শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকার বেশি নয়, অতিরিক্ত নিলেই কঠোর ব্যবস্থা ◈ ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে মিরপুরে ফের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ঢাকায় সাফ ফুটব‌লে অংশ নি‌তে দ্বিতীয় সারির দল ঘোষণা কর‌লো ভারত ◈ এইচএসসিতে ফেল ৫ লাখ ৯৪ হাজার শিক্ষার্থী, এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা মাসখানেকের মধ্যে ◈ এইচএসসি-সমমানের ফলে বড় ধস, কোন বোর্ডে পাশের হার কত? ◈ এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে সব শিক্ষার্থী পাশ ◈ আলিমে পরীক্ষায় পাশের হার ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ ◈ নতুন বেতনকাঠামো: কাল বর্ধিত বেতন ও ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা, বাদ পড়বেন অনেকে ◈ এবার এইচএসসিতে ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজনও পাশ করেনি ◈ ইসলামের দৃষ্টিতে হ্যালোইন উৎসব: কেন মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ?

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:১৩ দুপুর
আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পরীক্ষা ও বিষয়ের বাড়তি চাপ কমাতে পরিবর্তন হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা

মাজহারুল ইসলাম : মাধ্যমিক বা এসএসসি পর্যায়ে বিভাগভিত্তিক নয় সবাইকে অভিন্ন বই পড়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। আর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে পৃথক দু’টি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসির চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে। এ ছাড়াও বইয়ের সংখ্যা কমিয়ে বিষয়বস্তুতে আনা হচ্ছে পরিবর্তন। ২০২৫ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এসব পরিবর্তন আনারও উদ্যোগ নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এনসিটিবি সূত্রে জানা যায়, বাস্তবতার ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ১৩ জানুয়ারি এনসিটিবির শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জন সমন্বয় কমিটির সভায় একটি রূপরেখার খসড়া প্রস্তুত করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী কোন শাখায় পড়বে, তা ঠিক হবে একাদশ শ্রেণীতে। কমানো হবে বইয়ের সংখ্যাও।

এনসিটিবির শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জন সমন্বয় কমিটির সদস্য প্রফেসর মো: ফরহাদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা আগামী বছর নতুন পাঠ্যবই পাবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণীতেও নতুন শিক্ষাক্রমে নতুন বই দেয়া হবে। আগামী মার্চের মধ্যে শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করে পর্যায়ক্রমে ২০২৫ সালে গিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পুরোপুরি শিক্ষাক্রম বাস্তবায়িত হবে। প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ১০টি অভিন্ন বই পড়ানো হবে। শাখা পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে একাদশ শ্রেণীতে।

নতুন এই শিক্ষাক্রম প্রসঙ্গে গত বৃহ¯পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক অসঙ্গতি রয়েছে। যেসব পাঠ্যপুস্তক পড়ে অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি দেয়া হচ্ছে তা কর্ম ও ব্যক্তিজীবনে কাজে আসে না। আমরা তাদের শুধু শিক্ষিত বেকার করে গড়ে তুলছি। তাই সময় এসেছে আমাদের শিক্ষার্থীদের নতুনভাবে তৈরি করার।
ডাঃ দীপু মনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের নতুনভাবে তৈরি করা হবে। এর আলোকে শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের কাজ শুরু করা হয়েছে। পরীক্ষা ও বিষয়ের বাড়তি চাপ কমানো হবে। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ