শিরোনাম
◈ ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, ‘ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের’ শঙ্কা মানবাধিকার সংস্থার ◈ নির্বাচনের পর কী করবেন ড. ইউনূস, জানাল প্রেস উইং ◈ বন্দরকে না জানিয়েই উধাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’ ◈ সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিবৃতি না দেওয়ার অনুরোধ ◈ আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচন: ইসিতে দ্বিতীয় দিনের আপিলে ৫৭ জন বৈধ ◈ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না, ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, সহিংসতা - হাসপাতালে 'লাশের স্তুপ', চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা  ◈ প‌্যারাগু‌য়ের কারাগারে আন‌ন্দেই কা‌টি‌য়ে‌ছেন, অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর‌লেন ব্রা‌জি‌লিয়ান রোনালদিনহো ◈ গণভোটে সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে আইনগত বাধা নেই: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:২৭ সকাল
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশি বলে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো বেঙ্গালুরের একটি বস্তি

মাজহারুল ইসলাম : কোনো প্রমাণ ছাড়াই বেঙ্গালুরু কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে সেখানকার একটি বস্তির কয়েক’শ বাসিন্দাকে উচ্ছেদ করেছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শনিবার শহরের মারাঠা হালল্লির কাছের ওই বস্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এতে আশ্রয় হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে দিন কাটাচ্ছেন আসাম, ত্রিপুরা ও কর্ণাটক থেকে কাজের খোঁজে সেখানে আসা ওইসব বাসিন্দারা।

এর আগে ১১ জানুয়ারি ওই জমির মালিককে একটি নোটিশে বেঙ্গালুরু পুলিশ জানায়, এলাকার পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় ওই জমি খালি করতে হবে। কিন্তু ওই বস্তির বাড়িঘর ভেঙে দেয়ার পর একটি চিঠি দিয়ে বেঙ্গালুরু কর্তৃপক্ষ জানায়, সেখানে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা বেআইনিভাবে ঘর তৈরি করে বসবাস করছে।

অথচ উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দারা দাবি করেন, তারা কেউই বাংলাদেশি নন। তাদের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের নথিপত্র রয়েছে। আসাম থেকে আসা ওই বস্তির বাসিন্দা আবদুর রহমান বলেন, ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে আমাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। এখানে কাজ করে সংসার চলে আমাদের।

ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ওই বস্তির বাসিন্দারা আধার কার্ড, ভোটার কার্ড দেখিয়েছেন। আবার এনআরসিতে যে তাদের নাম রয়েছে, সে রাজ্য থেকে আসা কয়েকজন সেই নথিও দেখিয়েছেন। বেঙ্গালুরুর ডেপুটি পুলিশ কমিশনার এম এন অনুচেথের বলেন, আমরা জমির মালিককে শুধু বাসিন্দাদের বৈধ কাগজ দিতে বলেছিলাম। সম্পাদনা : ইয়াসিন আরাফাত

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়