শিরোনাম
◈ ২০৩০ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ওপর ৫% কার্বন কর আরোপ করবে ইইউ ◈ ব্যাংকঋণে শীর্ষে সরকার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার খাতে বাড়বে ভর্তুকি ◈ ইরান যুদ্ধ ঠেকাতে মাঠে চীন-পাকিস্তান, ৫ দফা পরিকল্পনা প্রকাশ ◈ সংবিধান সংশোধন বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব ◈ সিঙ্গাপু‌রের কা‌ছে এক গো‌লে হে‌রে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করলো বাংলাদেশ ◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০১:০১ রাত
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০১:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতে আদায় বাড়াতে জিএসটির ন্যূনতম হার ১% বৃদ্ধির ভাবনা

রাশিদ রিয়াজ : ভারতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়াতে একাধিক পদ্ধতি গ্রহণের পরিকল্পনা করছে জিএসটি কাউন্সিল। এর মধ্যে যে সমস্ত পণ্য বর্তমানে ৫ শতাংশ জিএসটির আওতায় রয়েছে, সেগুলিকে ৬ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এই ভাবনা বাস্তবায়িত হলে জিএসটি হার ৬ শতাংশ থেকে শুরু হবে। কর পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় রাজকোষে অতিরিক্ত ১,০০০ কোটি টাকার রাজস্ব ঢুকবে বলেই আশা করা হচ্ছে। জিএসটি আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা কেন্দ্র স্থির করেছিল এখন পর্যন্ত তা পূরণ করতে একপ্রকার ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্র। তিন মাস পর নভেম্বরে ফের এক লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডি পার হয়েছে জিএসটি আদায়। যা অবশ্য গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি রাজ্য এবং জিএসটি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারে জিএসটি কাউন্সিল।

কর পুনর্গঠন ছাড়াও আগে যে সমস্ত পণ্য যুক্তমূল্য কর বা পার্চেজ ট্যাক্সের আওতায় ছিল সেগুলিকে জিএসটির অধীনে আনা, সিগারেট এবং নরম পানীয়ের উপর কম্পেনশেসন সেস বাড়ানো এবং জিএসটি পূর্ববর্তী সময়ে যে সমস্ত পণ্য করের আওতায় ছিল না সেগুলিকে কর ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

ভারতে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৫ শতাংশ জিএসটির আওতায় যে সমস্ত পণ্য রয়েছে সেগুলি থেকে মোট জিএসটি আদায়ের মাত্র ৫ শতাংশ আসে। ১৮ শতাংশ করের আওতায় থাকা পণ্য থেকে ৬০ শতাংশ, ১২ শতাংশ করের আওতায় থাকা পণ্য থেকে ১৩ শতাংশ এবং ২৮ শতাংশ জিএসটির আওতায় থাকা পণ্য থেকে ২২ শতাংশ কর আদায় হয়ে থাকে।

গাড়ি শিল্পে মন্দার পরিস্থিতি চলতে থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই জিএসটি কমনোর দাবি জানিয়ে আসছে গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। কিন্তু, এ বিষয়ে জিএসটি কাউন্সিল এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না বলে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন। তবে, সিগারেট এবং নরম পানীয়ের উপর কম্পেনশেসন সেস বাড়ানো হবে বলেই তাঁর দাবি।

বর্তমানে ৬৫ মিলিমিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের ১,০০০টি সিগারেটের উপর ৫ শতাংশ ও ২,০৭৬ টাকা এবং ৭৫ মিলিমিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের ১,০০০টি সিগারেটের উপর ৫ শতাংশ ও ৩,৬৬৮ টাকা সেস নেওয়া হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়