প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পেঁয়াজ সংকটের দায় ভারতের কাঁধে চাপিয়ে পার পাওয়া যাবে না

 

 

প্রভাষ আমিন : পেঁয়াজ সংকটের দায় ভারতের কাঁধে চাপিয়ে পার পাওয়া যাবে না। কারণ ভারত তো নিজেদের সমস্যা না মিটিয়ে আপনাকে পেঁয়াজ দেবে না। মহারাষ্ট্রে বন্যায় পেঁয়াজের উৎপাদন কম হওয়ায় এবার ভারতেই পেঁয়াজের সঙ্কট। ভারতেও পেঁয়াজের কেজি একশ টাকায় উঠেছে। তা নিয়ে সেখানকার সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান ট্রল হচ্ছে।বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা যখন সঙ্কটের কথা বলছিলেন, তখনই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সতর্ক হওয়া উচিত ছিলো অন্তত ১৩ সেপ্টেম্বর ভারত যখন পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিলো, তখনো হতে পারতেন। আর ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পরও যদি সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিতো, তাহলেও এতদিন দেশ পেঁয়াজে সয়লাব হয়ে যাওয়ার কথা।

কিন্তু ১ ডিসেম্বরেও যখন বাণিজ্যমন্ত্রী ভারতের দোষ দেন, তখন বুঝি আসলে সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বাণিজ্যমন্ত্রীর নেই। তিনি বসে আছেন কবে দেশি পেঁয়াজ বাজারে উঠবে সেই আশায়। সংকট সমাধান করতে না পারলেও সঙ্কট ঘনীভূত করার ব্যাপারে বাণিজ্যমন্ত্রীর দায় আছে। ৮ নভেম্বর তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার নিচে নামবে না। এভাবে দাম বেঁধে দিয়ে তিনি দাম বাড়ার একধরনের উস্কানি দিয়েছেন। বাণিজ্যমন্ত্রীর সেই কথার পর আর পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার নিচে নামেনি। বরং তাকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে পেঁয়াজ ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। কথায় বলে, সময়ের এক ফোড়, অসময়ের দশ ফোড়। সেপ্টেম্বরে উদ্যোগ নিলে মিশর, উজবেকিস্তান নয়; মঙ্গল গ্রহ থেকেও পেঁয়াজ আনা যেতো। এখন বিমানে ২৫০ টাকা দামে পেঁয়াজ এনে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি করছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী আবার আমাদের সেই খোঁটাও দিচ্ছেন। তবে ডিসেম্বরের ১ তারিখেও যখন বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন, পেঁয়াজের বাজার কবে স্বাভাবিক হবে বলা মুশকিল। তখন আসলে বলতেই হয়, ব্যর্থতার দায় নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী কবে যাবেন, সেটা জানা জরুরি। ঈষৎ সংক্ষেপিত। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত