প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কালকিনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নেই কোনো স্যানিটেশন ব্যবস্থা,  দুর্ভোগ চরমে দাতা-গৃহীতাদের

এইচ এম মিলন,কালকিনি প্রতিনিধি : মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নেই কোন স্যানিটেশন ব্যবস্থা। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মোহরী ও দলিল করতে আসা দাতা-গৃহীতাদের। এ দুর্ভোগ চলছে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস প্রতিষ্ঠাকালীন থেকে। এ নিয়ে কোনো মাথা ব্যথার কারণ নেই বর্তমান সাব-রেজিষ্ট্রার কর্মকর্তার।

ভুক্তভোগী ও সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই নেই কোনো টয়লেট। এ পর্যন্ত যত সাব-রেজিষ্ট্রার কর্মকর্তা এসেছেন কেউ জনস্বার্থে অফিসে কোনো টয়লেট নির্মাণ করেননি। তারা দায়সারভাবে চাকরীর রক্ষার্থে শুধু অফিস করে চলে গেছেন। কিন্তু জনস্বাথের্রও কথা ভেবে টয়লেট নির্মাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এভাবে বছরের পর বছর কেটে গেছে কিন্তু স্যানিটেশন ব্যবস্থার কোন উন্নয়ন ঘটেনি। এ পর্যন্ত সাব-রেজিষ্ট্রার একাধিক কর্মকর্তা এসেছেন-গেছেন ঠিকেই কিন্তু টয়লেট নির্মাণ আর হয়নি।

এ অফিসের আওতায় রয়েছে প্রায় ৩০জন স্টাফ ও ৬৫ জন মোহরী। এ উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড ও ১৫টি ইউপি থেকে হাজার-হাজার লোকজন আসে প্রতিনিয়ত দলিল কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য। কিন্তু টয়লেটের অভাবে ওই সকল লোকজনের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু টয়লেটের অভাবে উপজেলার বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও অফিস আদালতে তাদের টয়লেটে করার জন্য দৌড় ঝাপ করতে হয়। এতে করে তাদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ ছাড়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে নেই কোনো গভীর নলকুপ। তাই পানির অভাবে তৃষ্ণা মিটাতে পারছেনা দুর-দুরান্ত থেকে আসা লোকজন। বর্তমানে উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার কর্মকর্তার দায়িত্ব রয়েছেন নূরে তোজাম্মেল । কিন্তু তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পরও স্যানিটেশন ব্যবস্থাসহ নানান সমস্যার বিষয় কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন মোহরী বলেন, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কোনো টয়লেট না থাকায় প্রতিদিন আমাদের মল-মূত্র ত্যাগ করা নিয়ে দূর্ভোগে পরতে হয়। এমনকি অন্যের বাসা-বাড়ি ব্যবহার করতে হচ্ছে। আমরা দ্রæত এখানে টয়লেট নির্মাণের দাবি জানাই।

দলিল কার্যক্রম সম্পন্ন করতে আসা সুমন এবং নাজমুল সরাদার বলেন, আমরা দলিল করতে এসে দেখি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কোন টয়েলেট ব্যবস্থা নেই। তাই আমরা অন্য একটি অফিসে গিয়ে মূত্র ত্যাগ করেছি।

উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার কর্মকর্তা নূরে তোজাম্মেল বলেন, স্যানিটেশস ব্যবস্থায় সরকারিভাবে কোনো বরাদ্দ নেই। তবে বরাদ্দ পেলে টয়লেটের ব্যবস্থা করা হবে।

এ ব্যাপারে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, স্যানেটিশন ব্যবস্থা নেই তবে বিষয়টি আমি দেখব। সম্পাদনা : জেরিন মাশফিক

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত