শিরোনাম
◈ রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় সুযোগ: ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি মস্কোর ◈ কুমিল্লার নিমসার বাজার এলকায় অটোরিকশা শ্রমিকদের তাণ্ডব, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর (ভিডিও) ◈ যে কারণে ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র! ◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে! ◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবরারের ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মায়ের কথা মনে পড়েনি?

মেহের আফরোজ শাওন : বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ’৬৯ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন আমার বাবা। সারাজীবন তার মুখে গর্বের সঙ্গে উচ্চারিত হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন ছিলো আমারও। ভর্তি পরীক্ষার ফরম তোলার সময় ঢাকার বাইরে থাকায় পরীক্ষাই দিতে পারিনি আমি। সেই দুঃখ ভোলার জন্য প্রায়ই ভেবেছি পুত্রদ্বয়ের যেকোনো একজন যেন এই মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হতে পারে। এই প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ছাত্র ছিলো আবরার।

আবরারের কথা ভাবী আর আমার পুত্রদ্বয়ের মুখের দিকে তাকাই। আমার বুক কাঁপে। বাচ্চা দু’টোর পিঠ হাত-পা’র উপর হাত বুলিয়ে দিই। ছোটবেলায় এ রকম ছোট ছোট হাত পা-ই তো ছিলো আবরারের। তার মা কতোরাত পিঠে হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে তাকে। একেকটা আঘাতে ছেলেটা কি ‘মা গো’ বলে চিৎকার দিয়েছিলো? ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মা’য়ের কথা মনে পড়েনি। ঠিক কতোবার... কতোক্ষণ ধরে... কতোটুকু আঘাত করলে বিশ-একুশ বছরের একটা তরুণ ছেলে মরেই যায়। আমি আর ভাবতে পারি না। ফেসবুকে আবরারের পিঠটার ছবি দেখলাম।

কি ভয়ংকর। কি নৃশংস। কি কষ্ট। এই ছবিটা যেন তার বাবা-মা’র চোখে না পড়ে। ভুল বলেছি। আবরারের বাবা, আবরারের মা তাদের বাবুটার ক্ষতবিক্ষত পিঠে হাত বুলিয়ে যেন অভিশাপ দেন মানুষের মতো দেখতে খুনি অমানুষগুলোকে। তাদের অভিশাপে যেন ধ্বংস হয়ে যায় এই অসুস্থ সমাজ। নুসরাতকে ভুলে গিয়েছি আবরারকেও ভুলে যাবো। বিচার চাই বলে লাভ আছে কিনা জানি না তবুও বিচার চাই। সংশোধন: ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পিঠের ছবিটা আবরারের নয়। তাতে কি। আবরারের শরীরটাও তো ছয়-সাত ঘণ্টার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়