শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল ◈ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ঘণ্টায় গড় আয় ২০ ডলারের বেশি ◈ সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ৪ হাজার ২৯১ চাকরি, বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? ◈ হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান ◈ জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন ◈ প্রতিবেশী দেশের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ◈ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান ◈ ‘জায়গা ভাড়া দিয়েছি, অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় আমার নয়’: অতিরিক্ত ডিআইজি আল জহির ◈ ভারতের আম্বানির রিলায়েন্সের তেল শোধনাগারে রুবিওর সফর কেন? ◈ সৌদি আরবের রাজধানীতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, জরুরি সতর্কতা জারি

প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৪:৩৫ সকাল
আপডেট : ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৪:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চুরি করে ক্রিকেট খেলা হয়না, বিসিবির বিরুদ্ধে তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেটারদের ক্ষোভ

রাকিব উদ্দীন : সম্প্রতি বিসিবির সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, আম্পায়ারদের ঘিরে ধরেছেন ক্রিকেটাররা। চলছে কথার তোপ। কেউ বলছেন, ‘চুরি করতে আসিনি এখানে।’ কেউ বলছেন, ‘চুরি করে ক্রিকেট খেলা হয় না।’ আম্পায়ারদের দিকে দেখিয়ে চিৎকার করে কেউ কেউ বলছেন ‘চোর, চোর, চোর।’ আম্পায়ারদের একজন জবাব দেওয়ার চেষ্টা করলেন, কিন্তু ক্রিকেটারদের ক্ষোভের কাছে টিকতে পারলেন না। তাদের মাঠের বাইরে নিয়ে গেলেন ম্যাচ রেফারি।

ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘এভাবেই ধ্বংস হচ্ছে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট।’

ঘটনা রোববার ঢাকা তৃতীয় বিভাগ লিগে কামরাঙ্গীর চর স্পোর্টিং ক্লাব ও ঢাকা রয়্যাল ক্রিকেটার্সের ম্যাচের। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ম্যাচটির পর রয়্যাল ক্রিকেটার্সের ক্রিকেটারদের ওই ক্ষোভের ভিডিও ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ভিডিওর শেষ দিকে দেখা যায়, রয়্যাল ক্রিকেটার্সের কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ রুবেল সামনে এগিয়ে ম্যাচ রেফারিকে বলছেন, ‘এই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেগুলির জীবন নষ্ট করবেন না।’

এ কর্মকর্তা ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমকে জানান তাদের ক্ষোভের কথা। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের শুরু থেকে আমাদের বিপক্ষে একের পর এক বাজে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আম্পায়াররা। তবু আমরা ক্রিকেটের স্বার্থে খেলা চালিয়ে গেছি। লড়াই করেছি। জয়ের মতো অবস্থাও সৃষ্টি করেছি। কিন্তু আম্পায়ারদের জন্য পারিনি। এভাবে খেলা যায় না।আমাদের প্রতিপক্ষ ক্লাব বিসিবি কর্তাদের আশীর্বাদপুষ্ট। তারা নিজেরাই মিডিয়ায় বলেছেন, তাদের ছায়ায় অনেক ক্লাব। এই ক্লাবও তাদেরই। আম্পায়ারদের উদ্দেশ্য কি ছিল, নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন!’

আম্পায়ারের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ওদের এক ওপেনার ৫১ করেছে, সে ২০ বা ২২ রানে আউট ছিল। নিশ্চিত স্টাম্পিং, ক্রিজের বাইরে ছিল অনেক। আমাদের ছেলেরা আম্পায়ারকে দেখিয়েছে যে বাইরে, তবু আম্পায়ার বলেছে যে ব্যাটসম্যান ভেতরেই। আমাদের এক ওপেনার শুরুতেই তিন বাউন্ডারি মেরেছিল। বল পায়ে লাগা মাত্র তাকে আউট দিয়েছে, যদিও আউট ছিল না। ফিল্ডারদের আবেদন শুরুই হয়নি, তার আগেই আউট!”

‘টুকটাক আরও ছিল ম্যাচ জুড়েই। সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে শেষ দিকে। এই অবস্থার মধ্যেও আমরা জয়ের পথে ছিলাম। আমাদের বড় জুটি ভাঙল, এরপর আমাদের দুই ব্যাটসম্যানকে জঘন্য দুটি সিদ্ধান্তে এলবিডব্লিউ দিয়ে দিলো। তার পরও আমাদের একজন একাই টেনে নিচ্ছিল দলকে (জাহিদ হাসান, ৬০ রান), বল পায়ে লাগতেই দিচ্ছিল না। শেষে ওকেও রান আউট দিয়ে দিলো। অথচ সে ক্রিজে পৌঁছে গিয়েছিল বেশ আগেই।’

আম্পায়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘নিচের দিকের লিগের সবাই জানে, আম্পায়ার সাইদুর কোন ধরনের আম্পায়ার। অনেক অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। আরেক আম্পায়ার জুয়েল (জহিরুল ইসলাম) তো পূর্বাঞ্চল ক্লাবের প্রতিনিধি হিসেবে লিগ আয়োজকদের সভায় উপস্থিত থেকেছে। ক্লাবের প্রতিনিধি আম্পায়ারের দায়িত্ব পায়, কখনও শুনেছেন? তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করাই কঠিন।’

রুবেল জানালেন, ম্যাচ শেষে নিজেদের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনে এই সবকিছু তারা উল্লেখ করেছেন। ম্যাচ রেফারিকেও জানিয়েছেন তারা। কিন্তু প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছেন কিনা, তা জানতে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। ফোন ধরেননি বিসিবির প্রধান নির্বাহী ও টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানের কেউ।

  • সর্বশেষ