প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সীমান্তহত্যার আর্ন্তজাতিক মানের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন

আরিফ মাহবুব : আপনি মিস্তি, কী মন্ত্রী যেই হোন না কেন, স্বাধীনতার পক্ষের কী বিপক্ষের প-িত কিনা সেটার দেখার বিষয় নয়, সরকারি দলের মন্ত্রী কী চাপরাশি যেই হোন না কেন, বাঙালিদের চরিত্র নিয়ে বাংলাদেশের একজন মন্ত্রীর ‘আসলে আমাদের চরিত্র যদি ভালো না হয় পরের দোষ দিয়ে লাভ নেই’। জাতীয় কুৎসিত মন্তব্য করা খুবই দুঃখজনক, আপনাকে বিনয়ের সঙ্গে এমন মন্তব্য প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনাকে আরও একটি বিষয়ে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে রাখছি যে আপনি বাংলাদেশ সরকারের অধীনে জনগণের টাকায় বেতনভুক্ত একজন মন্ত্রী তার মানে এই নয় যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে ভারতের বিএসএফের পক্ষে সাফাই গাওয়ার অধিকার আপানকে দেওয়া হয়েছে।

নওগাঁ জেলার পোরশা সীমান্তে ২২ জানুয়ারি ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীদের হাতে তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়, তাই উক্ত ঘটনার আন্তর্জাতিক মানের তদন্ত প্রয়োজন। গরুচোর, চোরাকারবারি, স্মাগলারদের অত্যাচারে বিএসএফ যতোই অতিষ্ঠ হোক না কেন, সীমান্তে কাউকেই গুলি করে হত্যা করা নীতিবহির্ভূত কর্মকা-, এ সব হত্যাকা-ের পক্ষে ভারতের কোনো মন্ত্রী যদি বিএসএফের পক্ষে মন্তব্য করতো তবে সে বিষয়ে আমাদের হয়তো কিছুই বলার ছিলো না, কিন্তু বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রী বিএসএফের পক্ষে স্পোকম্যানের মতো বক্তব্য দেওয়াটা মোটেই শোভনীয় নয়। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন কোনোভাবেই সীমান্তে গুলি করে হত্যা করার বিষয়টি আইন অনুযায়ী একেবারেই যুক্তিসঙ্গত নয়, বিষয়টি নিয়ে কী একটিবারের জন্যও মাননীয় মন্ত্রীর চিন্তা করার সময় ছিলো না? মাননীয় মন্ত্রী মশাই আপনি ভুলে গেলেও আমরা ভুলিনি যে ২০১১ সালে কুড়িগ্রাম সীমান্তে কিশোরী ফেলানী খাতুনকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর বিএসএফ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো যে সীমান্ত হত্যাকা- তারা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনবে, যেকোনো পরিস্থিতিতে বিএসএফ প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে বিরত থাকবে, কিন্তু ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ১১ বছরে প্রায় সাড়ে তিনশ বাংলাদেশি নাগরিককে সীমান্তে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত