শিরোনাম
◈ তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান, ইসরায়েলজুড়ে বাজলো সাইরেন ◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:২৯ সকাল
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লিবিয়া যুদ্ধে

 

মোজাম্মেল হোসেন তোহা :  ১. জেনারেল খালিফা হাফতার ছিলেন আশির দশকে এবং আর্লি নাইন্টিজে সিআইএর লোক। সিআইএর সাহায্য নিয়ে তিনি গাদ্দাফিকে উৎখাত করার চেষ্টা করেছিলেন। ২. যুদ্ধের প্রথম কয়েকমাস হাফতারের ত্রিপোলি অপারেশন রুমের পরিচালক, জেনারেল আব্দুস সালাম আল-হাসি ২০১১ সালে ছিলেন বেনগাজীতে ন্যাটোর সঙ্গে বিদ্রোহীদের প্রধান কোর্ডিনেটর। তার অফিসের ফোন থেকে তিনি সরাসরি ন্যাটো এবং আফ্রিকমের জেনারেলদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন এবং তাদের গাদ্দাফি বাহিনীর লোকেশন দিতেন বম্বিং করার জন্য। ৩. অফিসিয়ালি জিএনএর প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের প্রধান যদিও ফায়েজ আল-সাররাজ, কিন্তু বাস্তবে তিনি মিসরাতি মিলিশিয়াদের হাতে অনেকটা জিম্মি।

ত্রিপোলিভিত্তিক সরকারকে এবং ইনফ্যাক্ট সাররাজকেও বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করছে তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ফাতহি বাশাগা, সাবেক মিসরাতি মিলিশিয়া লিডার। ২০১৬ সালে সিরতে আইএস-বিরোধী যুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন আফ্রিকমের সঙ্গে লিবিয়ান গ্রাউন্ড ফোর্সের প্রধান কোর্ডিনেটর। নিচে থেকে তিনিই আইএসের লোকেশনগুলো আমেরিকাকে দিতেন এবং আমেরিকা সে সব লোকেশনে বম্বিং করতো। আমেরিকানদের একটা টিম এখনো ওয়ার অন টেররের অংশ হিসেবে মিসরাতায় আছে। ৪. তুরস্ক লিবিয়াতে যে ২,০০০ সিরিয়ান মার্সেনারি পাঠিয়েছে, এক রিপোর্ট অনুযায়ী তাদের মধ্যে অতি ক্ষুদ্র হলেও একটা অংশ আছে সিআইএর ট্রেনিং পাওয়া। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের শুরুর দিকে তুরস্ক এবং আমেরিকা যখন ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলো তখন তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার কোর্ডিনেশনে সিআইএ যেসব ফ্রি সিরিয়ান ‘আর্মি’কে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলো, তাদের মধ্যে কয়েকজন এখন লিবিয়াতে যুদ্ধ করছে। সিরিয়ার যুদ্ধের সময় যখন নিউজ আসতো, সেখানে সিআইএ ব্যাকড রেবেলরা পেন্টাগন ব্যাকড রেবেলদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তখন হাসি আসতো। এখন আর হাসি আসে না। এখন দেখছি এটাই স্বাভাবিক। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়