শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবরারের ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মায়ের কথা মনে পড়েনি?

মেহের আফরোজ শাওন : বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ’৬৯ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন আমার বাবা। সারাজীবন তার মুখে গর্বের সঙ্গে উচ্চারিত হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন ছিলো আমারও। ভর্তি পরীক্ষার ফরম তোলার সময় ঢাকার বাইরে থাকায় পরীক্ষাই দিতে পারিনি আমি। সেই দুঃখ ভোলার জন্য প্রায়ই ভেবেছি পুত্রদ্বয়ের যেকোনো একজন যেন এই মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হতে পারে। এই প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ছাত্র ছিলো আবরার।

আবরারের কথা ভাবী আর আমার পুত্রদ্বয়ের মুখের দিকে তাকাই। আমার বুক কাঁপে। বাচ্চা দু’টোর পিঠ হাত-পা’র উপর হাত বুলিয়ে দিই। ছোটবেলায় এ রকম ছোট ছোট হাত পা-ই তো ছিলো আবরারের। তার মা কতোরাত পিঠে হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে তাকে। একেকটা আঘাতে ছেলেটা কি ‘মা গো’ বলে চিৎকার দিয়েছিলো? ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মা’য়ের কথা মনে পড়েনি। ঠিক কতোবার... কতোক্ষণ ধরে... কতোটুকু আঘাত করলে বিশ-একুশ বছরের একটা তরুণ ছেলে মরেই যায়। আমি আর ভাবতে পারি না। ফেসবুকে আবরারের পিঠটার ছবি দেখলাম।

কি ভয়ংকর। কি নৃশংস। কি কষ্ট। এই ছবিটা যেন তার বাবা-মা’র চোখে না পড়ে। ভুল বলেছি। আবরারের বাবা, আবরারের মা তাদের বাবুটার ক্ষতবিক্ষত পিঠে হাত বুলিয়ে যেন অভিশাপ দেন মানুষের মতো দেখতে খুনি অমানুষগুলোকে। তাদের অভিশাপে যেন ধ্বংস হয়ে যায় এই অসুস্থ সমাজ। নুসরাতকে ভুলে গিয়েছি আবরারকেও ভুলে যাবো। বিচার চাই বলে লাভ আছে কিনা জানি না তবুও বিচার চাই। সংশোধন: ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পিঠের ছবিটা আবরারের নয়। তাতে কি। আবরারের শরীরটাও তো ছয়-সাত ঘণ্টার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়