রতিনিধিদের কাছে আমরা আল্লাহর দোহাই দিয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি। দয়া করে একজন মায়ের কান্না আপনারা শুনুন।

তিনি যখন গণমাধ্যমে কথা বলছিলেন, তখন তার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছিল। এর আগে লাহোরেও চীনা কনস্যুলেটের বাইরে কয়েক ডজন অভিভাবককে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাফর মির্জার এক মুখপাত্র সাড়া দিতে অস্বীকার জানিয়েছেন। টুইটারে তিনি বলেন, ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া পাকিস্তানি শিক্ষার্থীরা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আক্রান্ত একজনের চিকিৎসা চলছে।

মীর হাসান নামের এক শিক্ষার্থী চীনে আটকা থাকা অবস্থায় পাকিস্তানে তার বাবা হৃদরোগে মারা গেছেন। বাবার মৃত্যুর শোকের পরেও তাকে দেশে ফেরত নিয়ে আসতে অস্বীকার করছেন পাকিস্তানি কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত