প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যত খুশি বিরোধিতা হোক, সিএএ থাকছেই’‌, দিল্লিতে সদর্প ঘোষণা অমিত শাহের

রাশিদ রিয়াজ : বিরোধীরা যতই সুর চড়াক, সিএএ কেন্দ্র কিছুতেই প্রত্যাহার করবে না। মঙ্গলবার লখনউয়ে উত্তর প্রদেশ বিজেপি আয়োজিত ‘‌‌জন জাগরণ অভিযান’‌–এ ফের একথা ঘোষণা করলেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির অসহায় সংখ্যালঘুদের ভারতে নতুন জীবন শুরুর সুযোগ দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন অমিত। তাঁর সদর্প ঘোষণা, ‘‌আমি এখানে লখনউয়ে ঘোষণা করছি যে সিএএ–র বিরুদ্ধে যে খুশি প্রতিবাদ করতে পারে। তাঁদের এব্যাপারে পূর্ণ স্বাধীনতা আছে। কিন্তু এই আইন প্রত্যাহার হবে না।’‌

অমিতের অভিযোগ, দেশভাগের পর বহু হিন্দু, পার্সি, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন এবং খ্রিস্টান যাঁরা পাকিস্তানে রয়ে গিয়েছিলেন তাঁদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে। জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। এদিনও পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের ভারতে শরণ দেওয়া ইস্যুতে মহাত্মা গান্ধীর বক্তব্যকে উল্লেখ করে অমিত বলেছেন, গান্ধীজির মতকে সমর্থন করেছিলেন নেহরু, ইন্দিরা, রাজেন্দ্র প্রসাদ, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মতো দেশনায়করাও। অমিত বলেন, ‘‌দেশভাগের সময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ৩০ শতাংশ এবং পশ্চিম পাকিস্তানে ২৩ শতাংশ ধর্মীয় সংখ্যালঘু ছিলেন। কিন্তু এখন সেটা পাকিস্তানে তিন এবং বাংলাদেশে সাত শতাংশ মাত্র। সিএএ–বিরোধীদের কাছে আমার প্রশ্ন ওই সব মানুষরা কোথায় গেলেন।’‌

দেশভাগের জন্য এদিনও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন অমিত, ‘‌ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হয়েছিল কংগ্রেসের ভুল কাজের জন্য। ১৯৪৭ সালের ১৬ জুলাই কংগ্রেস ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের প্রস্তাব মেনে নিয়েছিল।’‌ ভোলেননি বিজেপির অন্যতম বিরোধী মমতা ব্যানার্জিকে কটাক্ষ করতেও। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তাঁর মন্তব্য, ‘মমতাজি ২০০৩ সালে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তাহলে এখন সিএএ নিয়ে তাঁর সমস্যা কোথায়।’‌ অখিলেশ যাদবকেও তুলোধনা করেছেন অমিত। মুসলিমদের প্রতি তাঁদের সরকার যে সহানুভূতিশীল তা উল্লেখ করতে জম্মু–কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ এবং তাৎক্ষণিক তিন তালাক আইন করে বন্ধ করে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত