শিরোনাম
◈ ভারত-বাংলাদেশ যাত্রীবাহী ট্রেন চালু নিয়ে বৈঠক, নতুন রুটের প্রস্তাব ঢাকার ◈ নতুন যে দায়িত্ব পেলেন এ. এম. মাহবুব উদ্দিন ◈ হুতিদের কারাগারে সৌদি বিমান হামলার অভিযোগ, নিহত ৭ ◈ ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধনকে ধ্বংসের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চক্রান্তকারীরা : রিজভী ◈ কেরুর মদ বিক্রি ৫০০ কোটি টাকা, ডিস্টিলারি ইউনিটে রেকর্ড ২২৪ কোটি টাকার মুনাফা ◈ হাসিনাকে ‘কোনো অবস্থাতেই প্রত্যর্পণ করবে না' দিল্লি, দেশে ফিরলে নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ: আনন্দবাজার ◈ ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ গঙ্গা চুক্তির, তারেক-মোদি বৈঠকেই কি হবে নবায়নের সিদ্ধান্ত? ◈ আমাকে ফিজিক্যালি হ্যারাস করেছে, আমার শরীরে পানি ও কোক ছুড়ে মেরেছে, আমি একদম ভিজে যাই: অভিনেত্রী বাঁধন ◈ ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে বাংলাদেশিদের ভিসা সুবিধা, জালিয়াতি নিয়ে সতর্ক করল চীনা দূতাবাস ◈ বাংলাদেশ থেকে ভারতে কেন পাট পাচার করার অভিযোগ উঠছে

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবরারের ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মায়ের কথা মনে পড়েনি?

মেহের আফরোজ শাওন : বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ’৬৯ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন আমার বাবা। সারাজীবন তার মুখে গর্বের সঙ্গে উচ্চারিত হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন ছিলো আমারও। ভর্তি পরীক্ষার ফরম তোলার সময় ঢাকার বাইরে থাকায় পরীক্ষাই দিতে পারিনি আমি। সেই দুঃখ ভোলার জন্য প্রায়ই ভেবেছি পুত্রদ্বয়ের যেকোনো একজন যেন এই মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হতে পারে। এই প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ছাত্র ছিলো আবরার।

আবরারের কথা ভাবী আর আমার পুত্রদ্বয়ের মুখের দিকে তাকাই। আমার বুক কাঁপে। বাচ্চা দু’টোর পিঠ হাত-পা’র উপর হাত বুলিয়ে দিই। ছোটবেলায় এ রকম ছোট ছোট হাত পা-ই তো ছিলো আবরারের। তার মা কতোরাত পিঠে হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে তাকে। একেকটা আঘাতে ছেলেটা কি ‘মা গো’ বলে চিৎকার দিয়েছিলো? ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মা’য়ের কথা মনে পড়েনি। ঠিক কতোবার... কতোক্ষণ ধরে... কতোটুকু আঘাত করলে বিশ-একুশ বছরের একটা তরুণ ছেলে মরেই যায়। আমি আর ভাবতে পারি না। ফেসবুকে আবরারের পিঠটার ছবি দেখলাম।

কি ভয়ংকর। কি নৃশংস। কি কষ্ট। এই ছবিটা যেন তার বাবা-মা’র চোখে না পড়ে। ভুল বলেছি। আবরারের বাবা, আবরারের মা তাদের বাবুটার ক্ষতবিক্ষত পিঠে হাত বুলিয়ে যেন অভিশাপ দেন মানুষের মতো দেখতে খুনি অমানুষগুলোকে। তাদের অভিশাপে যেন ধ্বংস হয়ে যায় এই অসুস্থ সমাজ। নুসরাতকে ভুলে গিয়েছি আবরারকেও ভুলে যাবো। বিচার চাই বলে লাভ আছে কিনা জানি না তবুও বিচার চাই। সংশোধন: ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পিঠের ছবিটা আবরারের নয়। তাতে কি। আবরারের শরীরটাও তো ছয়-সাত ঘণ্টার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ