শিরোনাম
◈ বয়কট আলোচনার ম‌ধ্যে টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপের জন্য বিমা‌ন বুক করেছে পাকিস্তান  ◈ এক যুগ পর আজ শুরু হচ্ছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট ◈ ১৮ মিনিট আগেগণভোটে 'হ্যাঁ' অথবা 'না' এর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা ◈ রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পেতে বাধা কাটলো   ◈ বাংলা‌দেশ বিশ্বকাপ খেল‌ছে না ব‌লে খা‌লেদ মাহমুদ সুজ‌নের হৃদয়ে রক্তক্ষরণের অনুভূত হ‌চ্ছে ◈ জয় শাহর ৮ বার কল, সাড়া দিলেন না পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভি ◈ জামায়াত নেতা হত্যা: ঝিনাইগাতীর ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার ◈ আগামীকালই হবে ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা ◈ রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান প্রত্যাবাসন: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ৪০ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি

প্রকাশিত : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৫৬ দুপুর
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৫৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

তিমির চক্রবর্ত্তী: বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। ২০১৯ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে পেঁয়াজের দাম ছিল আকাশচুম্বি। এরপর বিদেশ থেকে টনকে টন পেঁয়াজ আনা হলেও দাম কমার কোনো লক্ষণ দেখা গেল না। বাজারে এখন দেশি পেঁয়াজের কেজি ১৪০ টাকা ও আমদানি করা ছোট পেঁয়াজ ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা এবং বড় পেঁয়াজ তুরস্ক ও মিসরীয় ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রথম আলো

শুধু পেঁয়াজ নয় বর্তমানে চাল, তেল, ডাল, মসলাসহ, বাজারে সব পণ্যেরই দাম চড়া। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৪৮-৫৪ টাকা, মাঝারি বিআর-২৮ চাল ৩৮-৪৪ টাকা, মোটা চাল ৩২-৩৫ টাকা, নাজিরশাইল ৫০-৬০ টাকা, বাশমতি দেশী ৭০-৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন আগে মিনিকেট চাল ৪৫-৪৮ টাকা, মাঝারি বিআর-২৮ চাল ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হতো।

অনেকের মতে, চাল রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে, সরকারের এই ঘোষণায় চালের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশে রপ্তানিকারকেরা নানা প্রণোদনা পেলেও উৎপাদকেরা তেমন প্রণোদনা পান না। চালের দাম বাড়লেও কৃষক ধানের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না।

অপরদিকে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৯৫-১০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০-৯৫ টাকা। পাম তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির ডিমের দামও ডজনপ্রতি ১০ টাকা বেড়েছে। কিছুদিন আগেও ডিমের ডজন ছিল ৯০-৯৫ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১০৫ টাকা। অর্থাৎ মসলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যেরই দাম বেড়েছে।

পণ্যের দাম বাড়ার জন্য খুচরা বিক্রেতারা দায় চাপান পাইকারি বিক্রেতাদের ওপর। পাইকারি বিক্রেতারা আমদানিকারকদের দোষারোপ করেন। এমন পরিস্থিতিতে গচ্ছা দিতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাকে। আমাদের দেশের আমদানি বাজার কয়েকটি বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি। তারা নিজেদের খেয়ালখুশি মতো দাম বাড়িয়ে থাকে। এদের কাছে সরকারকেও অসহায় মনে হয়।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে স্বল্প ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ। তাদের পক্ষে খাদ্যের চাহিদা মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও, তদারকির কাজটি তো করতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়