শিরোনাম
◈ পোশাকের পর যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি পণ্য ফুটওয়্যার, এক বছরে রপ্তানি বেড়েছে ৫২% ◈ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে ঢাকায় আসছে ভারতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল ◈ ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিতের রিটে আদেশ মঙ্গলবার ◈ জ্যো‌তি‌কে অ‌ধিনায়ক ক‌রে এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন‌্য বাংলা‌দেশ নারী দল ঘোষণা  ◈ জ্বালানি সংকট দূর করতে নেওয়া হচ্ছে তিন পরিকল্পনা: সেতুমন্ত্রী ◈ পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন আশার আলো, স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার ◈ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইক‌মিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ ৮৪৫ কোটি টাকায় বার্সেলোনায় রদ্রি ◈ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ চার রুটে লংমার্চ, সর্বাত্মক সফলতার আহ্বান জামায়াতের

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৩:১৫ রাত
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৩:১৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু, সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় ও রোহিঙ্গারা

নিউজ ডেস্ক: কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্তকে শুধু স্থানীয়রা নয়, রোহিঙ্গারাও সাধুবাদ জানিয়েছে। আর এর ফলে সন্ত্রাস, জঙ্গি ঝুঁকি কমার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ার প্রবণতাও কমবে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ। এখানে ছোট বড় পাহাড়ের ১০ হাজার একর জায়গায় বসবাস করছে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। যাদের মধ্যে অনেকেই নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। খুন থেকে শুরু করে এমন কোনো অপরাধ নেই যা তারা করছে না।

যে কারণে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাটাতাঁরের বেড়া নিমার্ণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যার প্রেক্ষিতে ক্যাম্প তৈরির কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে পিলার বসানোর কাজ। রোহিঙ্গারা বলছে, কাটাতাঁরের বেড়া নির্মাণে নিরাপদ হবে ক্যাম্প।

তারা বলেন, আমাদের জন্য খুব ভালো হচ্ছে। খারাপ মানুষ আর যাওয়া আসা করতে পারবে না এখন।

দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় দারুণ খুশি স্থানীয়রা।

তারা বলেন, আমাদের অনেক দিনের দাবি পূরণ হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য ভালো ও নিরাপদ।

রোহিঙ্গা শিবিরগুলোকে কাঁটাতারের আওতায় এনে দ্রুত প্রত্যাবাসনে কাজ শুরু করা প্রয়োজন বলে জানালেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও সংগ্রাম পরিষদের এ নেতা মাহামুদুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, কাঁটাতারের ফলে তাদের অনেক অবৈধ কাজ রোধ করা যাবে। একই সাথে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থাও করতে হবে।

আর কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানালেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প কাঁটাতারের আওতায় আসলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ অনেকটা সহজ হবে।

তার বক্তব্য, কাঁটাতারের প্রভাবে তারা মুক্তভাবে চলাচল করতে পারবে না। যা সবার জন্যই ভালো।

গেল দু'বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খুন হয়েছে চল্লিশের মতো। আর মামলা হয়েছে চার শতাধিক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়