শিরোনাম
◈ জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: যুদ্ধ নয়, সংঘাত সমাধানে চাই আলোচনা ও কূটনীতি ◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বৈঠক, গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু ◈ প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা ◈ বন্ধের পথে ৪ এনবিএফআই, আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত ◈ টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িং চুক্তি, মার্কিন অর্থনীতিতে বড় সাফল্য বললেন ট্রাম্প ◈ জাতিসংঘে তারেক–শাহবাজ বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারে জোর ◈ দেশে আরও ৪ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন, বাড়ছে অ্যাপনির্ভর ব্যাংকিং সেবা ◈ কারা এই হুতি বিদ্রোহীরা, কী তাদের লক্ষ্য? ◈ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় বৈশ্বিক নিঃসরণ কমানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবরারের ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মায়ের কথা মনে পড়েনি?

মেহের আফরোজ শাওন : বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ’৬৯ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন আমার বাবা। সারাজীবন তার মুখে গর্বের সঙ্গে উচ্চারিত হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন ছিলো আমারও। ভর্তি পরীক্ষার ফরম তোলার সময় ঢাকার বাইরে থাকায় পরীক্ষাই দিতে পারিনি আমি। সেই দুঃখ ভোলার জন্য প্রায়ই ভেবেছি পুত্রদ্বয়ের যেকোনো একজন যেন এই মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হতে পারে। এই প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ছাত্র ছিলো আবরার।

আবরারের কথা ভাবী আর আমার পুত্রদ্বয়ের মুখের দিকে তাকাই। আমার বুক কাঁপে। বাচ্চা দু’টোর পিঠ হাত-পা’র উপর হাত বুলিয়ে দিই। ছোটবেলায় এ রকম ছোট ছোট হাত পা-ই তো ছিলো আবরারের। তার মা কতোরাত পিঠে হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে তাকে। একেকটা আঘাতে ছেলেটা কি ‘মা গো’ বলে চিৎকার দিয়েছিলো? ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মা’য়ের কথা মনে পড়েনি। ঠিক কতোবার... কতোক্ষণ ধরে... কতোটুকু আঘাত করলে বিশ-একুশ বছরের একটা তরুণ ছেলে মরেই যায়। আমি আর ভাবতে পারি না। ফেসবুকে আবরারের পিঠটার ছবি দেখলাম।

কি ভয়ংকর। কি নৃশংস। কি কষ্ট। এই ছবিটা যেন তার বাবা-মা’র চোখে না পড়ে। ভুল বলেছি। আবরারের বাবা, আবরারের মা তাদের বাবুটার ক্ষতবিক্ষত পিঠে হাত বুলিয়ে যেন অভিশাপ দেন মানুষের মতো দেখতে খুনি অমানুষগুলোকে। তাদের অভিশাপে যেন ধ্বংস হয়ে যায় এই অসুস্থ সমাজ। নুসরাতকে ভুলে গিয়েছি আবরারকেও ভুলে যাবো। বিচার চাই বলে লাভ আছে কিনা জানি না তবুও বিচার চাই। সংশোধন: ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পিঠের ছবিটা আবরারের নয়। তাতে কি। আবরারের শরীরটাও তো ছয়-সাত ঘণ্টার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ