শিরোনাম
◈ মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ◈ মাদক-জুয়া ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ ফের ৪ দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল ◈ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থায়ন জটিলতা কাটছে, আগ্রহী চীনা ব্যাংক ◈ ঢাকা থেকে সারাদেশে বাসভাড়া কত, দেখুন নতুন তালিকা ◈ মক্কায় দ্বিতীয়বার সতর্কবার্তা, কী ঘটছে সৌদিতে? ◈ ৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর ◈ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ ◈ সুপার এল নিনোয় সত্যিই কি মারা যাবে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ? ঝুঁকিতে কোন দেশগুলো  ◈ ফুটপাতে গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিক নিহত: মেহেদীর পরিবারকে টাকা দিয়ে মীমাংসা

প্রকাশিত : ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৫:৫৬ সকাল
আপডেট : ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ০৫:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: ভোলায় আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে মানুষ

ডেস্ক রিপোর্ট : বঙ্গপোসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ভোলায় সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এতে করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে দ্বীপ জেলার মানুষ। বিশেষ করে ভোলার বিচ্ছিন্ন চরগুলোর বাসিন্দারা রয়েছে চরম আতঙ্কের মধ্যে। যুগান্তর

এরই মধ্যে আজ (শুক্রবার) রাত জেগে ওই সব চরাঞ্চলের মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রের আনার জন্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও সিপিপি সদস্যরা।

জেলার মনপুরা ও ঢালচরের প্রায় সাত হাজারেরও বেশি মানুষ ইতিমধ্যে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম।

তিনি জানান, রেড ক্রিসেন্ট, সিপিপি ও স্টাউটসের মোট ১৩ হাজার সেচ্চাসেবী ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলগুলো এ সেচ্চাসেবকরা কাজ শুরু করে দিয়েছে। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রের আনার কাজ শুরু করেছে। জেলা জুড়ে প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ঘুর্ণিঝর মোকাবেলায় ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ভোলার জন্য নগদ ১০ লক্ষ টাকা, দুই’শ মেট্রিকটন চাল ও দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক।

তিনি আরও জানান, জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের মানুষকে মূল ভূখন্ডে আনার কাজ চলছে। যাতে করে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে একটিও প্রাণহানি না ঘটে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

গবাদিপশুর জন্য ৩৯টি মুজিব কেল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মসজিদের মাইকেও প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোনো আশ্রয় কেন্দ্র বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকগণ যদি এগুলো খুলে দিতে দেরি করে অথবা দায়িত্বে অবহেলা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক।

  • সর্বশেষ