শিরোনাম
◈ ভোট গণনায় আসামে এগিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ◈ “জুলাই হত্যাকাণ্ডে বিচার বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন: প্রমাণ নেই, আটক ও জামিন সংকটে রাজনৈতিক স্বার্থের অভিযোগ সারা হোসেনের” ◈ পর্যটন খাতে বড় পরিকল্পনা, আসছে পূর্ণাঙ্গ মাস্টারপ্ল্যান : বিমানমন্ত্রী ◈ চ্যাম্পিয়ন আবাহনী পরাজয় দি‌য়ে শুরু কর‌লো ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ  ◈ বাংলা‌দেশ নারী ক্রিকেট দ‌লের অ‌ধিনায়ক জ্যোতি‌কে শা‌স্তি দি‌লো আইসি‌সি ◈ মমতার বিদায়ের ইঙ্গিত? বিজেপি জিতলে কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ◈ হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই, একদিনেই ১৭ শিশুর মৃত্যু ◈ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে জটিলতা কমানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ মা‌য়ের সোনার গহনা আর বাবার ৪টা দোকান বেচে কার্তিক শর্মা হ‌লেন ক্রিকেটার ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, এগোচ্ছে নবম পে-স্কেল পরিকল্পনা

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবরারের ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মায়ের কথা মনে পড়েনি?

মেহের আফরোজ শাওন : বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ’৬৯ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন আমার বাবা। সারাজীবন তার মুখে গর্বের সঙ্গে উচ্চারিত হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন ছিলো আমারও। ভর্তি পরীক্ষার ফরম তোলার সময় ঢাকার বাইরে থাকায় পরীক্ষাই দিতে পারিনি আমি। সেই দুঃখ ভোলার জন্য প্রায়ই ভেবেছি পুত্রদ্বয়ের যেকোনো একজন যেন এই মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হতে পারে। এই প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগেরই ছাত্র ছিলো আবরার।

আবরারের কথা ভাবী আর আমার পুত্রদ্বয়ের মুখের দিকে তাকাই। আমার বুক কাঁপে। বাচ্চা দু’টোর পিঠ হাত-পা’র উপর হাত বুলিয়ে দিই। ছোটবেলায় এ রকম ছোট ছোট হাত পা-ই তো ছিলো আবরারের। তার মা কতোরাত পিঠে হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে তাকে। একেকটা আঘাতে ছেলেটা কি ‘মা গো’ বলে চিৎকার দিয়েছিলো? ‘মা গো’ ডাক শুনে খুনি ছেলেগুলোর কি একটুও নিজের মা’য়ের কথা মনে পড়েনি। ঠিক কতোবার... কতোক্ষণ ধরে... কতোটুকু আঘাত করলে বিশ-একুশ বছরের একটা তরুণ ছেলে মরেই যায়। আমি আর ভাবতে পারি না। ফেসবুকে আবরারের পিঠটার ছবি দেখলাম।

কি ভয়ংকর। কি নৃশংস। কি কষ্ট। এই ছবিটা যেন তার বাবা-মা’র চোখে না পড়ে। ভুল বলেছি। আবরারের বাবা, আবরারের মা তাদের বাবুটার ক্ষতবিক্ষত পিঠে হাত বুলিয়ে যেন অভিশাপ দেন মানুষের মতো দেখতে খুনি অমানুষগুলোকে। তাদের অভিশাপে যেন ধ্বংস হয়ে যায় এই অসুস্থ সমাজ। নুসরাতকে ভুলে গিয়েছি আবরারকেও ভুলে যাবো। বিচার চাই বলে লাভ আছে কিনা জানি না তবুও বিচার চাই। সংশোধন: ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পিঠের ছবিটা আবরারের নয়। তাতে কি। আবরারের শরীরটাও তো ছয়-সাত ঘণ্টার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়