শিরোনাম
◈ অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও কোনোটিতেই বসেনি যানবাহন চলন্ত অবস্থায় ওজন মাপার যন্ত্র ডব্লিউআইএম স্কেল ◈ সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না: মাহদী আমিন ◈ প্রবাসীরা ই-মেইলে অভিযোগ দিলেই সমাধান পাবেন ◈ স্টুডিওতে লুটপাটের পর ‍সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গ্রেট জব, বিএনপি জোস কাজ করছে’ ◈ ভুলের সুযোগে ইংল্যান্ডকে হারাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ◈ ঢাকার মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের কারণ কী? ◈ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আবারও আটক ২৫৪ ◈ বৃদ্ধাশ্রমে সা‌বেক ক্রিকেটার বি‌নোদ কাম্বলি, কেমন আছেন জানালেন নিজেই ◈ বেকারত্ব থেকে অনলাইন জুয়া, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অপরাধ ◈ ইউএনজিএ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১০ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:৩৪ রাত
আপডেট : ১০ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:৩৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমতলীতে ১৯৫ বস্তা ধান জব্দ, উপ-খাদ্য কর্মকর্তার কারাদণ্ড

জিয়া উদ্দিন, আমতলী প্রতিনিধি: আমতলীতে সরকারি ধান ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় ইউএনও মনিরা পারভীন খাদ্য গুদামে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে ক্রয়কৃত ১শ’ ৯৫ বস্তা ধান জব্দ করেন।

এ অনিয়ের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে উপ-খাদ্য পরিদর্শক অঞ্জন কুমার ডাকুয়াকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ধান সরবরাহকারী ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জানা গেছে, এ বছর আমতলী উপজেলায় কৃষকের নিকট থেকে সরকারি ভাবে ১ হাজার ৪০ টাকা মণ দরে ২ হাজার ৯১ টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। খাদ্য বিভাগ ওই ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করবেন।

কিন্তু খাদ্য বিভাগ সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করে স্থানীয় এক শ্রেনীর দালালের মাধ্যমে নিম্নমানের দূর থেকে কম দামে নিম্নমানের ধান ক্রয় করছেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোপনে সেই ধান পৌর শহরের সবুজবাগ এলাকায় অবস্থিত সরকারি খাদ্য গুদামে মজুদ করার সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন।

এ সময় তিনি অবৈধভাবে ধান সরবরাহকারী ফেরদৌস এর নিকট থেকে ১শ’ ৯৫ বস্তা ধান ক্রয়ের সত্যতা পান। ফেরদৌস আমতলী সদর ইউনিয়নের উত্তর টিয়াখালী গ্রামের ৫জন কৃষকের কার্ড সংগ্রহ করে ওই কার্ডের অনুকুলে খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করার জন্য গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার মেসার্স দীপ্ত এন্টারপ্রাইজের মালিক সুনিল সমাদ্দার এর আড়ৎ থেকে নিম্নমানের ধান ক্রয় করে সেই ধান ট্রাক যোগে আমতলী এনে খাদ্যগুদামে সরবরাহ করেন।

এছাড়া উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত) মো. শফিকুল ইসলাম এবং ওসিএলএসডি রবীন্দ্র নাথ মন্ডলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করেন।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা ওসিএলএসডি রবীন্দ্র নাথ মন্ডলকে বার বার তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

আমতলী থানার ওসি মো. আবুল বাশার বলেন, জব্দকৃত ধান পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন বলেন, কৃষকের নিকট থেকে সরাসরি ধান কেনার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তাদের কাছ থেকে ধান না কিনে খাদ্য বিভাগের লোকজন দালালের মাধ্যমে নিম্নমানের ধান ক্রয় করে খাদ্য গুদামে মজুদ করার খবর পেয়ে সেখানে অভিযান পরিচালনা করি। ঘটনার সত্যতা পেয়ে উপ-খাদ্য কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার ডাকুয়াকে ১০ দিনে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ধান সরবরাহকারী ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জব্দকৃত ধান পুলিশের হেফাজতে দেয়া হয়েছে। এ ধান পরবর্তীতে নিলামে বিক্রি করা হবে। সম্পাদনা: জেরিন মাশফিক

  • সর্বশেষ