শিরোনাম
◈ মেলিওডোসিসে মৃত্যুঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত ২ জিনগত পরিবর্তন শনাক্ত করলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ◈ বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ 'আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে'  ◈ ক্রিকেট বো‌র্ডে নির্বাচনের লক্ষ্যে সংবিধান প্রণয়নের পথে শ্রীলঙ্কা ◈ ভারতের কাছে ১৩ গোলের লজ্জায় বাংলাদেশ ◈ ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ছাড়াল ৪৭ বিলিয়ন ডলার ◈ ঢাকার পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণে ১০০ কোটি ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ◈ নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ তিন সার কারখানা চালুর উদ্যোগ সরকারের ◈ গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দার বৈঠকের অভিযোগ, প্রমাণ দিতে রাশেদ খানকে জামায়াতের চ্যালেঞ্জ ◈ ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী, রিয়াদ বিমানবন্দরে বুধবার থেকে ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:০৩ দুপুর
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:০৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিপদে আল্লাহর সাহায্য পাবেন যেভাবে

মাজহারুল ইসলাম : পরিবেশ পরিস্থিতিও অনেক সময় পরিবর্তন হয়। কখনও মানুষের জন্য তা হয়ে উঠে অনুক‚ল আবার কখনও বা প্রতিক‚ল। এটাই আল্লাহর চিরাচরিত নিয়ম। মহান আল্লাহ কুরআনে ইরশাদ করেছেন, (হে রাসুল আপনি) বলুন, হে আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান করো এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও। যাকে ইচ্ছা সম্মান দান করো আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত করো। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ২৬) জাগোনিউজ

মুমিন বান্দা কখনও কোনও বিপদেই হতাশ হয় না। কোনও পেরেশানিই তাকে বিচলিত করতে পারে না। কারণ বিপদ-আপদ মহান আল্লাহর পক্ষতে মুমিন বান্দার জন্য এক মহাপরীক্ষা। আল্লাহ তাআলা নৈকট্য লাভে এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বিকল্প নেই। যুগে যুগে নবি-রাসুল, ওলি-আওলিয়া, আলেম-ওলামাগণ বহু পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। যে যতো বেশি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, আল্লাহর দরবারে তিনি ততোবেশি মর্যাদার অধিকারী হয়েছেন।

বিপদ যতো ছোট বা বড় হোক। দু’টি কাজের মাধ্যমে মুমিন বান্দার এ সমাধান খুঁজবে। দুই উপায়ে সাহায্য চাইলে আল্লাহ বান্দার সব বিপদ সহজ করে দেবেন। এ কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে। ভালোমন্দ সবকিছু আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার উপকারের জন্যই সংঘটিত হয়। তাই সর্বাবস্থায়, সব ব্যাপারে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করা উচিত। বিপদ-আপদ ও সংকট মোকাবেলায় আল্লাহর সাহায্যের কাছে দুনিয়ার কোনও সাহায্যই সমকক্ষ হতে পারে না। রাতের বেলা সাধারণ বাতাসে যদি কারও আলো নিভে যায় কিংবা বিদ্যুৎ চলে যায়, তাতেও আল্লাহকে স্মরণ করা, আর বলা, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। কোনও হাতাশা বা পেরেশানিতে পরলেও বলা, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মনে রাখতে হবে, যদি কোনও ব্যক্তি আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা কোনও দোয়া না জানেন, তবে তার এটিই যথেষ্ট যে, দুনিয়ার সব বিপদে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার নিয়তে ‘আল্লাহ, আল্লাহ’ জিকির করা। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তার বান্দার সহজ-কঠিন সব বিপদ দূর করে দেবেন। মহান আল্লাহ তাআলার ঘোষণাও এটি। আল্লাহ তাআলা বান্দাকে লক্ষ্য করে কুরআনে ঘোষণা করেন, তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি (তোমাদের ডাকে) সাড়া দেবো। যারা আমার ইবাদতে (হুকুম পালনে) অহংকার করে তারা শীঘ্রই লাঞ্জিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (সুরা মুমিন : আয়াত ৬০)

সুতরাং বিপদ যতো বেশি এবং যতো কঠিনই হোক না কেনো, তাকদিরের ওপর অগাধ আস্থা এবং বিশ্বাস রেখে আল্লাহর কাছে অন্তর থেকে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। তিনিই সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। এমন বিশ্বাসে সাহায্য প্রার্থনা করলে, বান্দার আবেদন বিফলে যাবে না। আল্লাহ তাআলা বান্দার সব বিপদ দূর করে দেবেন।

  • সর্বশেষ