প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘ঋণখেলাপি’কে ঋণখেলাপি বলা যাবে না এমন আইন করে সংখ্যা কমানো হয়েছে

 

গোলাম মোর্তোজা : সংবিধান তাদের ক্ষমতা দিয়েছিলো তারা জনগণের পক্ষে কাজ করবেন বলে। কিন্তু সেই ক্ষমতাকে নির্বাচন কমিশনাররা ব্যক্তিগত অর্জন ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের কাজে ব্যবহার করছে। দেশ এবং জনস্বার্থ তাদের বিবেচনার ন্যূনতম অংশজুড়েও নেই। সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার টাকা দেয় সরকার। ড্রাইভারের বেতন ও গাড়ি রক্ষণাবক্ষণের খরচও দেয় সরকার। দুয়েকজন ছাড়া সরকারি গাড়ি আগেও তারা যেভাবে ব্যবহার করতেন, এখনো সেভাবেই ব্যবহার করেন।

অথচ ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার সুবিধা দেওয়া হয়েছিলো একথা বলে যে, এতে সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ করা হয়েছিলো ‘ঘুষ কমবে’ যুক্তি দেখিয়ে। কিন্তু ঘুষ কমেনি, সম্ভবত আরও বেড়েছে। ঋণখেলাপি কমানোর অঙ্গীকার ছিলো সরকারের। কিন্তু ঋণখেলাপির সংখ্যা ১০ বছরে ৫-৭ গুণ বাড়ানো হয়েছে। ‘ঋণখেলাপি’কে ঋণখেলাপি বলা যাবে না, এমন আইন করে সংখ্যা কমানো হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত