শিরোনাম
◈ নির্বাচনকে সামনে রেখে পরীক্ষা শুরু, ১২ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা

প্রকাশিত : ০২ জানুয়ারী, ২০২০, ০৯:৩৪ সকাল
আপডেট : ০২ জানুয়ারী, ২০২০, ০৯:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৮ হাজার ৪৬০ পিছ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

মাসুদ আলম : বুধবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বিমানবন্দর থানার কাওলা ফুটওভার ব্রীজ এলাকায় এ অভিযান চলে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- মোহাম্মদ হোসেন ওরফে ভ্ট্টুু ও মো. জাহেদ। এসময় ২ টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৭ হাজার ১৫০শ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় নদী পথে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে মিায়ানমার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ইয়াবার চালানগুলো বিভিন্ন পরিবহনে করে ঢাকাসহ সারাদেশে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করে। তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফাঁকি দিতে মাদক পরিবহনে নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করে থাকে। এই চক্রের অন্যতম সদস্য কক্সবাজারের জনৈক এক মাদক ব্যবসায়ী।

মোহাম্মদ হোসেন জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা। ইতিপূর্বে সে এলাকায় রিকশা চালাতো। সে সবজি বিক্রয়ের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। চালান প্রতি মাদক ব্যবসায়ীরা তাকে ৩০/৪০ হাজার টাকা করে দিতো। জাহেদ একটি পরিবহনে সুপারভাইজার হিসেবে চাকুরী করে। সুপারভাইজারের চাকুরীর পাশাপাশি মোহাম্মদ হোসেনের এর মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ে জড়িত হয়। মাদকদ্রব্য পরিবহনে হোসেনকে সহযোগীতা করে। চালান প্রতি মাদক ব্যবসায়ীরা তাকে ২০/২৫ হাজার টাকা করে দিতো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়